আওয়ামী লীগের লকডাউন কর্মসূচির সময় বিভিন্ন সন্ত্রাসী কার্যকলাপের ঘটনায় গোপালগঞ্জের সদর, কোটালীপাড়া ও কাশিয়ানী থানায় পৃথক মামলা দাখিল করা হয়েছে। এসব মামলায় মোট ৯১০ জনকে আসামি করা হয়েছে। এর মধ্যে নাম উল্লেখ করা হয়েছে ২০০ জনের এবং অজ্ঞাত হিসেবে ধরা হয়েছে ৭১০ জনকে। এখন পর্যন্ত গোপালগঞ্জ সদর থানায় ৪ জন এবং কোটালীপাড়া থানায় ১ জনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। গোপালগঞ্জ সদর থানার ওসি মো. শাহ আলম জানান, ১৩ নভেম্বর লকডাউনের সময় শহরের বিভিন্ন স্থানে সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ড সংঘটিত হয়। এই মামলায় গোপালগঞ্জ-২ আসনের সাবেক এমপি শেখ ফজলুল করিম সেলিমের ছেলে শেখ নাইম প্রধান আসামি হিসেবে চিহ্নিত হয়েছেন। এছাড়া, ১০০ জনের নাম সহ মোট ৫৭০ জনকে এই মামলায় আসামি করা হয়েছে। এর মধ্যে চারজনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। অন্যদিকে, কোটালীপাড়া থানার ওসি খন্দকার হাফিজুর রহমান জানান, এই থানায় দায়ের হওয়া মামলায় ১৬ জনের নাম উল্লেখ করা হয়েছে, অজ্ঞাতনামা ৪০ জনসহ মোট ৫৬ জনকে আসামি করা হয়েছে। এই মামলায় একজনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। গ্রেপ্তারকৃতদের ১৫ নভেম্বর শনিবার আদালতের মাধ্যমে জেল হাজতে পাঠানো হয়েছে। কাশিয়ানী থানার অফিসার ইনচার্জ কামাল হোসেন বলেন, ৮৪ জনের নাম উল্লেখ করে অজ্ঞাতনামা ২০০ জনসহ মোট ২৮৪ জনকে আসামি করা হয়েছে। উল্লেখ্য, ১৩ নভেম্বর কর্মসূচির সময় গোপালগঞ্জ শহরের গণপূর্ত অফিসের গাড়িতে এবং সদর উপজেলার উলপুর গ্রামীণ ব্যাংকের অফিসে পেট্রোল বোমা নিক্ষেপ ও আগুন ধরানো হয়। এছাড়া জেলার বিভিন্ন স্থানে সড়কে গাছ ফেলে যান চলাচলে প্রতিবন্ধকতা সৃষ্টি করা হয়।