খালেদা জিয়া ও তারেক রহমানকে নিয়ে সুখবর দিলেন তথ্য উপদেষ্টা
ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় সাবেক ইউপি সদস্যের গলাকাটা মরদেহ উদ্ধার
শ্রীলঙ্কায় ভয়াবহ বন্যায় মৃতের সংখ্যা অন্তত ১৯৩
ইসরায়েলি প্রেসিডেন্টের কাছে ক্ষমা চাইলেন নেতানিয়াহু
হাসপাতালে খালেদা জিয়াকে দেখতে গেলেন তামিম ইকবাল
নোয়াখালীতে খালেদা জিয়ার সুস্থতা কামনায় কোরআন খতম ও দোয়া
মসজিদে বিয়ে ও সমালোচনা নিয়ে মুখ খুললেন শবনম ফারিয়া
দেশে বাড়লো সব ধরনের জ্বালানি তেলের দাম
ইসরায়েলি হামলার গাজায় নিহত ৭০ হাজারের বেশি
খাদ্য অধিদপ্তরের পরীক্ষার প্রশ্নপত্র ফাঁস
এ দেশে ভারতীয় দাদাগিরি চলবেনা: সাদিক কায়েম
- আপডেট সময় ০৮:৩৩ অপরাহ্ন, শনিবার, ২৯ নভেম্বর ২০২৫
- / ৭ বার পড়া হয়েছে
ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদ (ডাকসু) ভিপি সাদিক কায়েম বলেন, বাংলাদেশে দিল্লির শাসন চালু থাকবেনা। লন্ডন থেকেও বাংলাদেশের প্রশাসন নিয়ন্ত্রণ সম্ভব নয়। নতুন বাংলাদেশে স্বৈরাচারী শাসন ব্যবস্থা আর টিকে থাকবেনা। কেউ যদি এই চেষ্টা করে, তাহলে খুনি হাসিনার ফলাফল থেকে অনেক খারাপ পরিস্থিতিতে পড়বে তাদের। শনিবার (২৯ নভেম্বর) সিলেটের কোম্পানীগঞ্জ উপজেলায় জামায়াতে ইসলামের আয়োজনে ছাত্র ও যুব সমাবেশে তিনি এসব কথা বলেন। সমাবেশে বিএনপির চেয়ারপারসন খালেদা জিয়ার দ্রুত সুস্থতা কামনা করে মোনাজাত পরিচালনা করেন সাদিক কায়েম। তিনি আরও বলেন, অতীতে ভারত আমাদের উপর অত্যাচার ও নির্যাতন চালিয়েছে। স্বৈরাচারীরা দিল্লির দালালদের সাহায্য করেছিল। কিন্তু স্বাধীন বাংলাদেশের মধ্যে আর দিল্লির দালালি চলবেনা। ভারতের নির্দেশে বাংলাদেশ চলে না। দেশের ভবিষ্যত নির্ভর করবে দেশের মানুষের আশা ও শহীদদের স্বপ্নের ওপর। তিনি বলেন, দেশের উন্নতি ও উন্নয়ন জন্য মাটি ও মানুষের সঙ্গে থেকে কাজ করতে হবে। যোগ্যতা ও পরিশ্রমের মাধ্যমে নিজেকে প্রমাণ করতে হবে। না হলে খুনি হাসিনার মতো ফ্যাসিবাদী শাসন প্রতিষ্ঠা করতে গেলে দেশের মানুষ লাল কার্ড দেখাবে। সাদিক কায়েম সীমান্তে হত্যাকাণ্ডের প্রসঙ্গ টেনে বলেন, সীমান্তে হত্যাকাণ্ড বন্ধ করতে হবে। একটিও লাশ দেখলে ১৮ কোটি মানুষ একযোগে প্রতিবাদ করবে এবং প্রতিরোধ গড়ে তুলবে। প্রতিটি হত্যাকাণ্ডের বিচার হবে। তিনি দেশের ভবিষ্যত সম্পর্কে আশাবাদ ব্যক্ত করে বলেন, নতুন বাংলাদেশে ফ্যাসিবাদ আর থাকবে না। ক্ষমতা থাকবে জনগণের হাতে, জনগণই সিদ্ধান্ত নিবে। যেকোনো জুলুম বা অধিকার হরণ রোধ করা হবে। ফ্যাসিবাদের পরিণতি যেমন হয়েছিল, খুনি হাসিনার ফলাফল যেমন হয়েছিল, তার চেয়ে খারাপ পরিণতি যারা এ ধরণের রাজনীতি করবে, তাদের জন্য অপেক্ষা করছে। সমাবেশে উপস্থিত ছাত্র ও যুবকদের উদ্দেশ্যে তিনি বলেন, এই সমাবেশে কোনো চাঁদাবাজ, টেন্ডারবাজ বা ধর্ষক নেই। আমরা চাঁদাবাজ, টেন্ডারবাজমুক্ত এবং ন্যায়ের বাংলাদেশ গড়ে তুলতে সঠিক নেতৃত্ব নির্বাচন করব। সিলেট-৪ আসনের প্রার্থী জয়নাল আবেদীন একজন যোগ্য ব্যক্তি। তাকে নির্বাচিত করে এলাকার সম্ভাবনাকে কাজে লাগাতে হবে। সাদিক কায়েম উল্লেখ করেন, ৫৪ বছরেও এ অঞ্চলের মানুষের মুক্তির আশা এখনও পূরণ হয়নি। সাদা পাথরকে কাজে লাগিয়ে সিলেট ও বাংলাদেশের লাখ লাখ মানুষের কর্মসংস্থান সৃষ্টি করার সম্ভাবনা রয়েছে। এই সাদা পাথরই বাংলাদেশের উন্নয়নের বড় হাতিয়ার। তিনি জামায়াতে ইসলামের প্রার্থী জয়নাল আবেদীনের পক্ষে ভোট চেয়ে বলেন, নির্বাচিত হলে এই অঞ্চলের মানুষের মুক্তি এবং সিলেটের পর্যটন শিল্পকে বিশ্বজুড়ে পরিচিত করতে কাজ করবেন। ইনশাল্লাহ, তুরস্কের ইস্তাম্বুলের মতো সিলেটের সাদা পাথর, জাফলংসহ পর্যটন কেন্দ্রগুলো বিশ্বে পরিচিতি পাবে। সমাবেশে কোম্পানীগঞ্জ থানা সদর প্রাইমারি স্কুল মাঠে উপজেলা আমির মাওলানা ফয়জুর রহমানের সভাপতিত্বে প্রধান অতিথি ছিলেন সিলেট-৪ আসনের সংসদ সদস্য প্রার্থী জয়নাল আবেদীন।
প্রিন্ট















