, সোমবার, ০১ ডিসেম্বর ২০২৫, ১৬ অগ্রহায়ণ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
নোটিশ :
সংবাদের বিষয়ে কিছু জানাতে ইমেইল করুন [email protected] ঠিকানায়

নওগাঁয় স্থানীয়দের তোপের মুখে নিয়োগ পরীক্ষা স্থগিত

নিউজ ডেস্ক
  • আপডেট সময় ২২ ঘন্টা আগে
  • / ৪ বার পড়া হয়েছে

নওগাঁর মহাদেবপুরে একটি দাখিল মাদ্রাসায় আয়া পদে নিয়োগের জন্য পরীক্ষার আয়োজন করছিলেন স্থানীয়রা; কিন্তু তাতে ক্ষুব্ধ হয়ে উপজেলা প্রশাসনের নির্দেশে সেটি বাতিল করে দেওয়া হয়। শনিবার (২৯ নভেম্বর) বিকেলে উত্তরগ্রাম হাটখোলা দাখিল মাদ্রাসায় এই ঘটনা ঘটে। জানা যায়, নিয়োগের আগে থেকেই মাদ্রাসার পরিচালনা কমিটির সভাপতি শহিদুল ইসলাম পলাশের স্ত্রী স্বপ্না খানমকে ৮ লাখ টাকার বিনিময়ে আয়া পদে নিয়োগের জন্য নির্বাচিত করা হয়। এই খবর ছড়িয়ে পড়ার পরে স্থানীয়রা উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার কাছে অভিযোগ জানান, তারা নিয়োগ প্রক্রিয়া বন্ধের দাবি জানান। পরে আজ বিকেলে নিয়োগের জন্য গঠিত বোর্ডের প্রস্তুতি চলাকালে স্থানীয়দের ক্ষোভের মুখে সেটি স্থগিত ঘোষণা করেন ডিরেক্টরেটের প্রতিনিধি। অভিযোগের সূত্রে জানা যায়, স্বপ্না খানমকে নিয়োগের জন্য গোপনে সব কার্যক্রম সম্পন্ন করা হয়েছিল; কেবল আনুষ্ঠানিকতা বাকি ছিল। স্বপ্নাকে পরীক্ষায় জেতানোর জন্য তার স্বজন মিম আকতার ও পান্না আকতারের নাম ডামি প্রার্থী হিসেবে রাখা হয়। তাদের এই ছক অনুযায়ী, আজ শনিবার বিকেল তিনটায় মাদ্রাসায় উপস্থিত হন ডিরেক্টরেটের প্রতিনিধি। এরপর স্থানীয়দের তোপের মুখে বিকেল চারটার দিকে নিয়োগ বোর্ডের সিদ্ধান্ত স্থগিত করে চলে যান। বিষয়টি নিয়ে মাদ্রাসা পরিচালনা কমিটির সভাপতি শহিদুল ইসলামের মোবাইল নম্বরে একাধিকবার ফোন করা হলেও তার সংযোগ বন্ধ থাকায় বক্তব্য নেওয়া সম্ভব হয়নি। এ ব্যাপারে মাদ্রাসার সুপার এনামুল হক বলেন, “নিয়োগ বোর্ড স্থগিত করা হয়েছে।” মহাদেবপুর উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা কর্মকর্তা ও নিয়োগ বোর্ডের সদস্য শফিকুল ইসলাম বলেন, “স্থানীয়দের ক্ষোভের কারণে আজকের নিয়োগ বোর্ডের সিদ্ধান্ত স্থগিত করা হয়েছে। পরবর্তী সিদ্ধান্ত ম্যানেজিং কমিটি নেবে।”


প্রিন্ট
ট্যাগস

নিউজটি শেয়ার করুন

নওগাঁয় স্থানীয়দের তোপের মুখে নিয়োগ পরীক্ষা স্থগিত

আপডেট সময় ২২ ঘন্টা আগে

নওগাঁর মহাদেবপুরে একটি দাখিল মাদ্রাসায় আয়া পদে নিয়োগের জন্য পরীক্ষার আয়োজন করছিলেন স্থানীয়রা; কিন্তু তাতে ক্ষুব্ধ হয়ে উপজেলা প্রশাসনের নির্দেশে সেটি বাতিল করে দেওয়া হয়। শনিবার (২৯ নভেম্বর) বিকেলে উত্তরগ্রাম হাটখোলা দাখিল মাদ্রাসায় এই ঘটনা ঘটে। জানা যায়, নিয়োগের আগে থেকেই মাদ্রাসার পরিচালনা কমিটির সভাপতি শহিদুল ইসলাম পলাশের স্ত্রী স্বপ্না খানমকে ৮ লাখ টাকার বিনিময়ে আয়া পদে নিয়োগের জন্য নির্বাচিত করা হয়। এই খবর ছড়িয়ে পড়ার পরে স্থানীয়রা উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার কাছে অভিযোগ জানান, তারা নিয়োগ প্রক্রিয়া বন্ধের দাবি জানান। পরে আজ বিকেলে নিয়োগের জন্য গঠিত বোর্ডের প্রস্তুতি চলাকালে স্থানীয়দের ক্ষোভের মুখে সেটি স্থগিত ঘোষণা করেন ডিরেক্টরেটের প্রতিনিধি। অভিযোগের সূত্রে জানা যায়, স্বপ্না খানমকে নিয়োগের জন্য গোপনে সব কার্যক্রম সম্পন্ন করা হয়েছিল; কেবল আনুষ্ঠানিকতা বাকি ছিল। স্বপ্নাকে পরীক্ষায় জেতানোর জন্য তার স্বজন মিম আকতার ও পান্না আকতারের নাম ডামি প্রার্থী হিসেবে রাখা হয়। তাদের এই ছক অনুযায়ী, আজ শনিবার বিকেল তিনটায় মাদ্রাসায় উপস্থিত হন ডিরেক্টরেটের প্রতিনিধি। এরপর স্থানীয়দের তোপের মুখে বিকেল চারটার দিকে নিয়োগ বোর্ডের সিদ্ধান্ত স্থগিত করে চলে যান। বিষয়টি নিয়ে মাদ্রাসা পরিচালনা কমিটির সভাপতি শহিদুল ইসলামের মোবাইল নম্বরে একাধিকবার ফোন করা হলেও তার সংযোগ বন্ধ থাকায় বক্তব্য নেওয়া সম্ভব হয়নি। এ ব্যাপারে মাদ্রাসার সুপার এনামুল হক বলেন, “নিয়োগ বোর্ড স্থগিত করা হয়েছে।” মহাদেবপুর উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা কর্মকর্তা ও নিয়োগ বোর্ডের সদস্য শফিকুল ইসলাম বলেন, “স্থানীয়দের ক্ষোভের কারণে আজকের নিয়োগ বোর্ডের সিদ্ধান্ত স্থগিত করা হয়েছে। পরবর্তী সিদ্ধান্ত ম্যানেজিং কমিটি নেবে।”


প্রিন্ট