, সোমবার, ০১ ডিসেম্বর ২০২৫, ১৬ অগ্রহায়ণ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
নোটিশ :
সংবাদের বিষয়ে কিছু জানাতে ইমেইল করুন [email protected] ঠিকানায়

চট্টগ্রাম–কক্সবাজার মহাসড়ক অবরোধ

নিউজ ডেস্ক
  • আপডেট সময় ১৭ ঘন্টা আগে
  • / ৫ বার পড়া হয়েছে

চট্টগ্রামের সাতকানিয়ায় চট্টগ্রাম-কক্সবাজার মহাসড়ক এখন ৬ লেনের দাবি নিয়ে স্থানীয়রা ব্লকেড কর্মসূচি পালন করছে। রোববার (৩০ নভেম্বর) সকাল ৯টার দিকে তারা কেরানিহাট এলাকার সড়কে জড়ো হয় এবং সেখানে অবস্থান নেয়। এর ফলে সড়কে যান চলাচল সম্পূর্ণ বন্ধ হয়ে যায়। এই সময় আন্দোলনকারীরা ৬ লেনের দাবিতে বিভিন্ন স্লোগান দিতে থাকেন। বক্তারা বলেন, এই মহাসড়কটি এখন মৃত্যুফাঁদে পরিণত হয়েছে। প্রায়ই কোথাও না কোথাও ভয়াবহ দুর্ঘটনা ঘটে—সংবাদপত্র খুললেই তার প্রমাণ পাওয়া যায়। আর আমরা এই পরিস্থিতি আর দেখতে চাই না। বারবার অনুরোধ ও দাবি জানানো সত্ত্বেও এখনো কার্যকর কোনো পদক্ষেপ দেখা যায়নি। ফলে বাধ্য হয়ে এই ব্লকেড কর্মসূচি চালাতে হচ্ছে। তারা আরও বলেন, এই সড়ক শুধু স্থানীয় মানুষই ব্যবহার করেন না। এটি দেশের অর্থনীতি, পর্যটন ও রোহিঙ্গা জনগোষ্ঠীর মানবিক ত্রাণ পৌঁছানোর জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। প্রতিদিন লক্ষ লক্ষ মানুষ কক্সবাজারে যান। কিন্তু দেশের অন্যতম ব্যস্ত এই মহাসড়কটি অনেক জায়গায় পাড়ার গলির চেয়েও সরু। জাঙ্গালিয়ার মতো কিছু অংশে রাস্তা ঢালু ও আঁকাবাঁকা। আবার রাতে লবণের ট্রাক চলাচলের কারণে রাস্তা পিচ্ছিল হয়ে যায় এবং দুর্ঘটনার আশঙ্কা বাড়ে। প্রত্যেকটি দুর্ঘটনার পর কর্তৃপক্ষের কাছ থেকে সড়ক প্রশস্ত করার আশ্বাস দেওয়া হলেও বাস্তবে কোনো কার্যকর উদ্যোগ দেখা যায়নি। এর আগে একই দাবিতে ৬ এপ্রিল নগরীর জেলা প্রশাসক কার্যালয়ের সামনে মানববন্ধনের আয়োজনে আন্দোলন চালানো হয় এবং প্রধান উপদেষ্টার কাছে স্মারকলিপি পাঠানো হয়। এরপর ১১ এপ্রিল অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের সড়ক ও যোগাযোগ মন্ত্রণালয়ের উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ফাওজুল কবির খানের কাছে আবারও স্মারকলিপি দেওয়া হয়।


প্রিন্ট

নিউজটি শেয়ার করুন

চট্টগ্রাম–কক্সবাজার মহাসড়ক অবরোধ

আপডেট সময় ১৭ ঘন্টা আগে

চট্টগ্রামের সাতকানিয়ায় চট্টগ্রাম-কক্সবাজার মহাসড়ক এখন ৬ লেনের দাবি নিয়ে স্থানীয়রা ব্লকেড কর্মসূচি পালন করছে। রোববার (৩০ নভেম্বর) সকাল ৯টার দিকে তারা কেরানিহাট এলাকার সড়কে জড়ো হয় এবং সেখানে অবস্থান নেয়। এর ফলে সড়কে যান চলাচল সম্পূর্ণ বন্ধ হয়ে যায়। এই সময় আন্দোলনকারীরা ৬ লেনের দাবিতে বিভিন্ন স্লোগান দিতে থাকেন। বক্তারা বলেন, এই মহাসড়কটি এখন মৃত্যুফাঁদে পরিণত হয়েছে। প্রায়ই কোথাও না কোথাও ভয়াবহ দুর্ঘটনা ঘটে—সংবাদপত্র খুললেই তার প্রমাণ পাওয়া যায়। আর আমরা এই পরিস্থিতি আর দেখতে চাই না। বারবার অনুরোধ ও দাবি জানানো সত্ত্বেও এখনো কার্যকর কোনো পদক্ষেপ দেখা যায়নি। ফলে বাধ্য হয়ে এই ব্লকেড কর্মসূচি চালাতে হচ্ছে। তারা আরও বলেন, এই সড়ক শুধু স্থানীয় মানুষই ব্যবহার করেন না। এটি দেশের অর্থনীতি, পর্যটন ও রোহিঙ্গা জনগোষ্ঠীর মানবিক ত্রাণ পৌঁছানোর জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। প্রতিদিন লক্ষ লক্ষ মানুষ কক্সবাজারে যান। কিন্তু দেশের অন্যতম ব্যস্ত এই মহাসড়কটি অনেক জায়গায় পাড়ার গলির চেয়েও সরু। জাঙ্গালিয়ার মতো কিছু অংশে রাস্তা ঢালু ও আঁকাবাঁকা। আবার রাতে লবণের ট্রাক চলাচলের কারণে রাস্তা পিচ্ছিল হয়ে যায় এবং দুর্ঘটনার আশঙ্কা বাড়ে। প্রত্যেকটি দুর্ঘটনার পর কর্তৃপক্ষের কাছ থেকে সড়ক প্রশস্ত করার আশ্বাস দেওয়া হলেও বাস্তবে কোনো কার্যকর উদ্যোগ দেখা যায়নি। এর আগে একই দাবিতে ৬ এপ্রিল নগরীর জেলা প্রশাসক কার্যালয়ের সামনে মানববন্ধনের আয়োজনে আন্দোলন চালানো হয় এবং প্রধান উপদেষ্টার কাছে স্মারকলিপি পাঠানো হয়। এরপর ১১ এপ্রিল অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের সড়ক ও যোগাযোগ মন্ত্রণালয়ের উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ফাওজুল কবির খানের কাছে আবারও স্মারকলিপি দেওয়া হয়।


প্রিন্ট