, সোমবার, ০১ ডিসেম্বর ২০২৫, ১৬ অগ্রহায়ণ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
নোটিশ :
সংবাদের বিষয়ে কিছু জানাতে ইমেইল করুন [email protected] ঠিকানায়

নারী নির্যাতনের অভিযোগে মুফতি কাসেমী গ্রেপ্তার

নিউজ ডেস্ক
  • আপডেট সময় ০৬:৪৬ অপরাহ্ন, রবিবার, ২৩ নভেম্বর ২০২৫
  • / ২৪ বার পড়া হয়েছে

শরিয়াহ ভিত্তিক বিবাহের প্ল্যাটফর্ম ‘আইডিয়াল ম্যারেজ ব্যুরো’র প্রতিষ্ঠাতা মুহতাদী মামুনুর রশিদ কাসেমীকে নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইনের মামলায় গ্রেফতার করেছে পুলিশ। রোববার (২৩ নভেম্বর) বিকেল তিনটার সময় ঢাকার আটিবাজারের বাসা থেকে তাকে আটক করা হয়। কেরানীগঞ্জ মডেল থানার ওসি মনিরুল হক জানিয়েছেন, কাসেমীর স্ত্রীর নাম তামান্না হাতুনের পক্ষে তার মামি আন্না পারভীন থানায় মামলা দায়ের করেন, এর পর তাকে গ্রেফতার করা হয়। বর্তমানে তিনি পুলিশ হেফাজতে রয়েছেন। সম্প্রতি কাসেমীর বিরুদ্ধে নিজেকে তার তৃতীয় স্ত্রী বলে পরিচয় দেওয়া এক নারী সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে গুরুতর অভিযোগ তুলে পোস্ট করেন। ১৬ অক্টোবর ‘তামান্না হাতুন’ নামে একটি ফেসবুক আইডি থেকে ওই পোস্টে তিনি জানান, মৌখিকভাবে বিয়ে করে কাসেমীর সঙ্গে এক বছর সংসার করেছেন। অভিযোগে বলা হয়, আইডিয়াল ম্যারেজ ব্যুরোর আড়ালে অল্প সময়ের জন্য ধনী ব্যক্তিদের সাথে নারীদের ‘বিয়ে’ দেওয়ার নামে প্রতারণা চালানো হত। পরে নানা অজুহাতে সম্পর্ক ভেঙে দেওয়া হতো। ওই নারী আরও দাবি করেন, তালাকের পরেও কাসেমী তাকে প্রতারণার মাধ্যমে শারীরিক সম্পর্কের জন্য বাধ্য করতেন এবং গর্ভবতী হলে জোরপূর্বক গর্ভপাত করানো হয়। পরে কাসেমী আবার নতুন করে একটি নাবালিকা মেয়েকে বিয়েও করেছেন বলে অভিযোগ করেন তিনি। এ বিষয়ে তিনি ১৪ অক্টোবর কাসেমীর বিরুদ্ধে মামলা করেন। অভিযোগে উল্লেখ করা হয়, ম্যারেজ ব্যুরোর নামে নারীদের সাহায্য করার কথা বললেও কাসেমী ও তার সহযোগীরা ইচ্ছাকৃতভাবে নারীদের জীবন বিপর্যস্ত করতেন। অভিযোগের সত্যতা যাচাইয়ে পুলিশ তদন্ত চালাচ্ছে।


প্রিন্ট

নিউজটি শেয়ার করুন

নারী নির্যাতনের অভিযোগে মুফতি কাসেমী গ্রেপ্তার

আপডেট সময় ০৬:৪৬ অপরাহ্ন, রবিবার, ২৩ নভেম্বর ২০২৫

শরিয়াহ ভিত্তিক বিবাহের প্ল্যাটফর্ম ‘আইডিয়াল ম্যারেজ ব্যুরো’র প্রতিষ্ঠাতা মুহতাদী মামুনুর রশিদ কাসেমীকে নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইনের মামলায় গ্রেফতার করেছে পুলিশ। রোববার (২৩ নভেম্বর) বিকেল তিনটার সময় ঢাকার আটিবাজারের বাসা থেকে তাকে আটক করা হয়। কেরানীগঞ্জ মডেল থানার ওসি মনিরুল হক জানিয়েছেন, কাসেমীর স্ত্রীর নাম তামান্না হাতুনের পক্ষে তার মামি আন্না পারভীন থানায় মামলা দায়ের করেন, এর পর তাকে গ্রেফতার করা হয়। বর্তমানে তিনি পুলিশ হেফাজতে রয়েছেন। সম্প্রতি কাসেমীর বিরুদ্ধে নিজেকে তার তৃতীয় স্ত্রী বলে পরিচয় দেওয়া এক নারী সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে গুরুতর অভিযোগ তুলে পোস্ট করেন। ১৬ অক্টোবর ‘তামান্না হাতুন’ নামে একটি ফেসবুক আইডি থেকে ওই পোস্টে তিনি জানান, মৌখিকভাবে বিয়ে করে কাসেমীর সঙ্গে এক বছর সংসার করেছেন। অভিযোগে বলা হয়, আইডিয়াল ম্যারেজ ব্যুরোর আড়ালে অল্প সময়ের জন্য ধনী ব্যক্তিদের সাথে নারীদের ‘বিয়ে’ দেওয়ার নামে প্রতারণা চালানো হত। পরে নানা অজুহাতে সম্পর্ক ভেঙে দেওয়া হতো। ওই নারী আরও দাবি করেন, তালাকের পরেও কাসেমী তাকে প্রতারণার মাধ্যমে শারীরিক সম্পর্কের জন্য বাধ্য করতেন এবং গর্ভবতী হলে জোরপূর্বক গর্ভপাত করানো হয়। পরে কাসেমী আবার নতুন করে একটি নাবালিকা মেয়েকে বিয়েও করেছেন বলে অভিযোগ করেন তিনি। এ বিষয়ে তিনি ১৪ অক্টোবর কাসেমীর বিরুদ্ধে মামলা করেন। অভিযোগে উল্লেখ করা হয়, ম্যারেজ ব্যুরোর নামে নারীদের সাহায্য করার কথা বললেও কাসেমী ও তার সহযোগীরা ইচ্ছাকৃতভাবে নারীদের জীবন বিপর্যস্ত করতেন। অভিযোগের সত্যতা যাচাইয়ে পুলিশ তদন্ত চালাচ্ছে।


প্রিন্ট