, সোমবার, ০১ ডিসেম্বর ২০২৫, ১৬ অগ্রহায়ণ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
নোটিশ :
সংবাদের বিষয়ে কিছু জানাতে ইমেইল করুন [email protected] ঠিকানায়

ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় গুলিবিদ্ধ আরও একজনের মৃত্যু

নিউজ ডেস্ক
  • আপডেট সময় ০৫:২০ অপরাহ্ন, সোমবার, ৩ নভেম্বর ২০২৫
  • / ২৫ বার পড়া হয়েছে

ব্রাহ্মণবাড়িয়ার নবীনগর উপজেলায় পুরোনো শত্রুতা ও আধিপত্যের দ্বন্দ্বের জের ধরে প্রতিপক্ষের গুলিতে নিহতের সংখ্যা বেড়ে দুইজনে দাঁড়িয়েছে। সোমবার (৩ নভেম্বর) সকালে ঢাকার একটি বেসরকারি হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় হোটেল কর্মচারী ইয়াছিন (২৫) মৃত্যুবরণ করেন। তিনি উপজেলার বড়িকান্দি ইউনিয়নের আলমনগর গ্রামের শফিকুল ইসলামের ছেলে। এর আগে শনিবার রাতে ঢাকায় চিকিৎসাধীন অবস্থায় শিপন (৩০) নামে আরও একজনের মৃত্যু হয়। তিনি নূরজাহানপুর গ্রামের আব্দুল মোন্নাফ ওরফে মনেক ডাকাতের ছেলে। এই ঘটনায় নূর আলম ও প্রতিপক্ষের এমরান মাস্টারসহ আরও দুজন গুলিবিদ্ধ হয়ে বর্তমানে ঢাকায় চিকিৎসাধীন রয়েছেন। পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, দীর্ঘদিন ধরে নূরজাহানপুরের শিপন ও থোল্লাকান্দি এলাকার রিফাতের মধ্যে আধিপত্য এবং অন্যান্য বিষয় নিয়ে বিবাদ চলছিল। ওই বিরোধের জেরেই শনিবার রাতে গণিশাহ মাজারের পাশে একটি হোটেলে খাবার খাওয়া সময় রিফাত, আরাফাতসহ কয়েকজন শিপনকে লক্ষ্য করে গুলি চালায়। এতে শিপন, ইয়াছিনসহ তিনজন গুলিবিদ্ধ হন। পরে আহতদের উদ্ধার করে উন্নত চিকিৎসার জন্য ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়। সেখানে শিপন রাতেই মারা যান এবং সোমবার সকালে ইয়াছিনের মৃত্যু হয়। এই ঘটনার পরপরই মনেক মিয়ার অনুসারীরা প্রতিপক্ষের এমরান মাস্টারের ওপর হামলা চালায়। এ সময় এমরান মাস্টার গুলিবিদ্ধ হন এবং তাকেও ঢাকায় পাঠানো হয়। ঘটনাটি এলাকায় ব্যাপক উত্তেজনা ও আতঙ্কের সৃষ্টি করেছে। নবীনগর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) শাহীনূর ইসলাম জানান, দীর্ঘদিন ধরে দুই পক্ষের মধ্যে বিরোধ চলছিল। ধারণা করা হচ্ছে, ডাকাতির ভাগবাটোয়ারা নিয়ে এই সংঘর্ষের সূত্রপাত। এখন পর্যন্ত দুইজনের মৃত্যুর খবর পাওয়া গেছে। এ ঘটনায় এখনও কোনো মামলা হয়নি, তবে পরিস্থিতি স্বাভাবিক রয়েছে। অভিযুক্তদের গ্রেপ্তারে অভিযান অব্যাহত রয়েছে।


প্রিন্ট

নিউজটি শেয়ার করুন

ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় গুলিবিদ্ধ আরও একজনের মৃত্যু

আপডেট সময় ০৫:২০ অপরাহ্ন, সোমবার, ৩ নভেম্বর ২০২৫

ব্রাহ্মণবাড়িয়ার নবীনগর উপজেলায় পুরোনো শত্রুতা ও আধিপত্যের দ্বন্দ্বের জের ধরে প্রতিপক্ষের গুলিতে নিহতের সংখ্যা বেড়ে দুইজনে দাঁড়িয়েছে। সোমবার (৩ নভেম্বর) সকালে ঢাকার একটি বেসরকারি হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় হোটেল কর্মচারী ইয়াছিন (২৫) মৃত্যুবরণ করেন। তিনি উপজেলার বড়িকান্দি ইউনিয়নের আলমনগর গ্রামের শফিকুল ইসলামের ছেলে। এর আগে শনিবার রাতে ঢাকায় চিকিৎসাধীন অবস্থায় শিপন (৩০) নামে আরও একজনের মৃত্যু হয়। তিনি নূরজাহানপুর গ্রামের আব্দুল মোন্নাফ ওরফে মনেক ডাকাতের ছেলে। এই ঘটনায় নূর আলম ও প্রতিপক্ষের এমরান মাস্টারসহ আরও দুজন গুলিবিদ্ধ হয়ে বর্তমানে ঢাকায় চিকিৎসাধীন রয়েছেন। পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, দীর্ঘদিন ধরে নূরজাহানপুরের শিপন ও থোল্লাকান্দি এলাকার রিফাতের মধ্যে আধিপত্য এবং অন্যান্য বিষয় নিয়ে বিবাদ চলছিল। ওই বিরোধের জেরেই শনিবার রাতে গণিশাহ মাজারের পাশে একটি হোটেলে খাবার খাওয়া সময় রিফাত, আরাফাতসহ কয়েকজন শিপনকে লক্ষ্য করে গুলি চালায়। এতে শিপন, ইয়াছিনসহ তিনজন গুলিবিদ্ধ হন। পরে আহতদের উদ্ধার করে উন্নত চিকিৎসার জন্য ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়। সেখানে শিপন রাতেই মারা যান এবং সোমবার সকালে ইয়াছিনের মৃত্যু হয়। এই ঘটনার পরপরই মনেক মিয়ার অনুসারীরা প্রতিপক্ষের এমরান মাস্টারের ওপর হামলা চালায়। এ সময় এমরান মাস্টার গুলিবিদ্ধ হন এবং তাকেও ঢাকায় পাঠানো হয়। ঘটনাটি এলাকায় ব্যাপক উত্তেজনা ও আতঙ্কের সৃষ্টি করেছে। নবীনগর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) শাহীনূর ইসলাম জানান, দীর্ঘদিন ধরে দুই পক্ষের মধ্যে বিরোধ চলছিল। ধারণা করা হচ্ছে, ডাকাতির ভাগবাটোয়ারা নিয়ে এই সংঘর্ষের সূত্রপাত। এখন পর্যন্ত দুইজনের মৃত্যুর খবর পাওয়া গেছে। এ ঘটনায় এখনও কোনো মামলা হয়নি, তবে পরিস্থিতি স্বাভাবিক রয়েছে। অভিযুক্তদের গ্রেপ্তারে অভিযান অব্যাহত রয়েছে।


প্রিন্ট