, সোমবার, ০১ ডিসেম্বর ২০২৫, ১৬ অগ্রহায়ণ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
নোটিশ :
সংবাদের বিষয়ে কিছু জানাতে ইমেইল করুন [email protected] ঠিকানায়

লক্ষ্মীপুরে বিএনপি নেতা হত্যা, আটক ৩

নিউজ ডেস্ক
  • আপডেট সময় ০৭:৫৫ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ১৭ নভেম্বর ২০২৫
  • / ১৭ বার পড়া হয়েছে

লক্ষ্মীপুরের চন্দ্রগঞ্জ ইউনিয়নের ৪ নম্বর ওয়ার্ড বিএনপির সাধারণ সম্পাদক আবুল কালাম জহিরকে কুপিয়ে ও গুলি করে হত্যা করার ঘটনায় তিনজনকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ। রোববার (১৬ নভেম্বর) সন্ধ্যায় এই তথ্য নিশ্চিত করেছেন চন্দ্রগঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোহাম্মদ ফয়েজুল আজীম নোমান। তিনি জানান, ভোরের দিকে অভিযান চালিয়ে তাদের আটক করা হয়। আটকরা হলেন- লতিফপুরের শাহ আলমের ছেলে ইমন হোসেন (২১), মমিন উল্যাহর ছেলে আলমগীর হোসেন (৪০) এবং নুরুল আমিনের ছেলে হুসাইন কবির সেলিম (৫০)। এদিকে, এই ঘটনার পর থেকে এখনও পর্যন্ত কোনো মামলা দায়ের হয়নি। ময়নাতদন্তের পর বিকেলে পারিবারিক কবরস্থানে জহিরের দাফন সম্পন্ন হয়। ঘটনার প্রভাব এলাকায় আতঙ্কের সৃষ্টি করেছে। উল্লেখ্য, শনিবার রাত সাড়ে ৮টায় চন্দ্রগঞ্জের লতিফপুর গ্রামে মোস্তাফার দোকান নামে একটি স্থানে খুন হন বিএনপি নেতা আবুল কালাম। তাকে কুপিয়ে ও গুলি করে হত্যা করা হয়। তিনি পশ্চিম লতিফপুরের মনছুর আহমেদের ছেলে। অভিযোগ রয়েছে, জহিরের সঙ্গে স্থানীয় ছাত্রদল কর্মী কাউসার মানিক বাদল বা ছোট কাউসারের মধ্যে আধিপত্য ও অভ্যন্তরীণ কোন্দলের কারণে দীর্ঘদিন ধরে বিরোধ চলে আসছে। সম্প্রতি একটি খেলাধুলার আয়োজনকে কেন্দ্র করে এই বিরোধ আরও চরম আকার ধারণ করে। এই ঘটনার পেছনে এই বিরোধের হাত রয়েছে বলে ধারণা করা হচ্ছে। কাউসারসহ কয়েকজন হত্যা মামলার পলাতক আসামি। অন্যদিকে, আবুল কালামর বিরুদ্ধেও ছয়টি মাদক মামলা, আরও সাতটি মামলা ও একাধিক জিডি রয়েছে।


প্রিন্ট
ট্যাগস

নিউজটি শেয়ার করুন

লক্ষ্মীপুরে বিএনপি নেতা হত্যা, আটক ৩

আপডেট সময় ০৭:৫৫ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ১৭ নভেম্বর ২০২৫

লক্ষ্মীপুরের চন্দ্রগঞ্জ ইউনিয়নের ৪ নম্বর ওয়ার্ড বিএনপির সাধারণ সম্পাদক আবুল কালাম জহিরকে কুপিয়ে ও গুলি করে হত্যা করার ঘটনায় তিনজনকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ। রোববার (১৬ নভেম্বর) সন্ধ্যায় এই তথ্য নিশ্চিত করেছেন চন্দ্রগঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোহাম্মদ ফয়েজুল আজীম নোমান। তিনি জানান, ভোরের দিকে অভিযান চালিয়ে তাদের আটক করা হয়। আটকরা হলেন- লতিফপুরের শাহ আলমের ছেলে ইমন হোসেন (২১), মমিন উল্যাহর ছেলে আলমগীর হোসেন (৪০) এবং নুরুল আমিনের ছেলে হুসাইন কবির সেলিম (৫০)। এদিকে, এই ঘটনার পর থেকে এখনও পর্যন্ত কোনো মামলা দায়ের হয়নি। ময়নাতদন্তের পর বিকেলে পারিবারিক কবরস্থানে জহিরের দাফন সম্পন্ন হয়। ঘটনার প্রভাব এলাকায় আতঙ্কের সৃষ্টি করেছে। উল্লেখ্য, শনিবার রাত সাড়ে ৮টায় চন্দ্রগঞ্জের লতিফপুর গ্রামে মোস্তাফার দোকান নামে একটি স্থানে খুন হন বিএনপি নেতা আবুল কালাম। তাকে কুপিয়ে ও গুলি করে হত্যা করা হয়। তিনি পশ্চিম লতিফপুরের মনছুর আহমেদের ছেলে। অভিযোগ রয়েছে, জহিরের সঙ্গে স্থানীয় ছাত্রদল কর্মী কাউসার মানিক বাদল বা ছোট কাউসারের মধ্যে আধিপত্য ও অভ্যন্তরীণ কোন্দলের কারণে দীর্ঘদিন ধরে বিরোধ চলে আসছে। সম্প্রতি একটি খেলাধুলার আয়োজনকে কেন্দ্র করে এই বিরোধ আরও চরম আকার ধারণ করে। এই ঘটনার পেছনে এই বিরোধের হাত রয়েছে বলে ধারণা করা হচ্ছে। কাউসারসহ কয়েকজন হত্যা মামলার পলাতক আসামি। অন্যদিকে, আবুল কালামর বিরুদ্ধেও ছয়টি মাদক মামলা, আরও সাতটি মামলা ও একাধিক জিডি রয়েছে।


প্রিন্ট