খালেদা জিয়া ও তারেক রহমানকে নিয়ে সুখবর দিলেন তথ্য উপদেষ্টা
ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় সাবেক ইউপি সদস্যের গলাকাটা মরদেহ উদ্ধার
শ্রীলঙ্কায় ভয়াবহ বন্যায় মৃতের সংখ্যা অন্তত ১৯৩
ইসরায়েলি প্রেসিডেন্টের কাছে ক্ষমা চাইলেন নেতানিয়াহু
হাসপাতালে খালেদা জিয়াকে দেখতে গেলেন তামিম ইকবাল
নোয়াখালীতে খালেদা জিয়ার সুস্থতা কামনায় কোরআন খতম ও দোয়া
মসজিদে বিয়ে ও সমালোচনা নিয়ে মুখ খুললেন শবনম ফারিয়া
দেশে বাড়লো সব ধরনের জ্বালানি তেলের দাম
ইসরায়েলি হামলার গাজায় নিহত ৭০ হাজারের বেশি
খাদ্য অধিদপ্তরের পরীক্ষার প্রশ্নপত্র ফাঁস
৬৭৮ কোটি মানিলন্ডারিং: ডায়মন্ড ওয়ার্ল্ডের মালিকের বিরুদ্ধে মামলা
- আপডেট সময় ১০:৫২ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৮ নভেম্বর ২০২৫
- / ২০ বার পড়া হয়েছে
চোরাচালানের মাধ্যমে স্বর্ণ ও হীরা সংগ্রহ করে অবৈধ উপায়ে অর্থ উপার্জনের পাশাপাশি ৬৭৮ কোটি টাকা মানিলন্ডারিংয়ের সত্যতা পাওয়ায় ডায়মন্ড ওয়ার্ল্ডের মালিক দিলীপ কুমার আগরওয়ালার বিরুদ্ধে একটি মামলা দায়ের করেছে সিআইডির ফাইন্যান্সিয়াল ক্রাইম ইউনিট। সোমবার (১৭ নভেম্বর) গুলশান থানায় এই মামলাটি দাখিল করা হয়। সিআইডির একটি সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, গত বছরের ২৯ সেপ্টেম্বর সিআইডি ঢাকার ফাইন্যান্সিয়াল ক্রাইম ইউনিট ডায়মন্ড ওয়ার্ল্ড লিমিটেডের অর্থনৈতিক লেনদেন, নথিপত্র ও ব্যাংক হিসাবের বিশ্লেষণ শুরু করে। তদন্তে দেখা যায়, এই প্রতিষ্ঠানটি স্থানীয় বাজার থেকে চোরাচালানের মাধ্যমে স্বর্ণ ও হীরা সংগ্রহ করে অবৈধভাবে অর্থ উপার্জন করে আসছে। প্রাথমিক প্রমাণে এই চোরাচালান ও উৎসহীন অর্থের সত্যতা নিশ্চিত হওয়ায়, ১৭/১১/২০২৫ তারিখে, দিলীপ কুমার আগরওয়ালার বিরুদ্ধে ৬,৭৮,১৯,১৪,০১৪ টাকার মানিলন্ডারিংয়ের অভিযোগ এনে গুলশান থানায় মামলা রুজু করা হয় (মামলা নং-৩০, তারিখ-১৭/১১/২০২৫, ধারা ৪(২) (৪) মানিলন্ডারিং প্রতিরোধ আইন ২০১২, সংশোধনী-১৫)।
তদন্তে জানা যায়, দিলীপ কুমার আগরওয়ালা দীর্ঘদিন ধরে ডায়মন্ড ওয়ার্ল্ড ও ডায়মন্ড ওয়ার্ল্ড লিমিটেডের মালিক হিসেবে দেশ ও বিদেশে স্বর্ণ ও হীরা ব্যবসার আড়ালে অর্থ পাচার ও চোরাকারবারি চালিয়ে আসছেন। আরও অনুসন্ধানে দেখা গেছে, প্রতিষ্ঠানটি ২০০৬ সালের ৬ সেপ্টেম্বর থেকে ২০২৪ সালের ৮ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত এলসির মাধ্যমে বিদেশ থেকে মোট ৩৮,৪৭,৪৮,০১১.৫২ টাকার স্বর্ণবার, অলংকার, লুজ ডায়মন্ড ও অন্যান্য সামগ্রী বৈধভাবে আমদানি করে। একই সময়ে, স্থানীয় বাজার থেকে ক্রয়, বিনিময় বা পরিবর্তনের মাধ্যমে মোট ৬,৭৮,১৯,১৪,০১৪ টাকার স্বর্ণ ও হীরা সংগ্রহ করে, তবে এই প্রতিষ্ঠানটি সিআইডিকে এর উৎস বা সরবরাহকারী সংক্রান্ত যথাযথ কাগজপত্র দেখাতে ব্যর্থ হয়। এই অপ্রমাণিত কাগজপত্রের অভাবে, সন্দেহের সৃষ্টি হয় যে, এসব বড় পরিমাণ স্বর্ণ ও হীরা অবৈধভাবে চোরাচালানের মাধ্যমে দেশে আনা হয়েছে। চোরাচালানের মাধ্যমে অর্জিত সম্পদ ও অর্থের রূপান্তর, হস্তান্তর বা ব্যবহার সংক্রান্ত তথ্য ও নথিপত্র পর্যবেক্ষণ করে মানিলন্ডারিংয়ের প্রাথমিক সত্যতা নিশ্চিত হলে, এই প্রতিবেদন অতিরিক্ত আইজিপি, সিআইডিকে পাঠানো হয়। পরে, ১৬ নভেম্বর সিআইডির এই ইউনিট মামলার অনুমোদন পায়। সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে আরও জানানো হয়, গুলশান থানায় দায়েরকৃত মানিলন্ডারিং মামলাটি সিআইডির তফসিলভুক্ত থাকায় এর তদন্ত সিআইডি নিজেই পরিচালনা করবে। প্রয়োজনীয় নথি, ব্যাংক লেনদেনের তথ্য ও সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের তথ্য যাচাই করে আইনানুযায়ী গভীরভাবে তদন্ত চালানো হবে। দেশের অর্থপাচারে জড়িত ব্যক্তি ও গোষ্ঠীদের আইনের আওতায় আনতে এবং রাষ্ট্রের আর্থিক স্বার্থ রক্ষায় সিআইডির এই কার্যক্রম অব্যাহত থাকবে।
প্রিন্ট

















