, সোমবার, ০১ ডিসেম্বর ২০২৫, ১৬ অগ্রহায়ণ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
নোটিশ :
সংবাদের বিষয়ে কিছু জানাতে ইমেইল করুন [email protected] ঠিকানায়

‘পরিবেশ মানবাধিকার রক্ষাকারীদের সুরক্ষা নিশ্চিত করতে হবে’

নিউজ ডেস্ক
  • আপডেট সময় ০১:২৬ অপরাহ্ন, শনিবার, ১১ অক্টোবর ২০২৫
  • / ২৮ বার পড়া হয়েছে

পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তন মন্ত্রণালয়ের উপদেষ্টা সৈয়দা রিজওয়ানা হাসান বলেছেন, পরিবেশ মানবাধিকার রক্ষাকারীদের সুরক্ষা নিশ্চিত করতে হবে এবং তাদের নিরাপত্তাকে আইনি ভিত্তিতে প্রতিষ্ঠিত করতে হবে। বিশ্বব্যাপী পরিবেশ মানবাধিকার রক্ষাকারীরা হত্যাযজ্ঞ ও সহিংসতার শিকার হচ্ছেন, যাকে গুরুত্বের সঙ্গে বিবেচনা করছে জাতিসংঘও। বাংলাদেশের জাতীয় আইনেও এ বিষয়টির প্রতিফলন জরুরি। শনিবার (১১ অক্টোবর) রাজধানীর হোটেল ইন্টারকন্টিনেন্টালে ‘জাতীয় মানবাধিকার কমিশন অধ্যাদেশ, ২০২৫ (খসড়া)’ বিষয়ক এক জাতীয় পরামর্শ সভায় তিনি এ কথা বলেন। পরিবেশ উপদেষ্টা বলেন, মানবাধিকার রক্ষায় বিচার বিভাগীয় শক্তির গুরুত্ব অপরিসীম। আদালত অনেক সময় গুরুত্বপূর্ণ দিকনির্দেশনা দিয়েছেন, কিন্তু বাস্তবায়নে কিছু বাধা সৃষ্টি হয়। বর্তমান খসড়া অধ্যাদেশটি সামগ্রিকভাবে ভালো, এতে তদন্ত, সুপারিশ, ক্ষতিপূরণ, প্রশিক্ষণ, পরামর্শ, সালিশ ও মধ্যস্থতার উপাদানগুলো অন্তর্ভুক্ত রয়েছে। এখন সবচেয়ে বেশি প্রয়োজন হলো, কমিশনকে কার্যকর ও সক্ষম করে তোলা। তিনি আরও বলেন, কমিশনের সুপারিশকে কেবল নৈতিক শক্তি হিসেবে নয়, আইনি প্রভাবশালী করতেই হবে। সালিশ ও মধ্যস্থতার মাধ্যমে গৃহীত সিদ্ধান্তের বাস্তবায়নের জন্য আইনগত কাঠামো থাকা অত্যাবশ্যক। খসড়ায় কিছু সংশোধনের সুযোগ রয়েছে— যেমন ‘ব্যক্তি’ শব্দের সংজ্ঞায় সরকারি সংস্থা ও আইনশৃঙ্খলা বাহিনীকে অন্তর্ভুক্ত করা, কমিশনের নিজস্ব আইনজীবী প্যানেল গঠন, এবং আইন প্রয়োগকারী সংস্থার সঙ্গে ঘনিষ্ঠ সমন্বয় বজায় রাখা। তিনি বলেন, প্রস্তাবিত এই আইনটি পুলিশ কমিশন, নারী কমিশন, গুম তদন্ত কমিশন এবং গণমাধ্যম কমিশনের মতো অন্যান্য আইনের সঙ্গে পরিপূরক হবে। এ জন্য এসব আইনের মধ্যে পারস্পরিক সম্পর্ক ও সামঞ্জস্য নিশ্চিত করতে হবে। সভায় আরও বক্তব্য রাখেন আইন, বিচার ও সংসদ বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের উপদেষ্টা ড. আসিফ নজরুল, গৃহায়ন ও গণপূর্ত মন্ত্রণালয়ের উপদেষ্টা আদিলুর রহমান খানসহ আইন মন্ত্রণালয়, উন্নয়ন সংস্থা, মানবাধিকার কর্মী ও গণমাধ্যমের প্রতিনিধিরা।


