, সোমবার, ০১ ডিসেম্বর ২০২৫, ১৬ অগ্রহায়ণ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
নোটিশ :
সংবাদের বিষয়ে কিছু জানাতে ইমেইল করুন [email protected] ঠিকানায়

৬ লেনের দাবিতে অবরোধ, প্রশাসনের আশ্বাসে প্রত্যাহার

নিউজ ডেস্ক
  • আপডেট সময় ১৫ ঘন্টা আগে
  • / ৬ বার পড়া হয়েছে

প্রশাসনের আশ্বাসে ছয় লেনের দাবি নিয়ে চট্টগ্রাম-কক্সবাজার মহাসড়ক বন্ধের কার্যক্রম থেকে স্থানীয়রা প্রত্যাহার করে নিয়েছেন। রোববার (৩০ নভেম্বর) দুপুরের একটু পরে এই অবরোধ তুলে নেওয়া হয়। এর আগে সকাল নয়টার দিকে বিক্ষোভকারীরা সাতকানিয়া উপজেলার কেরানিহাট, লোহাগাড়া উপজেলা সদর এবং চকরিয়া পৌরসভার এলাকায় সড়কে অবস্থান নেন। এতে সড়কটি অবরুদ্ধ হয় এবং যান চলাচল বন্ধ হয়ে যায়। তখন বিক্ষোভকারীরা ছয় লেনের দাবিতে বিভিন্ন স্লোগান দিতে থাকেন। কিছু সময় পরে ঘটনাস্থলে পৌঁছায় বিভিন্ন উপজেলার প্রশাসনের কর্মকর্তারা। এর আগে অবরোধের সময় বিক্ষোভকারীরা বলেন, এই মহাসড়কটি এখন মৃত্যুপুরীতে পরিণত হয়েছে। প্রায় প্রতিদিনই এই রাস্তা দিয়ে ভয়ঙ্কর দুর্ঘটনা ঘটে—সংবাদপত্র খুললেই এর প্রমাণ পাওয়া যায়। আমরা এই পরিস্থিতি আর দেখতে চাই না। বারবার দাবি ও অনুরোধ জানালেও কোনো কার্যকর পদক্ষেপ দেখা যায়নি। তাই আমরা বাধ্য হয়ে এই কর্মসূচি বাস্তবায়ন করছি। তারা আরও বলেন, এই রাস্তা শুধু স্থানীয়রা ব্যবহার করে না। এটি দেশের অর্থনীতি, পর্যটন ও রোহিঙ্গা জনগোষ্ঠীর মানবিক ত্রাণ পৌঁছানোর জন্য খুবই গুরুত্বপূর্ণ। প্রতিদিন লক্ষ লক্ষ মানুষ কক্সবাজারে আসান। তবে এই ব্যস্ত সড়কটির অনেক অংশ পাড়ার গলির চেয়ে অনেক সরু। জাঙ্গালিয়ার মতো কিছু অংশ ঢালু ও আঁকাবাঁকা। আবার রাতে লবণের ট্রাক চলাচলের কারণে রাস্তা পিচ্ছিল হয়ে যায় এবং দুর্ঘটনার ঝুঁকি বেড়ে যায়। প্রতিটি দুর্ঘটনার পর কর্তৃপক্ষের পক্ষ থেকে সড়ক প্রশস্ত করার আশ্বাস দেওয়া হলেও বাস্তবে কোনো উদ্যোগ দেখা যায় না। প্রসঙ্গত, এর আগে একই দাবিতে ৬ এপ্রিল নগরীর জেলা প্রশাসক কার্যালয়ের সামনে মানববন্ধন পালন করে পরে প্রধান উপদেষ্টার কাছে স্মারকলিপি দেওয়া হয়। এরপর ১১ এপ্রিল অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের সড়ক ও যোগাযোগ মন্ত্রণালয়ের উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ফাওজুল কবির খানের কাছে আবারও স্মারকলিপি প্রদান করা হয়।


প্রিন্ট

নিউজটি শেয়ার করুন

৬ লেনের দাবিতে অবরোধ, প্রশাসনের আশ্বাসে প্রত্যাহার

আপডেট সময় ১৫ ঘন্টা আগে

প্রশাসনের আশ্বাসে ছয় লেনের দাবি নিয়ে চট্টগ্রাম-কক্সবাজার মহাসড়ক বন্ধের কার্যক্রম থেকে স্থানীয়রা প্রত্যাহার করে নিয়েছেন। রোববার (৩০ নভেম্বর) দুপুরের একটু পরে এই অবরোধ তুলে নেওয়া হয়। এর আগে সকাল নয়টার দিকে বিক্ষোভকারীরা সাতকানিয়া উপজেলার কেরানিহাট, লোহাগাড়া উপজেলা সদর এবং চকরিয়া পৌরসভার এলাকায় সড়কে অবস্থান নেন। এতে সড়কটি অবরুদ্ধ হয় এবং যান চলাচল বন্ধ হয়ে যায়। তখন বিক্ষোভকারীরা ছয় লেনের দাবিতে বিভিন্ন স্লোগান দিতে থাকেন। কিছু সময় পরে ঘটনাস্থলে পৌঁছায় বিভিন্ন উপজেলার প্রশাসনের কর্মকর্তারা। এর আগে অবরোধের সময় বিক্ষোভকারীরা বলেন, এই মহাসড়কটি এখন মৃত্যুপুরীতে পরিণত হয়েছে। প্রায় প্রতিদিনই এই রাস্তা দিয়ে ভয়ঙ্কর দুর্ঘটনা ঘটে—সংবাদপত্র খুললেই এর প্রমাণ পাওয়া যায়। আমরা এই পরিস্থিতি আর দেখতে চাই না। বারবার দাবি ও অনুরোধ জানালেও কোনো কার্যকর পদক্ষেপ দেখা যায়নি। তাই আমরা বাধ্য হয়ে এই কর্মসূচি বাস্তবায়ন করছি। তারা আরও বলেন, এই রাস্তা শুধু স্থানীয়রা ব্যবহার করে না। এটি দেশের অর্থনীতি, পর্যটন ও রোহিঙ্গা জনগোষ্ঠীর মানবিক ত্রাণ পৌঁছানোর জন্য খুবই গুরুত্বপূর্ণ। প্রতিদিন লক্ষ লক্ষ মানুষ কক্সবাজারে আসান। তবে এই ব্যস্ত সড়কটির অনেক অংশ পাড়ার গলির চেয়ে অনেক সরু। জাঙ্গালিয়ার মতো কিছু অংশ ঢালু ও আঁকাবাঁকা। আবার রাতে লবণের ট্রাক চলাচলের কারণে রাস্তা পিচ্ছিল হয়ে যায় এবং দুর্ঘটনার ঝুঁকি বেড়ে যায়। প্রতিটি দুর্ঘটনার পর কর্তৃপক্ষের পক্ষ থেকে সড়ক প্রশস্ত করার আশ্বাস দেওয়া হলেও বাস্তবে কোনো উদ্যোগ দেখা যায় না। প্রসঙ্গত, এর আগে একই দাবিতে ৬ এপ্রিল নগরীর জেলা প্রশাসক কার্যালয়ের সামনে মানববন্ধন পালন করে পরে প্রধান উপদেষ্টার কাছে স্মারকলিপি দেওয়া হয়। এরপর ১১ এপ্রিল অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের সড়ক ও যোগাযোগ মন্ত্রণালয়ের উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ফাওজুল কবির খানের কাছে আবারও স্মারকলিপি প্রদান করা হয়।


প্রিন্ট