খালেদা জিয়া ও তারেক রহমানকে নিয়ে সুখবর দিলেন তথ্য উপদেষ্টা
ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় সাবেক ইউপি সদস্যের গলাকাটা মরদেহ উদ্ধার
শ্রীলঙ্কায় ভয়াবহ বন্যায় মৃতের সংখ্যা অন্তত ১৯৩
ইসরায়েলি প্রেসিডেন্টের কাছে ক্ষমা চাইলেন নেতানিয়াহু
হাসপাতালে খালেদা জিয়াকে দেখতে গেলেন তামিম ইকবাল
নোয়াখালীতে খালেদা জিয়ার সুস্থতা কামনায় কোরআন খতম ও দোয়া
মসজিদে বিয়ে ও সমালোচনা নিয়ে মুখ খুললেন শবনম ফারিয়া
দেশে বাড়লো সব ধরনের জ্বালানি তেলের দাম
ইসরায়েলি হামলার গাজায় নিহত ৭০ হাজারের বেশি
খাদ্য অধিদপ্তরের পরীক্ষার প্রশ্নপত্র ফাঁস
নোয়াখালীতে ভুল চিকিৎসায় তরুণীর মৃত্যুর অভিযোগ
- আপডেট সময় ২০ ঘন্টা আগে
- / ৬ বার পড়া হয়েছে
নোয়াখালীর বেগমগঞ্জের একলাশপুরের রিংকি আক্তার (২২) নামে এক তরুণীর মৃত্যুর জন্য ভুল চিকিৎসাকে দায়ী করেছে তার পরিবার। শনিবার (২৯ নভেম্বর) জেলা শহরের মাইজদী হাউজিং এস্টেট এলাকার ডা. মজিবুল হকের পরিচালিত ইএনটি হাসপাতালে এ ঘটনাটি ঘটে। পরিবারের সূত্রে জানা গেছে, ২৫ নভেম্বর গলা ব্যথার কারণে রিংকি অসুস্থ হয়ে পড়লে তাকে মাইজদী হাউজিং এলাকার একজন চিকিৎসকের কাছে নিয়ে যাওয়া হয়। তিনি অস্ত্রোপচারের সুপারিশ করলে ওই দিনই অপারেশন সম্পন্ন হয়। অপারেশনের পর দ্রুত ছাড়পত্র দেওয়া হলেও বাসায় ফেরার পরই তার গলায় তীব্র ব্যথা ও রক্তক্ষরণ শুরু হয়। বিষয়টি জানানো হলে চিকিৎসক গুরুত্ব না দিয়ে এটিকে স্বাভাবিক বলেছিলেন। শনিবার (২৯ নভেম্বর) একই হাসপাতালে নেওয়ার পর চিকিৎসাধীন অবস্থায় তার মৃত্যু ঘটে। নিহতের মা শাহিনা আক্তার অভিযোগ করেন, চিকিৎসকের অবহেলার কারণে তার মেয়ে মারা গেছে। ব্যথা ও রক্তক্ষরণকে গুরুত্ব দেয়া হয়নি। তার ভাই আলাউদ্দিন শাকিল বলেন, আমরা বোনের মৃত্যুর বিচার চাই। চিকিৎসকের বিরুদ্ধে আগেও অভিযোগ ছিল এবং মৃত্যুর খবর জানাতে গেলে তাদের লাঞ্ছিত করা হয়। পরে সুধারাম মডেল থানায় এ বিষয়ে অভিযোগ দায়ের করা হয়। স্থানীয়রা জানান, চিকিৎসক তার পাঁচতলা বাড়ির নিচের ফ্ল্যাটকে হাসপাতাল বানিয়ে রোগী দেখা ও অপারেশন করতেন, যা পরে বৈধতা নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে। ঘটনার পর এলাকায় চাঞ্চল্য সৃষ্টি হয়েছে। জেলা সিভিল সার্জন কার্যালয় সূত্রে জানা গেছে, ডা. মজিবুল হক যে হাসপাতাল পরিচালনা করেন, সেটির কোনো বৈধতা নেই। তিনি তার বাড়ির নিচের অংশকে হাসপাতাল হিসেবে ব্যবহার করে রোগীদের অপারেশনসহ চেম্বার চালাতেন। রোগীর মৃত্যুর পর থানা পুলিশ ও জেলা ডিবি পুলিশের বেশ কয়েকটি দল ঘটনাস্থলে গেলে, ডা. মজিবুল হক দ্রুত ভবন ত্যাগ করেন এবং মোবাইল ফোন বন্ধ করে দেন। তাই তার কোনো বক্তব্য নেওয়া সম্ভব হয়নি। সুধারাম মডেল থানার ওসি মোহাম্মদ কামরুল ইসলাম বলেন, অভিযোগের তদন্ত করে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
প্রিন্ট















