খালেদা জিয়া ও তারেক রহমানকে নিয়ে সুখবর দিলেন তথ্য উপদেষ্টা
ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় সাবেক ইউপি সদস্যের গলাকাটা মরদেহ উদ্ধার
শ্রীলঙ্কায় ভয়াবহ বন্যায় মৃতের সংখ্যা অন্তত ১৯৩
ইসরায়েলি প্রেসিডেন্টের কাছে ক্ষমা চাইলেন নেতানিয়াহু
হাসপাতালে খালেদা জিয়াকে দেখতে গেলেন তামিম ইকবাল
নোয়াখালীতে খালেদা জিয়ার সুস্থতা কামনায় কোরআন খতম ও দোয়া
মসজিদে বিয়ে ও সমালোচনা নিয়ে মুখ খুললেন শবনম ফারিয়া
দেশে বাড়লো সব ধরনের জ্বালানি তেলের দাম
ইসরায়েলি হামলার গাজায় নিহত ৭০ হাজারের বেশি
খাদ্য অধিদপ্তরের পরীক্ষার প্রশ্নপত্র ফাঁস
টিউবওয়েল বসাতে গিয়ে মেলে গ্যাস, পটুয়াখালীতে ছয় মাস ধরে জ্বলছে আগুন
- আপডেট সময় ০৮:২২ অপরাহ্ন, সোমবার, ৩ নভেম্বর ২০২৫
- / ১৫ বার পড়া হয়েছে
পটুয়াখালী সদর উপজেলার বড়বিঘাই ইউনিয়নের তিতকাটা গ্রামে টিউবওয়েল স্থাপনের সময় মাটির নিচ থেকে গ্যাস নির্গত হওয়ার ঘটনা ঘটেছে। আশ্চর্য হলেও সত্য, গত ছয় মাস ধরে এই গ্যাস থেকে অবিরাম আগুন জ্বলছে, এবং স্থানীয় এক ইউপি সদস্যের পরিবার সেই আগুনে রান্না করে চলেছেন। সরেজমিনে দেখা যায়, ইউনিয়নের চতুর্থ ওয়ার্ডের ইউপি সদস্য মিজানুর রহমানের বাড়ির পাশে মাটির নিচ থেকে নিঃসন্দেহে গ্যাসের বুদবুদ উঠছে। এই স্থানটি এখন স্থানীয়দের কৌতূহলের কেন্দ্রবিন্দু হয়ে দাঁড়িয়েছে। প্রতিদিনই অনেকে এই আগুনের দৃশ্য দেখার জন্য আসছেন। স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, কিছু মাস আগে মিজানুর রহমান বাড়িতে একটি গভীর নলকূপ বসানোর সময় হঠাৎ করে মাটির নিচ থেকে গ্যাস নির্গত হতে শুরু করে। প্রথমে বিষয়টি গুরুত্ব দেয়নি, কিন্তু পরে দেখা যায়, গ্যাসের নির্গমন বন্ধ হচ্ছে না। এরপর গ্যাসটি পাইপের মাধ্যমে রান্নার কাজে ব্যবহার শুরু করেন তিনি ও তার পরিবার। ইউপি সদস্য মিজানুর রহমান বলেন, প্রায় ছয় মাস আগে টিউবওয়েল বসানোর সময় পানি ওঠেনি, বরং বুদবুদের শব্দ শুনেছি। পরে দেখতে পেয়ে বুঝতে পারি গ্যাস বের হচ্ছে। যখন আগুন ধরিয়ে দেখি জ্বলছে। তখন থেকে অল্প অল্প করে রান্নার কাজে ব্যবহার শুরু করি। তার স্ত্রী ফরিদা বেগম বললেন, “আমরা মাঝে মাঝে এই গ্যাসের আগুনে পানি গরম করি, ভাত রান্না করি। আসলে এটা কী কারণে হচ্ছে বুঝতে পারছি না, তবে মাঝে মাঝে ভয়ও করে, যদি কোনো বিপদ ঘটে।” প্রতিবেশী মনির মিয়া বলেন, আমরা নিজের চোখে আগুন জ্বলতে দেখেছি। ইউপি সদস্য মাঝে মাঝে আগুন জ্বালিয়ে দেখান। যদি এটি প্রকৃত প্রাকৃতিক গ্যাস হয়, তাহলে সরকারের উচিত বিষয়টি পরীক্ষা করে দেখা। বড়বিঘাই ইউনিয়নের ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান মিঠু মৃর্ধা বলেন, আমি ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছি এবং ভিডিও সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে শেয়ার করেছি। উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তাকেও জানানো হয়েছে। এখানে প্রকৃতপক্ষে কতটা গ্যাস মজুত রয়েছে, তা পরীক্ষা করা জরুরি। এই বিষয়ে পটুয়াখালী সদর উপজেলা নির্বাহী অফিসার ইফফাত আরা জামান উর্মি বলেন, চেয়ারম্যানের কাছ থেকে বিষয়টি জানতে পেরে জেলা প্রশাসক মহোদয়কে জানিয়েছি। প্রাথমিকভাবে বিষয়টি যাচাইয়ের জন্য কার্যক্রম নেওয়া হয়েছে।
প্রিন্ট















