, সোমবার, ০১ ডিসেম্বর ২০২৫, ১৬ অগ্রহায়ণ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
নোটিশ :
সংবাদের বিষয়ে কিছু জানাতে ইমেইল করুন [email protected] ঠিকানায়

কলাপাড়ায় আমনের বাম্পার ফলন, কৃষকদের মুখে হাসি

নিউজ ডেস্ক
  • আপডেট সময় ০৫:১৮ অপরাহ্ন, শনিবার, ২৯ নভেম্বর ২০২৫
  • / ৯ বার পড়া হয়েছে

পটুয়াখালীর কলাপাড়া উপজেলায় এবার আমন ধানের ব্যাপক ফলন হওয়ায় কৃষকদের মুখে আনন্দের হাসি দেখা গেছে। গতবারের তুলনায় উৎপাদন উল্লেখযোগ্যভাবে বৃদ্ধি পেয়েছে বলে উপজেলা কৃষি সম্প্রসারণ কর্মকর্তারা জানিয়েছেন। তথ্য অনুযায়ী, চলতি মৌসুমে উপজেলায় আমন চাষের লক্ষ্যমাত্রা ছিল ৩০ হাজার ৬৯৮ হেক্টর জমি। এর বিপরীতে আবাদ হয়েছে ৩০ হাজার ৬৯৭ হেক্টর। মাত্র এক হেক্টর কম জমির জন্য বড় ধরনের ক্ষতি হয়নি বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা। সবখানে এখন পাকা হলুদ ও সোনালি ধানের শীষে কৃষকদের স্বপ্ন উজ্জ্বল হয়ে উঠছে। মাঠে পড়ে থাকা ধানের উপমা স্পষ্ট করে দিচ্ছে ভালো ফলনের সংকেত। ফলে আমন ধান সংগ্রহের জন্য কৃষকরা ব্যস্ত সময় পার করছেন। কৃষি কর্মকর্তারা বলছেন, দক্ষিণাঞ্চলের উপকূলীয় অঞ্চলে এ বছর আমন মৌসুম খুবই সফল ও বাম্পার ফলনের বছর হিসেবে চিহ্নিত হবে। চম্পাপুর ইউনিয়নের দৌলতপুর গ্রামের কৃষক সোহেল বাদশা বলেন, লবণাক্ততা ও প্রাকৃতিক দুর্যোগের কারণে ক্ষতির আশঙ্কা ছিল। তবে আল্লাহর রহমতে ক্ষতি হয়নি। ফলন ভালো হয়েছে, এই জন্য আমরা খুবই খুশি। কুয়াকাটা এলাকার কৃষক বায়েজীদ বলছেন, এ বছর আমনের দাম ভালো। তবে জ্বালানি, সার ও কীটনাশকের দাম অনেক বেড়ে যাওয়ায় উৎপাদন খরচও বৃদ্ধি পেয়েছে। তাই ন্যায্য মূল্য পাওয়ার জন্য সবাই সহযোগিতা চাই। উপজেলা কৃষি সম্প্রসারণ কর্মকর্তা নাহিদ ইসলাম বলেন, এ বছর আবহাওয়া পুরোপুরি অনুকূলে ছিল। সময়মতো উপযুক্ত পরামর্শ ও সহায়তা প্রদান করা সম্ভব হয়েছে। উপজেলায় ৭০ শতাংশ জমিতে উচ্চ ফলনশীল ধানের চাষ হয়েছে। এর ফলে প্রতি বিঘায় উৎপাদন গত বছরের তুলনায় অনেক বেশি। তিনি আরও বলেন, এই বাম্পার ফলন স্থানীয় চাহিদা পূরণ ও বাজারে স্থিতিশীলতা আনার ক্ষেত্রে বড় ভূমিকা রাখবে।


প্রিন্ট
ট্যাগস

নিউজটি শেয়ার করুন

কলাপাড়ায় আমনের বাম্পার ফলন, কৃষকদের মুখে হাসি

আপডেট সময় ০৫:১৮ অপরাহ্ন, শনিবার, ২৯ নভেম্বর ২০২৫

পটুয়াখালীর কলাপাড়া উপজেলায় এবার আমন ধানের ব্যাপক ফলন হওয়ায় কৃষকদের মুখে আনন্দের হাসি দেখা গেছে। গতবারের তুলনায় উৎপাদন উল্লেখযোগ্যভাবে বৃদ্ধি পেয়েছে বলে উপজেলা কৃষি সম্প্রসারণ কর্মকর্তারা জানিয়েছেন। তথ্য অনুযায়ী, চলতি মৌসুমে উপজেলায় আমন চাষের লক্ষ্যমাত্রা ছিল ৩০ হাজার ৬৯৮ হেক্টর জমি। এর বিপরীতে আবাদ হয়েছে ৩০ হাজার ৬৯৭ হেক্টর। মাত্র এক হেক্টর কম জমির জন্য বড় ধরনের ক্ষতি হয়নি বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা। সবখানে এখন পাকা হলুদ ও সোনালি ধানের শীষে কৃষকদের স্বপ্ন উজ্জ্বল হয়ে উঠছে। মাঠে পড়ে থাকা ধানের উপমা স্পষ্ট করে দিচ্ছে ভালো ফলনের সংকেত। ফলে আমন ধান সংগ্রহের জন্য কৃষকরা ব্যস্ত সময় পার করছেন। কৃষি কর্মকর্তারা বলছেন, দক্ষিণাঞ্চলের উপকূলীয় অঞ্চলে এ বছর আমন মৌসুম খুবই সফল ও বাম্পার ফলনের বছর হিসেবে চিহ্নিত হবে। চম্পাপুর ইউনিয়নের দৌলতপুর গ্রামের কৃষক সোহেল বাদশা বলেন, লবণাক্ততা ও প্রাকৃতিক দুর্যোগের কারণে ক্ষতির আশঙ্কা ছিল। তবে আল্লাহর রহমতে ক্ষতি হয়নি। ফলন ভালো হয়েছে, এই জন্য আমরা খুবই খুশি। কুয়াকাটা এলাকার কৃষক বায়েজীদ বলছেন, এ বছর আমনের দাম ভালো। তবে জ্বালানি, সার ও কীটনাশকের দাম অনেক বেড়ে যাওয়ায় উৎপাদন খরচও বৃদ্ধি পেয়েছে। তাই ন্যায্য মূল্য পাওয়ার জন্য সবাই সহযোগিতা চাই। উপজেলা কৃষি সম্প্রসারণ কর্মকর্তা নাহিদ ইসলাম বলেন, এ বছর আবহাওয়া পুরোপুরি অনুকূলে ছিল। সময়মতো উপযুক্ত পরামর্শ ও সহায়তা প্রদান করা সম্ভব হয়েছে। উপজেলায় ৭০ শতাংশ জমিতে উচ্চ ফলনশীল ধানের চাষ হয়েছে। এর ফলে প্রতি বিঘায় উৎপাদন গত বছরের তুলনায় অনেক বেশি। তিনি আরও বলেন, এই বাম্পার ফলন স্থানীয় চাহিদা পূরণ ও বাজারে স্থিতিশীলতা আনার ক্ষেত্রে বড় ভূমিকা রাখবে।


প্রিন্ট