, সোমবার, ০১ ডিসেম্বর ২০২৫, ১৬ অগ্রহায়ণ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
নোটিশ :
সংবাদের বিষয়ে কিছু জানাতে ইমেইল করুন [email protected] ঠিকানায়

গাজায় ইসরায়েলি বিমান হামলায় অন্তত ২০ জন নিহত

নিউজ ডেস্ক
  • আপডেট সময় ১০:২৭ অপরাহ্ন, রবিবার, ২৩ নভেম্বর ২০২৫
  • / ১৮ বার পড়া হয়েছে

গাজায় ইসরায়েলের ধারাবাহিক বিমান হামলায় কমপক্ষে ২০ জনের মৃত্যু হয়েছে এবং ৮০ জনের বেশি আহত হয়েছেন বলে স্থানীয় স্বাস্থ্য দপ্তর জানিয়েছে। এই হামলার ঘটনা ঘটেছে হামাস ও ইসরায়েলের মধ্যে যুদ্ধবিরতির মধ্যেই। প্রত্যক্ষদর্শী ও চিকিৎসকদের মতে, প্রথম আঘাতটি হয় ঘনবসতিপূর্ণ রিমাল এলাকার একটি গাড়িতে। মুহূর্তের মধ্যে গাড়িটি আগুনে পুড়ে যায়। নিহত পাঁচজন সেই গাড়ির যাত্রী কিনা বা আশপাশের কেউ ছিল কি না, তা স্পষ্ট নয়। স্থানীয় জনগণ দ্রুত এগিয়ে এসে আগুন নেভানোর চেষ্টা করেন এবং আহতদের উদ্ধার করেন। কিছু সময় পরে মধ্য গাজার দেইর আল-বালাহ শহর ও নুসেইরাত শরণার্থী ক্যাম্পে দুটি বাড়িতে পৃথক বিমান হামলা চালায় ইসরায়েলি বাহিনী। এতে কমপক্ষে ১০ জন নিহত এবং বেশ কিছু মানুষ আহত হন। পরে শনিবার গাজা সিটির পশ্চিমাংশে আরও একটি বাড়িতে হামলা চালায় ইসরায়েল। এতে আরও পাঁচজনের মৃত্যু হয়। ফলে একদিনে মোট মৃতের সংখ্যা দাঁড়ায় অন্তত ২০। ইসরায়েল দাবি করেছে, গাজার ভেতর থেকে একজন সশস্ত্র ব্যক্তি ইসরায়েল নিয়ন্ত্রিত অঞ্চলে প্রবেশ করে ‘মানবিক করিডর’ ব্যবহার করেছে, যা যুদ্ধবিরতির স্পষ্ট লঙ্ঘন। এই অভিযোগে তারা পাল্টা হামলা চালিয়েছে বলে জানায় আইডিএফ। হামাস এই অভিযোগ অস্বীকার করে বলেছে, ইসরায়েল শুধুমাত্র ‘হত্যার অজুহাত’ খুঁজছে এবং হামাস যুদ্ধবিরতির শর্ত মানছে। উভয় পক্ষই প্রায়ই যুদ্ধবিরতি লঙ্ঘনের অভিযোগ করে আসছে। হামাস বলেছে, ইসরায়েলের ‘বর্ধিত লঙ্ঘন’ প্রতিরোধে মধ্যস্থতাকারী ও মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের দায়িত্ব রয়েছে। অন্যদিকে ইসরায়েল দাবি করছে, যুদ্ধবিরতির অংশ হিসেবে হামাসকে বাকি নিহত তিন জিম্মির মরদেহ ফিরিয়ে দিতে হবে এবং নিরস্ত্রীকরণ সম্পন্ন করতে হবে। ২০২৩ সালের ৭ অক্টোবর হামাসের হামলায় ইসরায়েলে ১,২০০ মানুষ নিহত ও ২৫১ জন জিম্মি হওয়ার পর যুদ্ধ শুরু হয়। এরপর ইসরায়েলের পাল্টা অভিযানে এখন পর্যন্ত ৬৯ হাজার ৭০০’র বেশি ফিলিস্তিনি নিহত হওয়ার খবর রয়েছে গাজার স্বাস্থ্য দপ্তরের। বর্তমান যুদ্ধবিরতির শর্ত অনুযায়ী, গাজায় থাকা ২০ জন জীবিত ইসরায়েলি জিম্মিকে মুক্তি দেয় হামাস, এবং ইসরায়েল ছেড়ে যায় প্রায় ২,০০০ ফিলিস্তিনি বন্দি। এছাড়া নিহত ২৮ জিম্মির মরদেহের বিনিময়ে ৩৬০ ফিলিস্তিনি যোদ্ধার মরদেহ ফেরত দেওয়ার পরিকল্পনা রয়েছে। এ পর্যন্ত ২৫ জিম্মির মরদেহ হস্তান্তর করেছে হামাস এবং ইসরায়েল ফেরত দিয়েছে ৩৩০ ফিলিস্তিনির মরদেহ। সূত্র: রয়টার্স


