, সোমবার, ০১ ডিসেম্বর ২০২৫, ১৬ অগ্রহায়ণ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
নোটিশ :
সংবাদের বিষয়ে কিছু জানাতে ইমেইল করুন [email protected] ঠিকানায়

ডাবল মার্ডারের ঘটনায় রিফাত বাহিনীর প্রধান অস্ত্রসহ গ্রেপ্তার

নিউজ ডেস্ক
  • আপডেট সময় ০৮:৩৯ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ১১ নভেম্বর ২০২৫
  • / ১৮ বার পড়া হয়েছে

ব্রাহ্মণবাড়িয়ার নবীনগরে আধিপত্য বিস্তার নিয়ে গুলিবর্ষণে ডাবল হত্যাকাণ্ডের প্রধান অভিযুক্ত রিফাত বাহিনীর নেতা রিফাতকে র‌্যাব-৯ (সিপিসি-১) গ্রেপ্তার করেছে। সোমবার ভোরে জেলার বাঞ্ছারামপুর উপজেলার উজানচর খোসকান্দি গ্রাম থেকে তাকে আটক করা হয়। এ সময় সঙ্গে থাকা একটি অবৈধ বিদেশি পিস্তল, দুইটি ম্যাগাজিন ও সাত রাউন্ড তাজা গুলিও উদ্ধার করা হয়। রিফাতের সহযোগী লিমানকেও গ্রেপ্তার করা হয়। গ্রেপ্তারকৃত রিফাত থোল্লাকান্দি গ্রামের মৃত মোস্তাক আহমদের ছেলে। তার বিরুদ্ধে ডাকাতি, হত্যাচেষ্টা ও বিস্ফোরকসহ মোট ছয়টি মামলা দায়ের রয়েছে। সোমবার বিকেলে ব্রাহ্মণবাড়িয়া শহরের কার্যালয়ে এক সংবাদ সম্মেলনে এই তথ্য প্রকাশ করেন র‌্যাব-৯ (সিপিসি-১) এর কমান্ডার মো. নুরনবী। তিনি জানান, ব্রাহ্মণবাড়িয়ার নবীনগর উপজেলার বড়িকান্দি গ্রামের গণিশাহ মাজারের আধিপত্য নিয়ে থোল্লাকান্দি গ্রামের রিফাত বাহিনী ও নুরজাহানপুর গ্রামের মনেক ডাকাতের ছেলে শিপন বাহিনীর মধ্যে দীর্ঘদিন থেকে বিরোধ চলছিল। এরই জের ধরে গত ১ নভেম্বর গণিশাহ মাজারের পাশে একটি হোটেলে শিপন খাবার খাওয়ার সময় রিফাত ও তার বাহিনী তাকে গুলি করে। এতে শিপন, হোটেল কর্মচারী ইয়াসিন ও নূর আলম গুলিবিদ্ধ হয়। ঐ দিনই সন্ধ্যায় ঢাকার একটি হাসপাতালে শিপন মারা যায়। পরে চিকিৎসাধীন অবস্থায় ৩ নভেম্বর হোটেল কর্মচারী ইয়াসিনের মৃত্যু ঘটে।


প্রিন্ট

নিউজটি শেয়ার করুন

ডাবল মার্ডারের ঘটনায় রিফাত বাহিনীর প্রধান অস্ত্রসহ গ্রেপ্তার

আপডেট সময় ০৮:৩৯ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ১১ নভেম্বর ২০২৫

ব্রাহ্মণবাড়িয়ার নবীনগরে আধিপত্য বিস্তার নিয়ে গুলিবর্ষণে ডাবল হত্যাকাণ্ডের প্রধান অভিযুক্ত রিফাত বাহিনীর নেতা রিফাতকে র‌্যাব-৯ (সিপিসি-১) গ্রেপ্তার করেছে। সোমবার ভোরে জেলার বাঞ্ছারামপুর উপজেলার উজানচর খোসকান্দি গ্রাম থেকে তাকে আটক করা হয়। এ সময় সঙ্গে থাকা একটি অবৈধ বিদেশি পিস্তল, দুইটি ম্যাগাজিন ও সাত রাউন্ড তাজা গুলিও উদ্ধার করা হয়। রিফাতের সহযোগী লিমানকেও গ্রেপ্তার করা হয়। গ্রেপ্তারকৃত রিফাত থোল্লাকান্দি গ্রামের মৃত মোস্তাক আহমদের ছেলে। তার বিরুদ্ধে ডাকাতি, হত্যাচেষ্টা ও বিস্ফোরকসহ মোট ছয়টি মামলা দায়ের রয়েছে। সোমবার বিকেলে ব্রাহ্মণবাড়িয়া শহরের কার্যালয়ে এক সংবাদ সম্মেলনে এই তথ্য প্রকাশ করেন র‌্যাব-৯ (সিপিসি-১) এর কমান্ডার মো. নুরনবী। তিনি জানান, ব্রাহ্মণবাড়িয়ার নবীনগর উপজেলার বড়িকান্দি গ্রামের গণিশাহ মাজারের আধিপত্য নিয়ে থোল্লাকান্দি গ্রামের রিফাত বাহিনী ও নুরজাহানপুর গ্রামের মনেক ডাকাতের ছেলে শিপন বাহিনীর মধ্যে দীর্ঘদিন থেকে বিরোধ চলছিল। এরই জের ধরে গত ১ নভেম্বর গণিশাহ মাজারের পাশে একটি হোটেলে শিপন খাবার খাওয়ার সময় রিফাত ও তার বাহিনী তাকে গুলি করে। এতে শিপন, হোটেল কর্মচারী ইয়াসিন ও নূর আলম গুলিবিদ্ধ হয়। ঐ দিনই সন্ধ্যায় ঢাকার একটি হাসপাতালে শিপন মারা যায়। পরে চিকিৎসাধীন অবস্থায় ৩ নভেম্বর হোটেল কর্মচারী ইয়াসিনের মৃত্যু ঘটে।


প্রিন্ট