, সোমবার, ০১ ডিসেম্বর ২০২৫, ১৬ অগ্রহায়ণ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
নোটিশ :
সংবাদের বিষয়ে কিছু জানাতে ইমেইল করুন [email protected] ঠিকানায়

গোপালগঞ্জে ২১ দিন পর পুতে রাখা মোবাইল ব্যবসায়ীর মরদেহ উদ্ধার

নিউজ ডেস্ক
  • আপডেট সময় ০৯:১৩ অপরাহ্ন, শনিবার, ২৯ নভেম্বর ২০২৫
  • / ৫ বার পড়া হয়েছে

গোপালগঞ্জে ২১ দিন নিখোঁজ থাকার পর একটি স্থানীয় কবরস্থান থেকে মোবাইল ব্যবসায়ী মিজানুর রহমান (৪৮) এর দেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ। শনিবার (২৯ নভেম্বর) সন্ধ্যায় গোপালগঞ্জ সদর উপজেলার খাগাইল গ্রামে কবরস্থানের ভিতর থেকে এই মরদেহ টেনে বের করা হয়। গোপালগঞ্জ সদর থানার ওসি মো: শাহ আলম জানিয়েছেন, ৮ নভেম্বর রাতে পাওনা টাকা আদায়ের কথা বলে ব্যবসায়ী মিজানুর রহমানকে তার পার্টনার জাহিদ নামের একজন ফোন করে ডেকে নিয়ে যান। এরপর থেকে তার কোনো খোঁজ পাওয়া যায়নি। ১০ নভেম্বর তার স্ত্রী জামিলা ইসলাম থানায় সাধারণ ডায়েরি করেন। তদন্তের পাশাপাশি প্রযুক্তির সাহায্যে শনিবার সন্ধ্যায় খাগাইল গ্রামের কবরস্থানের ভিতর থেকে মাটি খুঁড়ে মরদেহ উদ্ধার করা হয়। পরে পরিবারের সদস্যরা সেটি সনাক্ত করেন। মরদেহ ময়নাতদন্তের জন্য গোপালগঞ্জের ২৫০ শয্যাবিশিষ্ট জেনারেল হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়েছে। পুলিশ জানিয়েছে, মূল আসামী জাহিদকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে এবং অন্য জড়িতদের দ্রুত গ্রেপ্তার করার জন্য চেষ্টা চালানো হচ্ছে। নিহতের পরিবার ও স্থানীয়রা জাহিদসহ সকল জড়িতদের দ্রুত শাস্তির দাবি জানিয়েছেন। নিহত মিজানুর রহমান গোপালগঞ্জ শহরতলির ঘোষেরচর এলাকার হারেজ মোল্যার ছেলে।


প্রিন্ট

নিউজটি শেয়ার করুন

গোপালগঞ্জে ২১ দিন পর পুতে রাখা মোবাইল ব্যবসায়ীর মরদেহ উদ্ধার

আপডেট সময় ০৯:১৩ অপরাহ্ন, শনিবার, ২৯ নভেম্বর ২০২৫

গোপালগঞ্জে ২১ দিন নিখোঁজ থাকার পর একটি স্থানীয় কবরস্থান থেকে মোবাইল ব্যবসায়ী মিজানুর রহমান (৪৮) এর দেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ। শনিবার (২৯ নভেম্বর) সন্ধ্যায় গোপালগঞ্জ সদর উপজেলার খাগাইল গ্রামে কবরস্থানের ভিতর থেকে এই মরদেহ টেনে বের করা হয়। গোপালগঞ্জ সদর থানার ওসি মো: শাহ আলম জানিয়েছেন, ৮ নভেম্বর রাতে পাওনা টাকা আদায়ের কথা বলে ব্যবসায়ী মিজানুর রহমানকে তার পার্টনার জাহিদ নামের একজন ফোন করে ডেকে নিয়ে যান। এরপর থেকে তার কোনো খোঁজ পাওয়া যায়নি। ১০ নভেম্বর তার স্ত্রী জামিলা ইসলাম থানায় সাধারণ ডায়েরি করেন। তদন্তের পাশাপাশি প্রযুক্তির সাহায্যে শনিবার সন্ধ্যায় খাগাইল গ্রামের কবরস্থানের ভিতর থেকে মাটি খুঁড়ে মরদেহ উদ্ধার করা হয়। পরে পরিবারের সদস্যরা সেটি সনাক্ত করেন। মরদেহ ময়নাতদন্তের জন্য গোপালগঞ্জের ২৫০ শয্যাবিশিষ্ট জেনারেল হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়েছে। পুলিশ জানিয়েছে, মূল আসামী জাহিদকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে এবং অন্য জড়িতদের দ্রুত গ্রেপ্তার করার জন্য চেষ্টা চালানো হচ্ছে। নিহতের পরিবার ও স্থানীয়রা জাহিদসহ সকল জড়িতদের দ্রুত শাস্তির দাবি জানিয়েছেন। নিহত মিজানুর রহমান গোপালগঞ্জ শহরতলির ঘোষেরচর এলাকার হারেজ মোল্যার ছেলে।


প্রিন্ট