, সোমবার, ০১ ডিসেম্বর ২০২৫, ১৬ অগ্রহায়ণ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
নোটিশ :
সংবাদের বিষয়ে কিছু জানাতে ইমেইল করুন [email protected] ঠিকানায়

কুষ্টিয়ায় মেয়েকে হত্যা করে মায়ের আত্মহত্যা

নিউজ ডেস্ক
  • আপডেট সময় ১১:৪০ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ৭ নভেম্বর ২০২৫
  • / ২৫ বার পড়া হয়েছে

কুষ্টিয়া দৌলতপুর উপজেলার সীমান্তবর্তী রামকৃষ্ণপুর ইউনিয়নের ইনসাফনগর গ্রামে রেশমা খাতুন (২৫) নামের এক গৃহবধূ তার আড়াই বছরের অসুস্থ সন্তান লামিয়া খাতুনকে শ্বাসরোধ করে হত্যা করার পরে গলায় ফাঁস লাগিয়ে আত্মহত্যা করেছেন। বৃহস্পতিবার (৬ নভেম্বর) সন্ধ্যায় নিজের বাসায় এ দুঃখজনক ঘটনা ঘটে। নিহত রেশমা খাতুন সৌদি প্রবাসী রহিদুল ইসলামের স্ত্রী। তাদের একমাত্র সন্তান ছিল লামিয়া। খবর পেয়ে দৌলতপুর থানার পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে মা ও মেয়ের লাশ উদ্ধার করে। স্থানীয় লোকজন ও পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, শিশুটি শারীরিকভাবে অসুস্থ ছিল। অর্থের অভাবে মা রেশমা সঠিক চিকিৎসা করাতে পারেননি। প্রবাসী স্বামী রহিদুল ইসলাম নিয়মিত যোগাযোগ রাখতেন না এবং পরিবারে খরচও দিতেন না বলে পারিবারিক অশান্তি চলছিল। ধারণা করা হচ্ছে, অর্থনৈতিক সংকট ও মানসিক চাপের কারণে হয়তো রেশমা এই ভয়াবহ সিদ্ধান্ত নিয়েছেন। রামকৃষ্ণপুর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান সিরাজ মণ্ডল বলেন, সন্তানকে হত্যা করার পর মা নিজেই আত্মহত্যা করেছেন—এটি একান্তই দুঃখজনক ঘটনা। বিষয়টি জানার পর পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে মরদেহগুলো উদ্ধার করে। দৌলতপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা সোলাইমান শেখ বলেন, প্রথমদিকের ধারণা অনুযায়ী, আর্থিক সমস্যা, শিশুর অসুস্থতা ও পারিবারিক অশান্তির কারণে হতাশ হয়ে রেশমা খাতুন তার সন্তানকে হত্যা করে নিজেও আত্মহত্যা করেছেন। মরদেহগুলো থানায় আনা হয়েছে। শুক্রবার সকালে ময়নাতদন্তের জন্য কুষ্টিয়া জেনারেল হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হবে। তদন্ত শেষে বিস্তারিত জানা যাবে।


প্রিন্ট

নিউজটি শেয়ার করুন

কুষ্টিয়ায় মেয়েকে হত্যা করে মায়ের আত্মহত্যা

আপডেট সময় ১১:৪০ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ৭ নভেম্বর ২০২৫

কুষ্টিয়া দৌলতপুর উপজেলার সীমান্তবর্তী রামকৃষ্ণপুর ইউনিয়নের ইনসাফনগর গ্রামে রেশমা খাতুন (২৫) নামের এক গৃহবধূ তার আড়াই বছরের অসুস্থ সন্তান লামিয়া খাতুনকে শ্বাসরোধ করে হত্যা করার পরে গলায় ফাঁস লাগিয়ে আত্মহত্যা করেছেন। বৃহস্পতিবার (৬ নভেম্বর) সন্ধ্যায় নিজের বাসায় এ দুঃখজনক ঘটনা ঘটে। নিহত রেশমা খাতুন সৌদি প্রবাসী রহিদুল ইসলামের স্ত্রী। তাদের একমাত্র সন্তান ছিল লামিয়া। খবর পেয়ে দৌলতপুর থানার পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে মা ও মেয়ের লাশ উদ্ধার করে। স্থানীয় লোকজন ও পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, শিশুটি শারীরিকভাবে অসুস্থ ছিল। অর্থের অভাবে মা রেশমা সঠিক চিকিৎসা করাতে পারেননি। প্রবাসী স্বামী রহিদুল ইসলাম নিয়মিত যোগাযোগ রাখতেন না এবং পরিবারে খরচও দিতেন না বলে পারিবারিক অশান্তি চলছিল। ধারণা করা হচ্ছে, অর্থনৈতিক সংকট ও মানসিক চাপের কারণে হয়তো রেশমা এই ভয়াবহ সিদ্ধান্ত নিয়েছেন। রামকৃষ্ণপুর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান সিরাজ মণ্ডল বলেন, সন্তানকে হত্যা করার পর মা নিজেই আত্মহত্যা করেছেন—এটি একান্তই দুঃখজনক ঘটনা। বিষয়টি জানার পর পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে মরদেহগুলো উদ্ধার করে। দৌলতপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা সোলাইমান শেখ বলেন, প্রথমদিকের ধারণা অনুযায়ী, আর্থিক সমস্যা, শিশুর অসুস্থতা ও পারিবারিক অশান্তির কারণে হতাশ হয়ে রেশমা খাতুন তার সন্তানকে হত্যা করে নিজেও আত্মহত্যা করেছেন। মরদেহগুলো থানায় আনা হয়েছে। শুক্রবার সকালে ময়নাতদন্তের জন্য কুষ্টিয়া জেনারেল হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হবে। তদন্ত শেষে বিস্তারিত জানা যাবে।


প্রিন্ট