প্রিন্ট

নিউজটি শেয়ার করুন

‘পরিবেশ মানবাধিকার রক্ষাকারীদের সুরক্ষা নিশ্চিত করতে হবে’

আপডেট সময় ০১:২৬ অপরাহ্ন, শনিবার, ১১ অক্টোবর ২০২৫

পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তন মন্ত্রণালয়ের উপদেষ্টা সৈয়দা রিজওয়ানা হাসান বলেছেন, পরিবেশ মানবাধিকার রক্ষাকারীদের সুরক্ষা নিশ্চিত করতে হবে এবং তাদের নিরাপত্তাকে আইনি ভিত্তিতে প্রতিষ্ঠিত করতে হবে। বিশ্বব্যাপী পরিবেশ মানবাধিকার রক্ষাকারীরা হত্যাযজ্ঞ ও সহিংসতার শিকার হচ্ছেন, যাকে গুরুত্বের সঙ্গে বিবেচনা করছে জাতিসংঘও। বাংলাদেশের জাতীয় আইনেও এ বিষয়টির প্রতিফলন জরুরি। শনিবার (১১ অক্টোবর) রাজধানীর হোটেল ইন্টারকন্টিনেন্টালে ‘জাতীয় মানবাধিকার কমিশন অধ্যাদেশ, ২০২৫ (খসড়া)’ বিষয়ক এক জাতীয় পরামর্শ সভায় তিনি এ কথা বলেন। পরিবেশ উপদেষ্টা বলেন, মানবাধিকার রক্ষায় বিচার বিভাগীয় শক্তির গুরুত্ব অপরিসীম। আদালত অনেক সময় গুরুত্বপূর্ণ দিকনির্দেশনা দিয়েছেন, কিন্তু বাস্তবায়নে কিছু বাধা সৃষ্টি হয়। বর্তমান খসড়া অধ্যাদেশটি সামগ্রিকভাবে ভালো, এতে তদন্ত, সুপারিশ, ক্ষতিপূরণ, প্রশিক্ষণ, পরামর্শ, সালিশ ও মধ্যস্থতার উপাদানগুলো অন্তর্ভুক্ত রয়েছে। এখন সবচেয়ে বেশি প্রয়োজন হলো, কমিশনকে কার্যকর ও সক্ষম করে তোলা। তিনি আরও বলেন, কমিশনের সুপারিশকে কেবল নৈতিক শক্তি হিসেবে নয়, আইনি প্রভাবশালী করতেই হবে। সালিশ ও মধ্যস্থতার মাধ্যমে গৃহীত সিদ্ধান্তের বাস্তবায়নের জন্য আইনগত কাঠামো থাকা অত্যাবশ্যক। খসড়ায় কিছু সংশোধনের সুযোগ রয়েছে— যেমন ‘ব্যক্তি’ শব্দের সংজ্ঞায় সরকারি সংস্থা ও আইনশৃঙ্খলা বাহিনীকে অন্তর্ভুক্ত করা, কমিশনের নিজস্ব আইনজীবী প্যানেল গঠন, এবং আইন প্রয়োগকারী সংস্থার সঙ্গে ঘনিষ্ঠ সমন্বয় বজায় রাখা। তিনি বলেন, প্রস্তাবিত এই আইনটি পুলিশ কমিশন, নারী কমিশন, গুম তদন্ত কমিশন এবং গণমাধ্যম কমিশনের মতো অন্যান্য আইনের সঙ্গে পরিপূরক হবে। এ জন্য এসব আইনের মধ্যে পারস্পরিক সম্পর্ক ও সামঞ্জস্য নিশ্চিত করতে হবে। সভায় আরও বক্তব্য রাখেন আইন, বিচার ও সংসদ বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের উপদেষ্টা ড. আসিফ নজরুল, গৃহায়ন ও গণপূর্ত মন্ত্রণালয়ের উপদেষ্টা আদিলুর রহমান খানসহ আইন মন্ত্রণালয়, উন্নয়ন সংস্থা, মানবাধিকার কর্মী ও গণমাধ্যমের প্রতিনিধিরা।


প্রিন্ট