, সোমবার, ০১ ডিসেম্বর ২০২৫, ১৬ অগ্রহায়ণ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
নোটিশ :
সংবাদের বিষয়ে কিছু জানাতে ইমেইল করুন [email protected] ঠিকানায়

নোয়াখালীতে যুবককে পিটিয়ে হত্যা

নিউজ ডেস্ক
  • আপডেট সময় ০১:১০ অপরাহ্ন, শনিবার, ৮ নভেম্বর ২০২৫
  • / ১৪ বার পড়া হয়েছে

নোয়াখালীর বেগমগঞ্জ উপজেলায় আধিপত্য বিস্তারকে কেন্দ্র করে এক যুবককে পিটিয়ে হত্যা করা হয়েছে। তবে তাৎক্ষণিকভাবে পুলিশ হত্যাকাণ্ডে জড়িতদের নাম প্রকাশ করতে পারেনি। শনিবার (৮ নভেম্বর) দুপুরের দিকে মরদেহ ময়নাতদন্তের জন্য নোয়াখালী জেনারেল হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হবে। নিহত যুবক আব্দুল কাদের, যিনি ওরফে কানকাটা কাদের নামে পরিচিত, তার বয়স ৩৫ বছর। তিনি চৌমুহনী পৌরসভার ৯ নম্বর ওয়ার্ডের গোফরান মিয়ার বাড়ির মো. গোফরানের ছেলে। এর আগে, গতকাল শুক্রবার রাতে উপজেলার হাজীপুর ইউনিয়নের ২ নম্বর ওয়ার্ডের চেরাং বাড়ির দরজায় এই হত্যাকাণ্ড ঘটে। পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, নিহত কাদেরের সঙ্গে এলাকার আধিপত্য বিস্তার নিয়ে কিছু যুবকের মধ্যে দ্বন্দ্ব সৃষ্টি হয়। তদ্ব্যতীত, কাদের নিজে একটি গ্রুপ গঠন করে এলাকায় আধিপত্য সৃষ্টি করেছিলেন। শুক্রবার গভীর রাতে চেরাং বাড়ির দরজায় কে বা কারা তাকে পিটিয়ে ও মাথায় কুপিয়ে হত্যা নিশ্চিত করে মরদেহ রেখে যায়। কাদেরের বিরুদ্ধে মারামারি ও মাদকসহ চারটি মামলার তথ্য পাওয়া গেছে। পুলিশের দাবি, পূর্ব শত্রুতার কারণে তাকে হত্যা করা হয়েছে। বেগমগঞ্জ মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা লিটন দেওয়ান শ্বশুরের বরাত দিয়ে বলেন, যুবকটি অপরাধ জগতে যুক্ত থাকায় তার পরিবারের সঙ্গে সম্পর্ক খুবই দুর্বল ছিল। তার বিরুদ্ধে একাধিক মামলা রয়েছে। খবর পেয়ে পুলিশ রাতের মধ্যে মরদেহ উদ্ধার করে থানায় নিয়ে আসে। মরদেহ ময়নাতদন্তের জন্য নোয়াখালী জেনারেল হাসপাতালে পাঠানো হবে। অভিযোগের ভিত্তিতে পরবর্তী আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।


প্রিন্ট

নিউজটি শেয়ার করুন

নোয়াখালীতে যুবককে পিটিয়ে হত্যা

আপডেট সময় ০১:১০ অপরাহ্ন, শনিবার, ৮ নভেম্বর ২০২৫

নোয়াখালীর বেগমগঞ্জ উপজেলায় আধিপত্য বিস্তারকে কেন্দ্র করে এক যুবককে পিটিয়ে হত্যা করা হয়েছে। তবে তাৎক্ষণিকভাবে পুলিশ হত্যাকাণ্ডে জড়িতদের নাম প্রকাশ করতে পারেনি। শনিবার (৮ নভেম্বর) দুপুরের দিকে মরদেহ ময়নাতদন্তের জন্য নোয়াখালী জেনারেল হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হবে। নিহত যুবক আব্দুল কাদের, যিনি ওরফে কানকাটা কাদের নামে পরিচিত, তার বয়স ৩৫ বছর। তিনি চৌমুহনী পৌরসভার ৯ নম্বর ওয়ার্ডের গোফরান মিয়ার বাড়ির মো. গোফরানের ছেলে। এর আগে, গতকাল শুক্রবার রাতে উপজেলার হাজীপুর ইউনিয়নের ২ নম্বর ওয়ার্ডের চেরাং বাড়ির দরজায় এই হত্যাকাণ্ড ঘটে। পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, নিহত কাদেরের সঙ্গে এলাকার আধিপত্য বিস্তার নিয়ে কিছু যুবকের মধ্যে দ্বন্দ্ব সৃষ্টি হয়। তদ্ব্যতীত, কাদের নিজে একটি গ্রুপ গঠন করে এলাকায় আধিপত্য সৃষ্টি করেছিলেন। শুক্রবার গভীর রাতে চেরাং বাড়ির দরজায় কে বা কারা তাকে পিটিয়ে ও মাথায় কুপিয়ে হত্যা নিশ্চিত করে মরদেহ রেখে যায়। কাদেরের বিরুদ্ধে মারামারি ও মাদকসহ চারটি মামলার তথ্য পাওয়া গেছে। পুলিশের দাবি, পূর্ব শত্রুতার কারণে তাকে হত্যা করা হয়েছে। বেগমগঞ্জ মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা লিটন দেওয়ান শ্বশুরের বরাত দিয়ে বলেন, যুবকটি অপরাধ জগতে যুক্ত থাকায় তার পরিবারের সঙ্গে সম্পর্ক খুবই দুর্বল ছিল। তার বিরুদ্ধে একাধিক মামলা রয়েছে। খবর পেয়ে পুলিশ রাতের মধ্যে মরদেহ উদ্ধার করে থানায় নিয়ে আসে। মরদেহ ময়নাতদন্তের জন্য নোয়াখালী জেনারেল হাসপাতালে পাঠানো হবে। অভিযোগের ভিত্তিতে পরবর্তী আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।


প্রিন্ট