প্রিন্ট

নিউজটি শেয়ার করুন

গাজায় ইসরায়েলি বিমান হামলায় অন্তত ২০ জন নিহত

আপডেট সময় ১০:২৭ অপরাহ্ন, রবিবার, ২৩ নভেম্বর ২০২৫

গাজায় ইসরায়েলের ধারাবাহিক বিমান হামলায় কমপক্ষে ২০ জনের মৃত্যু হয়েছে এবং ৮০ জনের বেশি আহত হয়েছেন বলে স্থানীয় স্বাস্থ্য দপ্তর জানিয়েছে। এই হামলার ঘটনা ঘটেছে হামাস ও ইসরায়েলের মধ্যে যুদ্ধবিরতির মধ্যেই। প্রত্যক্ষদর্শী ও চিকিৎসকদের মতে, প্রথম আঘাতটি হয় ঘনবসতিপূর্ণ রিমাল এলাকার একটি গাড়িতে। মুহূর্তের মধ্যে গাড়িটি আগুনে পুড়ে যায়। নিহত পাঁচজন সেই গাড়ির যাত্রী কিনা বা আশপাশের কেউ ছিল কি না, তা স্পষ্ট নয়। স্থানীয় জনগণ দ্রুত এগিয়ে এসে আগুন নেভানোর চেষ্টা করেন এবং আহতদের উদ্ধার করেন। কিছু সময় পরে মধ্য গাজার দেইর আল-বালাহ শহর ও নুসেইরাত শরণার্থী ক্যাম্পে দুটি বাড়িতে পৃথক বিমান হামলা চালায় ইসরায়েলি বাহিনী। এতে কমপক্ষে ১০ জন নিহত এবং বেশ কিছু মানুষ আহত হন। পরে শনিবার গাজা সিটির পশ্চিমাংশে আরও একটি বাড়িতে হামলা চালায় ইসরায়েল। এতে আরও পাঁচজনের মৃত্যু হয়। ফলে একদিনে মোট মৃতের সংখ্যা দাঁড়ায় অন্তত ২০। ইসরায়েল দাবি করেছে, গাজার ভেতর থেকে একজন সশস্ত্র ব্যক্তি ইসরায়েল নিয়ন্ত্রিত অঞ্চলে প্রবেশ করে ‘মানবিক করিডর’ ব্যবহার করেছে, যা যুদ্ধবিরতির স্পষ্ট লঙ্ঘন। এই অভিযোগে তারা পাল্টা হামলা চালিয়েছে বলে জানায় আইডিএফ। হামাস এই অভিযোগ অস্বীকার করে বলেছে, ইসরায়েল শুধুমাত্র ‘হত্যার অজুহাত’ খুঁজছে এবং হামাস যুদ্ধবিরতির শর্ত মানছে। উভয় পক্ষই প্রায়ই যুদ্ধবিরতি লঙ্ঘনের অভিযোগ করে আসছে। হামাস বলেছে, ইসরায়েলের ‘বর্ধিত লঙ্ঘন’ প্রতিরোধে মধ্যস্থতাকারী ও মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের দায়িত্ব রয়েছে। অন্যদিকে ইসরায়েল দাবি করছে, যুদ্ধবিরতির অংশ হিসেবে হামাসকে বাকি নিহত তিন জিম্মির মরদেহ ফিরিয়ে দিতে হবে এবং নিরস্ত্রীকরণ সম্পন্ন করতে হবে। ২০২৩ সালের ৭ অক্টোবর হামাসের হামলায় ইসরায়েলে ১,২০০ মানুষ নিহত ও ২৫১ জন জিম্মি হওয়ার পর যুদ্ধ শুরু হয়। এরপর ইসরায়েলের পাল্টা অভিযানে এখন পর্যন্ত ৬৯ হাজার ৭০০’র বেশি ফিলিস্তিনি নিহত হওয়ার খবর রয়েছে গাজার স্বাস্থ্য দপ্তরের। বর্তমান যুদ্ধবিরতির শর্ত অনুযায়ী, গাজায় থাকা ২০ জন জীবিত ইসরায়েলি জিম্মিকে মুক্তি দেয় হামাস, এবং ইসরায়েল ছেড়ে যায় প্রায় ২,০০০ ফিলিস্তিনি বন্দি। এছাড়া নিহত ২৮ জিম্মির মরদেহের বিনিময়ে ৩৬০ ফিলিস্তিনি যোদ্ধার মরদেহ ফেরত দেওয়ার পরিকল্পনা রয়েছে। এ পর্যন্ত ২৫ জিম্মির মরদেহ হস্তান্তর করেছে হামাস এবং ইসরায়েল ফেরত দিয়েছে ৩৩০ ফিলিস্তিনির মরদেহ। সূত্র: রয়টার্স


প্রিন্ট