, সোমবার, ০১ ডিসেম্বর ২০২৫, ১৬ অগ্রহায়ণ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
নোটিশ :
সংবাদের বিষয়ে কিছু জানাতে ইমেইল করুন [email protected] ঠিকানায়

ডিএনএ পরীক্ষায় মিললো পিতৃ পরিচয়, ধর্ষণ মামলার আসামি গ্রেপ্তার

নিউজ ডেস্ক
  • আপডেট সময় ৮ ঘন্টা আগে
  • / ৮ বার পড়া হয়েছে

নওগাঁর মান্দায় ডিএনএ পরীক্ষার ফলাফলে সন্তানের পিতৃত্বের প্রমাণ পাওয়ায় ধর্ষণ মামলার প্রধান আসামি কামরুল ইসলাম ওরফে মোকছেদকে (৩০) গ্রেপ্তার করেছে পুলিশের অপরাধ তদন্ত বিভাগ (সিআইডি)। রোববার (৩০ নভেম্বর) সকালের দিকে নওগাঁ আদালত চত্বর থেকে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়। গ্রেপ্তারের সময় কামরুল মান্দা উপজেলার শোভাপুর গ্রামের রমজান আলীর ছেলে বলে জানা যায়। সিআইডির সূত্র অনুযায়ী, এক শিক্ষার্থী মাদ্রাসার ষষ্ঠ শ্রেণির ওই ছাত্রীকে দীর্ঘদিন ধরে প্রেমের প্রস্তাব ও কুপ্রস্তাব দিয়ে আসছিল সে। মেয়েটি রাজি না হওয়ায় তাকে হুমকি ও ভয় দেখায়। একসময় কিশোরীর সঙ্গে সম্পর্ক গড়ে তুলে তাকে জোরপূর্বক কয়েকবার ধর্ষণ করে। সর্বশেষ ২০২৩ সালের ৩০ জুলাই তার বাড়িতে গিয়ে আবারও ধর্ষণ চালায়। এরপর পরিবারের লোকেরা যখন মেয়েটির শারীরিক পরিবর্তন লক্ষ্য করে, তখন তারা একটি ডায়াগনস্টিক সেন্টারে আল্ট্রাসনোগ্রাফি করায় এবং রিপোর্টে দেখা যায়, মেয়েটি ২৫ সপ্তাহের গর্ভবতী। ঘটনা জানাজানি হলে পরিবারের পক্ষ থেকে কামরুলের সঙ্গে বিয়ের প্রস্তাব দেওয়া হয়, কিন্তু তিনি তা অস্বীকার করেন এবং নিজের সংশ্লিষ্টতা অস্বীকার করেন। পরে কিশোরীর বাবা ২০২৪ সালের ২ জানুয়ারি মান্দা থানায় নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইনে মামলা করেন। প্রথমে তদন্তকারী কর্মকর্তা কামরুলের কোনো সংশ্লিষ্টতা পাননি বলে প্রতিবেদন দাখিল করেন। তবে বাদী এই প্রতিবেদনে আপত্তি জানালে আদালত পুনরায় তদন্তের নির্দেশ দেন। সিআইডির উপপরিদর্শক মো. তোজাম্মেল হক জানান, ভুক্তভোগীর বর্ণনা অনুযায়ী ছয় মাস আগে কামরুলসহ তিনজনের ডিএনএ নমুনা সংগ্রহ করে ঢাকায় পাঠানো হয়। ২৬ নভেম্বর ডিএনএ পরীক্ষার রিপোর্টে দেখা যায়, মেয়েটির শিশুর সঙ্গে কামরুলের ডিএনএ মিল রয়েছে। এই তথ্য জানাতে তাকে সিআইডি অফিসে ডাকা হয়। রিপোর্টের বিষয়টি বুঝতে পেরে তিনি কৌশলে পালানোর চেষ্টা করেন, কিন্তু আদালত চত্বর থেকে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়।


প্রিন্ট
ট্যাগস

নিউজটি শেয়ার করুন

ডিএনএ পরীক্ষায় মিললো পিতৃ পরিচয়, ধর্ষণ মামলার আসামি গ্রেপ্তার

আপডেট সময় ৮ ঘন্টা আগে

নওগাঁর মান্দায় ডিএনএ পরীক্ষার ফলাফলে সন্তানের পিতৃত্বের প্রমাণ পাওয়ায় ধর্ষণ মামলার প্রধান আসামি কামরুল ইসলাম ওরফে মোকছেদকে (৩০) গ্রেপ্তার করেছে পুলিশের অপরাধ তদন্ত বিভাগ (সিআইডি)। রোববার (৩০ নভেম্বর) সকালের দিকে নওগাঁ আদালত চত্বর থেকে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়। গ্রেপ্তারের সময় কামরুল মান্দা উপজেলার শোভাপুর গ্রামের রমজান আলীর ছেলে বলে জানা যায়। সিআইডির সূত্র অনুযায়ী, এক শিক্ষার্থী মাদ্রাসার ষষ্ঠ শ্রেণির ওই ছাত্রীকে দীর্ঘদিন ধরে প্রেমের প্রস্তাব ও কুপ্রস্তাব দিয়ে আসছিল সে। মেয়েটি রাজি না হওয়ায় তাকে হুমকি ও ভয় দেখায়। একসময় কিশোরীর সঙ্গে সম্পর্ক গড়ে তুলে তাকে জোরপূর্বক কয়েকবার ধর্ষণ করে। সর্বশেষ ২০২৩ সালের ৩০ জুলাই তার বাড়িতে গিয়ে আবারও ধর্ষণ চালায়। এরপর পরিবারের লোকেরা যখন মেয়েটির শারীরিক পরিবর্তন লক্ষ্য করে, তখন তারা একটি ডায়াগনস্টিক সেন্টারে আল্ট্রাসনোগ্রাফি করায় এবং রিপোর্টে দেখা যায়, মেয়েটি ২৫ সপ্তাহের গর্ভবতী। ঘটনা জানাজানি হলে পরিবারের পক্ষ থেকে কামরুলের সঙ্গে বিয়ের প্রস্তাব দেওয়া হয়, কিন্তু তিনি তা অস্বীকার করেন এবং নিজের সংশ্লিষ্টতা অস্বীকার করেন। পরে কিশোরীর বাবা ২০২৪ সালের ২ জানুয়ারি মান্দা থানায় নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইনে মামলা করেন। প্রথমে তদন্তকারী কর্মকর্তা কামরুলের কোনো সংশ্লিষ্টতা পাননি বলে প্রতিবেদন দাখিল করেন। তবে বাদী এই প্রতিবেদনে আপত্তি জানালে আদালত পুনরায় তদন্তের নির্দেশ দেন। সিআইডির উপপরিদর্শক মো. তোজাম্মেল হক জানান, ভুক্তভোগীর বর্ণনা অনুযায়ী ছয় মাস আগে কামরুলসহ তিনজনের ডিএনএ নমুনা সংগ্রহ করে ঢাকায় পাঠানো হয়। ২৬ নভেম্বর ডিএনএ পরীক্ষার রিপোর্টে দেখা যায়, মেয়েটির শিশুর সঙ্গে কামরুলের ডিএনএ মিল রয়েছে। এই তথ্য জানাতে তাকে সিআইডি অফিসে ডাকা হয়। রিপোর্টের বিষয়টি বুঝতে পেরে তিনি কৌশলে পালানোর চেষ্টা করেন, কিন্তু আদালত চত্বর থেকে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়।


প্রিন্ট