, সোমবার, ০১ ডিসেম্বর ২০২৫, ১৬ অগ্রহায়ণ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
নোটিশ :
সংবাদের বিষয়ে কিছু জানাতে ইমেইল করুন [email protected] ঠিকানায়

নোয়াখালীতে আনসার ভিডিপি ব্যাংকের টাকা আত্মসাৎ, ব্যবস্থাপক গ্রেপ্তার

নিউজ ডেস্ক
  • আপডেট সময় ৯ ঘন্টা আগে
  • / ৪ বার পড়া হয়েছে

নোয়াখালীতে নামে-বেনামে ঋণ বিতরণের অভিযোগে ৯ কোটি টাকার বেশি অর্থ হাতিয়ে নেওয়ার মূল অভিযুক্ত আলমগীর হোসেন নামে একজনকে র‍্যাব গ্রেপ্তার করেছে। তিনি সেনবাগ ও দত্তেরহাট শাখার সাবেক ব্যবস্থাপক (ম্যানেজার) ছিলেন। রোববার (৩০ নভেম্বর) তাকে দুদকের নোয়াখালী কার্যালয়ের তদন্ত দলের কাছে হস্তান্তর করা হয়। এর আগে, শনিবার রাত সাড়ে ৯টার দিকে চট্টগ্রামের একটি বাসা থেকে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়। অভিযোগ, ঋণগ্রহীতাদের বেশিরভাগের প্রকৃত অস্তিত্ব না থাকায়, ভুয়া পরিচয়পত্র ও মোবাইল নম্বর ব্যবহার করে, গ্রাহকদের না জানিয়ে তাদের নামে ঋণ তুলে ব্যাংকের দুটি শাখা থেকে ৯ কোটি টাকার বেশি অর্থ আত্মসাৎ করে পালিয়ে ছিলেন তিনি। দুদকের এনফোর্সমেন্ট ইউনিটের ২০ অক্টোবরের অভিযানে রেকর্ডপত্র সংগ্রহ ও যাচাই করে অসংখ্য অনিয়ম ও জালিয়াতির স্পষ্ট প্রমাণ পাওয়া যায়। ব্যাংকের অভ্যন্তরীণ তদন্তেও বিষয়টির সত্যতা নিশ্চিত হয়। এর ভিত্তিতে নোয়াখালী স্পেশাল জজ আদালতে দুদকের পক্ষ থেকে আলাদা দুটি মামলা দায়ের করা হয়। চলতি বছরের অক্টোবর মাসে বিষয়টি প্রকাশ পেলে, তার বিরুদ্ধে প্রায় ৯ কোটি টাকা আত্মসাতের অভিযোগে দুদক পৃথক দুটি মামলা করে। এই মামলার সূত্রে অভিযুক্ত কর্মকর্তা মোহাম্মদ আলমগীরকে চট্টগ্রাম থেকে গ্রেপ্তার করে র‍্যাব-১১। দুদকের নোয়াখালী জেলা কার্যালয়ের উপপরিচালক মো. ফারুক আহমেদ বলেন, ব্যাংকের দুটি শাখা থেকে ৯ কোটি টাকার বেশি অর্থ আত্মসাৎ ঘটানোর অভিযোগে আলমগীর হোসেনের বিরুদ্ধে দুটি মামলা রয়েছে। তাকে র‍্যাবের সহায়তায় গ্রেপ্তার করে আদালতে হাজির করা হয়। বাংলাদেশ আনসার ও গ্রাম প্রতিরক্ষা বাহিনীর নোয়াখালীর উপপরিচালক ও জেলা কমান্ড্যান্ট মো. সুজন মিয়া জানান, আলমগীর হোসেন বিভিন্ন সদস্যের নামে ঋণ দেখিয়ে অর্থ আত্মসাৎ করেছেন। বিষয়টি দুদক ও ব্যাংকের অভ্যন্তরীণ তদন্তেও উঠে এসেছে।


প্রিন্ট

নিউজটি শেয়ার করুন

নোয়াখালীতে আনসার ভিডিপি ব্যাংকের টাকা আত্মসাৎ, ব্যবস্থাপক গ্রেপ্তার

আপডেট সময় ৯ ঘন্টা আগে

নোয়াখালীতে নামে-বেনামে ঋণ বিতরণের অভিযোগে ৯ কোটি টাকার বেশি অর্থ হাতিয়ে নেওয়ার মূল অভিযুক্ত আলমগীর হোসেন নামে একজনকে র‍্যাব গ্রেপ্তার করেছে। তিনি সেনবাগ ও দত্তেরহাট শাখার সাবেক ব্যবস্থাপক (ম্যানেজার) ছিলেন। রোববার (৩০ নভেম্বর) তাকে দুদকের নোয়াখালী কার্যালয়ের তদন্ত দলের কাছে হস্তান্তর করা হয়। এর আগে, শনিবার রাত সাড়ে ৯টার দিকে চট্টগ্রামের একটি বাসা থেকে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়। অভিযোগ, ঋণগ্রহীতাদের বেশিরভাগের প্রকৃত অস্তিত্ব না থাকায়, ভুয়া পরিচয়পত্র ও মোবাইল নম্বর ব্যবহার করে, গ্রাহকদের না জানিয়ে তাদের নামে ঋণ তুলে ব্যাংকের দুটি শাখা থেকে ৯ কোটি টাকার বেশি অর্থ আত্মসাৎ করে পালিয়ে ছিলেন তিনি। দুদকের এনফোর্সমেন্ট ইউনিটের ২০ অক্টোবরের অভিযানে রেকর্ডপত্র সংগ্রহ ও যাচাই করে অসংখ্য অনিয়ম ও জালিয়াতির স্পষ্ট প্রমাণ পাওয়া যায়। ব্যাংকের অভ্যন্তরীণ তদন্তেও বিষয়টির সত্যতা নিশ্চিত হয়। এর ভিত্তিতে নোয়াখালী স্পেশাল জজ আদালতে দুদকের পক্ষ থেকে আলাদা দুটি মামলা দায়ের করা হয়। চলতি বছরের অক্টোবর মাসে বিষয়টি প্রকাশ পেলে, তার বিরুদ্ধে প্রায় ৯ কোটি টাকা আত্মসাতের অভিযোগে দুদক পৃথক দুটি মামলা করে। এই মামলার সূত্রে অভিযুক্ত কর্মকর্তা মোহাম্মদ আলমগীরকে চট্টগ্রাম থেকে গ্রেপ্তার করে র‍্যাব-১১। দুদকের নোয়াখালী জেলা কার্যালয়ের উপপরিচালক মো. ফারুক আহমেদ বলেন, ব্যাংকের দুটি শাখা থেকে ৯ কোটি টাকার বেশি অর্থ আত্মসাৎ ঘটানোর অভিযোগে আলমগীর হোসেনের বিরুদ্ধে দুটি মামলা রয়েছে। তাকে র‍্যাবের সহায়তায় গ্রেপ্তার করে আদালতে হাজির করা হয়। বাংলাদেশ আনসার ও গ্রাম প্রতিরক্ষা বাহিনীর নোয়াখালীর উপপরিচালক ও জেলা কমান্ড্যান্ট মো. সুজন মিয়া জানান, আলমগীর হোসেন বিভিন্ন সদস্যের নামে ঋণ দেখিয়ে অর্থ আত্মসাৎ করেছেন। বিষয়টি দুদক ও ব্যাংকের অভ্যন্তরীণ তদন্তেও উঠে এসেছে।


প্রিন্ট