, সোমবার, ০১ ডিসেম্বর ২০২৫, ১৬ অগ্রহায়ণ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
নোটিশ :
সংবাদের বিষয়ে কিছু জানাতে ইমেইল করুন [email protected] ঠিকানায়

বিএনপির কেন্দ্রীয় নেতা মতিউর রহমান মারা গেছেন

নিউজ ডেস্ক
  • আপডেট সময় ১১:১৯ অপরাহ্ন, সোমবার, ১৭ নভেম্বর ২০২৫
  • / ২০ বার পড়া হয়েছে

বরগুনা-৩ (আমতলী-তালতলী) আসনের সাবেক সংসদ সদস্য, সাবেক জেলা পরিষদ চেয়ারম্যান এবং বিএনপির কেন্দ্রীয় কমিটির সদস্য মতিউর রহমান তালুকদার শুক্রবার (১৭ নভেম্বর) সন্ধ্যার পরে রাজধানীর এভারকেয়ার হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন (ইন্না লিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাইহি রাজিউন)। তার বয়স হয়েছিল ৯০ বছর। তিনি হার্টের সমস্যা সহ বিভিন্ন শারীরিক জটিলতায় ভুগছিলেন। মৃত্যুকালে তিনি স্ত্রী, দুই ছেলে ও এক মেয়ে রেখে গেছেন। রাজনৈতিক জীবনে নানা ওঠানামা সহ্য করে আসা এই নেতা প্রথম আলোচনায় আসেন ১৯৮৮ সালে চতুর্থ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে। তখন তিনি জাতীয় পার্টির প্রার্থী হিসেবে বরগুনা-৩ (আমতলী-তালতলী) আসন থেকে সংসদ সদস্য নির্বাচিত হন। পরবর্তীতে তিনি জেলা পরিষদ চেয়ারম্যানের দায়িত্বও পালন করেছিলেন। জানা গেছে, ১৯৯১ সালের নির্বাচনে তিনি আওয়ামী লীগের প্রার্থী মজিবুর রহমান তালুকদারের কাছ থেকে সামান্য ব্যবধানে পরাজিত হন। এরপর ২০০১ সালের নির্বাচনে, মজিবুর রহমান তালুকদার হৃদরোগে আক্রান্ত হয়ে মারা যাওয়ার পরে, সেই আসনে আওয়ামী লীগের প্রার্থী হিসেবে মনোনীত হয়েছিলেন শেখ হাসিনা। ওই নির্বাচনে শেখ হাসিনার প্রতিদ্বন্দ্বী হয়ে মাত্র তিন হাজারের কিছু বেশি ভোটে পরাজিত হন মতিউর রহমান তালুকদার। পরে শেখ হাসিনা তিনটি আসনে জয় লাভ করলে বরগুনা-৩ আসন থেকে তার মনোনয়ন বাতিল হয়। এরপর উপনির্বাচনে বিএনপির প্রার্থী হিসেবে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করে বিপুল ভোটে জয়ী হন তিনি। এরপর থেকে তিনি সংসদ সদস্য হিসাবে দায়িত্ব পালন করেন। আসন পুনর্নির্ধারণের পর তিনি বর্তমানে বরগুনা-১ (সদর, আমতলী ও তালতলী) আসনের রাজনৈতিক কর্মকাণ্ডে সক্রিয় ছিলেন। তবে তিনি মনোনয়ন পাননি। মতিউর রহমান তালুকদারের মৃত্যুতে এলাকায় গভীর শোকের ছায়া নেমে এসেছে।


প্রিন্ট

নিউজটি শেয়ার করুন

বিএনপির কেন্দ্রীয় নেতা মতিউর রহমান মারা গেছেন

আপডেট সময় ১১:১৯ অপরাহ্ন, সোমবার, ১৭ নভেম্বর ২০২৫

বরগুনা-৩ (আমতলী-তালতলী) আসনের সাবেক সংসদ সদস্য, সাবেক জেলা পরিষদ চেয়ারম্যান এবং বিএনপির কেন্দ্রীয় কমিটির সদস্য মতিউর রহমান তালুকদার শুক্রবার (১৭ নভেম্বর) সন্ধ্যার পরে রাজধানীর এভারকেয়ার হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন (ইন্না লিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাইহি রাজিউন)। তার বয়স হয়েছিল ৯০ বছর। তিনি হার্টের সমস্যা সহ বিভিন্ন শারীরিক জটিলতায় ভুগছিলেন। মৃত্যুকালে তিনি স্ত্রী, দুই ছেলে ও এক মেয়ে রেখে গেছেন। রাজনৈতিক জীবনে নানা ওঠানামা সহ্য করে আসা এই নেতা প্রথম আলোচনায় আসেন ১৯৮৮ সালে চতুর্থ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে। তখন তিনি জাতীয় পার্টির প্রার্থী হিসেবে বরগুনা-৩ (আমতলী-তালতলী) আসন থেকে সংসদ সদস্য নির্বাচিত হন। পরবর্তীতে তিনি জেলা পরিষদ চেয়ারম্যানের দায়িত্বও পালন করেছিলেন। জানা গেছে, ১৯৯১ সালের নির্বাচনে তিনি আওয়ামী লীগের প্রার্থী মজিবুর রহমান তালুকদারের কাছ থেকে সামান্য ব্যবধানে পরাজিত হন। এরপর ২০০১ সালের নির্বাচনে, মজিবুর রহমান তালুকদার হৃদরোগে আক্রান্ত হয়ে মারা যাওয়ার পরে, সেই আসনে আওয়ামী লীগের প্রার্থী হিসেবে মনোনীত হয়েছিলেন শেখ হাসিনা। ওই নির্বাচনে শেখ হাসিনার প্রতিদ্বন্দ্বী হয়ে মাত্র তিন হাজারের কিছু বেশি ভোটে পরাজিত হন মতিউর রহমান তালুকদার। পরে শেখ হাসিনা তিনটি আসনে জয় লাভ করলে বরগুনা-৩ আসন থেকে তার মনোনয়ন বাতিল হয়। এরপর উপনির্বাচনে বিএনপির প্রার্থী হিসেবে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করে বিপুল ভোটে জয়ী হন তিনি। এরপর থেকে তিনি সংসদ সদস্য হিসাবে দায়িত্ব পালন করেন। আসন পুনর্নির্ধারণের পর তিনি বর্তমানে বরগুনা-১ (সদর, আমতলী ও তালতলী) আসনের রাজনৈতিক কর্মকাণ্ডে সক্রিয় ছিলেন। তবে তিনি মনোনয়ন পাননি। মতিউর রহমান তালুকদারের মৃত্যুতে এলাকায় গভীর শোকের ছায়া নেমে এসেছে।


প্রিন্ট