খালেদা জিয়া ও তারেক রহমানকে নিয়ে সুখবর দিলেন তথ্য উপদেষ্টা
ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় সাবেক ইউপি সদস্যের গলাকাটা মরদেহ উদ্ধার
শ্রীলঙ্কায় ভয়াবহ বন্যায় মৃতের সংখ্যা অন্তত ১৯৩
ইসরায়েলি প্রেসিডেন্টের কাছে ক্ষমা চাইলেন নেতানিয়াহু
হাসপাতালে খালেদা জিয়াকে দেখতে গেলেন তামিম ইকবাল
নোয়াখালীতে খালেদা জিয়ার সুস্থতা কামনায় কোরআন খতম ও দোয়া
মসজিদে বিয়ে ও সমালোচনা নিয়ে মুখ খুললেন শবনম ফারিয়া
দেশে বাড়লো সব ধরনের জ্বালানি তেলের দাম
ইসরায়েলি হামলার গাজায় নিহত ৭০ হাজারের বেশি
খাদ্য অধিদপ্তরের পরীক্ষার প্রশ্নপত্র ফাঁস
প্রধান উপদেষ্টার ভাষণের তাৎক্ষণিক প্রতিক্রিয়া জামায়াতের
- আপডেট সময় ০৪:৫২ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৩ নভেম্বর ২০২৫
- / ২৩ বার পড়া হয়েছে
জাতির উদ্দেশে প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূসের ভাষণের সাথে সম্পর্কিত দ্রুত প্রতিক্রিয়া ব্যক্ত করেছে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামি। বৃহস্পতিবার (১৩ নভেম্বর) এক সংবাদ সম্মেলনে এ প্রতিক্রিয়া প্রকাশ করা হয়। সংবাদ সম্মেলনে জামায়াতে ইসলামের মহাসচিব মিয়া গোলাম পরওয়ার বলেন, “একই দিনে জাতীয় নির্বাচন ও গণভোটের ঘোষণা জনগণের প্রত্যাশা পূরণ করেনি। এই সিদ্ধান্তে একটি সংকট সৃষ্টি হয়েছে।” তিনি আরও বলেন, “আমরা বহু দিন ধরে দাবি করে আসছি যে, বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামি সহ ৮টি সমমনা দল চাইছে, ভোটটা নির্বাচন পূর্বেই সম্পন্ন হোক। এভাবে আইনি ভিত্তি আরও শক্তিশালী হবে। পরবর্তী সময়ে আদালতে এই বিষয়ে প্রশ্ন ওঠার সুযোগ থাকছে না। কিন্তু সেই সংকট এখনো রয়ে গেছে।” অন্যদিকে সংসদ নির্বাচনের দিন গণভোটের আয়োজন করার বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের প্রধান উপদেষ্টা প্রফেসর মুহাম্মদ ইউনূস। বৃহস্পতিবার দুপুরে জাতির উদ্দেশ্যে ভাষণে তিনি এ তথ্য জানান।
প্রফেসর মুহাম্মদ ইউনূস বলেন, গণভোটে চারটি মূল প্রশ্ন থাকবে। এই চারটি বিষয়ের ওপর একক প্রশ্নে ভোট দিয়ে জনগণ তাদের মতামত প্রকাশ করবেন। যদি সংখ্যাগরিষ্ঠ ভোট ‘হ্যাঁ’ যায়, তাহলে পরবর্তী সংসদ নির্বাচনের জন্য নির্বাচিত প্রতিনিধিদের নিয়ে একটি সংবিধান সংস্কার পরিষদ গঠন হবে।
তিনি আরও বলেন, জুলাই সনদ অনুযায়ী আমরা গণভোটের জন্য প্রশ্নগুলো নির্ধারণ করেছি, যেমন—
প্রশ্ন: আপনি কি জুলাই জাতীয় সনদ সংবিধান সংস্কার বাস্তবায়ন আদেশ ২০২৫ এবং সংশ্লিষ্ট প্রস্তাবগুলোর প্রতি আপনার সম্মতি জ্ঞাপন করেন?
উপস্থাপিত প্রশ্নগুলো হলো—
অ. নির্বাচনের সময় তত্ত্বাবধায়ক সরকার, নির্বাচন কমিশন ও অন্যান্য সংবিধানিক প্রতিষ্ঠানগুলো জুলাই সনদ অনুযায়ী গঠিত হবে।
খ. পরবর্তী সংসদ হবে দুই কক্ষবিশিষ্ট। ভোটের অনুপাতে উচ্চকক্ষের ১০০ জন সদস্য নির্বাচন করা হবে এবং সংবিধান সংশোধনের জন্য উচ্চকক্ষের সংখ্যাগরিষ্ঠ সদস্যের অনুমোদন প্রয়োজন।
গ. সংসদে নারী প্রতিনিধি বাড়ানো, বিরোধী দল থেকে ডেপুটি স্পিকার ও সংসদীয় কমিটির সভাপতি নির্বাচন, প্রধানমন্ত্রী মেয়াদ সীমিতকরণ, রাষ্ট্রপতির ক্ষমতা বৃদ্ধি, মৌলিক অধিকার সম্প্রসারণ, বিচার বিভাগের স্বাধীনতা ও স্থানীয় সরকার বিষয়ক ৩০টি প্রস্তাবের বাস্তবায়ন।
ঘ. এই সব প্রস্তাবগুলো বাস্তবায়ন হবে জুলাই সনদ অনুযায়ী রাজনৈতিক দলগুলোর প্রতিশ্রুতি অনুসারে।
তিনি উল্লেখ করেন, এই চার প্রশ্নের ওপর একক ‘হ্যাঁ’ বা ‘না’ ভোটে জনগণ তাদের মতামত জানাবেন। সংখ্যাগরিষ্ঠ ‘হ্যাঁ’ ভোটে পরবর্তী সংসদ নির্বাচনের জন্য সংবিধান সংস্কার পরিষদ গঠন হবে। এই পরিষদ একই সাথে সংসদ সদস্য হিসেবে দায়িত্ব পালন করবে। প্রথম অধিবেশন থেকে ১৮০ কার্যদিবসের মধ্যে সংবিধান সংস্কার সম্পন্ন হবে।
সংবিধান সংস্কার শেষ হওয়ার পর ৩০ কার্যদিবসের মধ্যে ভোটের অনুপাতে উচ্চকক্ষ গঠন হবে। মেয়াদ থাকবে নিম্নকক্ষের শেষ কার্যদিবস পর্যন্ত। জুলাই সনদ অনুযায়ী সংবিধানে জুলাই জাতীয় সনদ অন্তর্ভুক্ত করার ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
প্রিন্ট
















