খালেদা জিয়া ও তারেক রহমানকে নিয়ে সুখবর দিলেন তথ্য উপদেষ্টা
ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় সাবেক ইউপি সদস্যের গলাকাটা মরদেহ উদ্ধার
শ্রীলঙ্কায় ভয়াবহ বন্যায় মৃতের সংখ্যা অন্তত ১৯৩
ইসরায়েলি প্রেসিডেন্টের কাছে ক্ষমা চাইলেন নেতানিয়াহু
হাসপাতালে খালেদা জিয়াকে দেখতে গেলেন তামিম ইকবাল
নোয়াখালীতে খালেদা জিয়ার সুস্থতা কামনায় কোরআন খতম ও দোয়া
মসজিদে বিয়ে ও সমালোচনা নিয়ে মুখ খুললেন শবনম ফারিয়া
দেশে বাড়লো সব ধরনের জ্বালানি তেলের দাম
ইসরায়েলি হামলার গাজায় নিহত ৭০ হাজারের বেশি
খাদ্য অধিদপ্তরের পরীক্ষার প্রশ্নপত্র ফাঁস
যুদ্ধবিরতি লঙ্ঘন করে গাজায় ইসরায়েলি হামলা
- আপডেট সময় ০৮:৪০ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৩০ অক্টোবর ২০২৫
- / ১৯ বার পড়া হয়েছে
যুদ্ধবিরতিকে অমান্য করে গাজায় নতুন করে হামলা চালিয়েছে ইসরায়েল। সর্বশেষ এই আক্রমণে দুজনের মৃত্যু হয়েছে। এর আগে মঙ্গলবার রাতে সংঘটিত হামলায় নিহতের সংখ্যা শতাধিকের বেশি, যাদের অধিকাংশই নারী ও শিশু। এই পরিস্থিতিতে শান্তি চেষ্টাকে ‘হাতছাড়া না করার’ জন্য সব পক্ষকে সতর্ক করেছেন জাতিসংঘ। বৃহস্পতিবার (৩০ অক্টোবর) প্রকাশিত এক প্রতিবেদনে এ তথ্য জানায় সংবাদমাধ্যম আল জাজিরা। প্রতিবেদনে বলা হয়, অস্ত্রবিরতিকে পুনরায় কার্যকর করার দাবির মধ্যে দিয়ে ইসরায়েল নতুন করে গাজায় হামলা চালিয়েছে। বুধবার সন্ধ্যায় উত্তর গাজার বেইত লেহিয়ায় এই হামলায় অন্তত দুইজনের মৃত্যুর খবর নিশ্চিত করেছে আল-শিফা হাসপাতালের কর্তৃপক্ষ। ইসরায়েল দাবি করে, তারা এমন একটি স্থানে হামলা চালিয়েছে যেখানে অস্ত্রের জোগান ছিল এবং সেগুলো তাদের সেনাদের জন্য ‘তৎক্ষণিক হুমকি’ সৃষ্টি করেছিল। এই হামলা গাজার নাজুক অস্ত্রবিরতিকে আরও অনিশ্চয়তার দিকে ঠেলে দিয়েছে। এর আগে গত মঙ্গলবার দক্ষিণ গাজার রাফাহ এলাকায় এক ইসরায়েলি সেনা নিহতের পর প্রধানমন্ত্রী নেতানিয়াহু ‘প্রতিশোধমূলক জোরালো হামলার’ নির্দেশ দেন। গাজার স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের তথ্য অনুযায়ী, ওই হামলায় ১০৪ জনের মৃত্যু হয়েছে, যাঁরা অধিকাংশই নারী ও শিশু। ইসরায়েল জানায়, তারা হামাসের জ্যেষ্ঠ যোদ্ধাদের লক্ষ্য করে এই হামলা চালিয়েছে এবং ‘ডজনখানেক’ যোদ্ধা নিহত হয়েছে। এরপর বুধবার দুপুরে তারা আবারও অস্ত্রবিরতি কার্যকর রাখার ঘোষণা দেয়। একই দিনে সন্ধ্যায় আবারও হামলা চালায় তারা। যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প বলেন, সর্বশেষ হামলার পরও অস্ত্রবিরতি “ঝুঁকির মুখে নয়”। অন্যদিকে মধ্যস্থতাকারী দেশ কাতার এই হামলায় হতাশা প্রকাশ করলেও জানায়, তারা এখনও যুদ্ধবিরতির পরবর্তী ধাপে অগ্রসর হওয়ার ব্যাপারে আশাবাদী। এই পরিস্থিতিতে বুধবার জাতিসংঘ মহাসচিব অ্যান্তোনিও গুতেরেসের মুখপাত্র স্টিফান ডুজারিক এক বিবৃতিতে বলেন, গুতেরেস গাজার বেসামরিক মানুষের ওপর ইসরায়েলি বিমান হামলার নিন্দা জানাচ্ছেন। এই হামলায় বহু শিশুও নিহত হয়েছে। হামাস এক বিবৃতিতে জানায়, রাফাহতে যে ঘটনা ঘটেছে, সেখানে একজন ইসরায়েলি সেনার মৃত্যু হলেও তাদের যোদ্ধাদের সঙ্গে এর কোনো সম্পর্ক নেই। তারা অস্ত্রবিরতির অঙ্গীকার পুনর্ব্যক্ত করে। তবে সাম্প্রতিক হামলার কারণে এক মৃত ইসরায়েলি বন্দির মরদেহ ফেরত দেওয়ার প্রক্রিয়া স্থগিত রাখার ঘোষণা দেয় তারা। হামাস বলেছে, ইসরায়েলের নতুন হামলা চলতে থাকলে সেটি “বন্দিদের মরদেহ উদ্ধার অভিযানকে বাধাগ্রস্ত করবে।” অন্যদিকে, ইসরায়েলি কর্তৃপক্ষ রেডক্রসের প্রতিনিধিদের ফিলিস্তিনি বন্দিদের সঙ্গে সাক্ষাতের উপর আনুষ্ঠানিকভাবে নিষেধাজ্ঞা দিয়েছে। তারা দাবি করে, এই সাক্ষাৎ নিরাপত্তা ঝুঁকি তৈরি করতে পারে। হামাস এই নিষেধাজ্ঞাকে বন্দিদের অধিকার লঙ্ঘন বলে অভিহিত করেছে। তারা বলেছে, যুদ্ধ চলাকালে কার্যত এই নিষেধাজ্ঞা চালু ছিল এবং এটি “ইসরায়েলের ধারাবাহিক হত্যাযজ্ঞ, নির্যাতন ও নিরীহ মানুষকে না খেতে দেওয়ার নীতিরই অংশ।”
প্রিন্ট














