খালেদা জিয়া ও তারেক রহমানকে নিয়ে সুখবর দিলেন তথ্য উপদেষ্টা
ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় সাবেক ইউপি সদস্যের গলাকাটা মরদেহ উদ্ধার
শ্রীলঙ্কায় ভয়াবহ বন্যায় মৃতের সংখ্যা অন্তত ১৯৩
ইসরায়েলি প্রেসিডেন্টের কাছে ক্ষমা চাইলেন নেতানিয়াহু
হাসপাতালে খালেদা জিয়াকে দেখতে গেলেন তামিম ইকবাল
নোয়াখালীতে খালেদা জিয়ার সুস্থতা কামনায় কোরআন খতম ও দোয়া
মসজিদে বিয়ে ও সমালোচনা নিয়ে মুখ খুললেন শবনম ফারিয়া
দেশে বাড়লো সব ধরনের জ্বালানি তেলের দাম
ইসরায়েলি হামলার গাজায় নিহত ৭০ হাজারের বেশি
খাদ্য অধিদপ্তরের পরীক্ষার প্রশ্নপত্র ফাঁস
১২০৮ কোটি টাকার অস্বাভাবিক লেনদেন, সাবেক এমপির ব্যাংক হিসাব ফ্রিজ
- আপডেট সময় ০৮:৩৭ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৩০ অক্টোবর ২০২৫
- / ২০ বার পড়া হয়েছে
সিরাজগঞ্জ-১ আসনের সাবেক সংসদ সদস্য তানভির শাকিল জয় ও তার আত্মীয়-স্বজন ও সংস্থাগুলির নামে থাকা বিভিন্ন ব্যাংক হিসাবের মাধ্যমে ১ হাজার ২০৮ কোটি টাকার অস্বাভাবিক লেনদেনের তথ্য পেয়েছে পুলিশী অপরাধ তদন্ত বিভাগ (সিআইডি)। সংশ্লিষ্ট ব্যাংক হিসাবগুলোতে বর্তমানে ৩ কোটি ২৮ লাখ টাকা জব্দ বা ফ্রিজ করা হয়েছে সিআইডির ফাইন্যান্সিয়াল ক্রাইম ইউনিটের পক্ষ থেকে। বৃহস্পতিবার (৩০ অক্টোবর) সিআইডির স্পেশাল পুলিশ সুপার (মিডিয়া) জসীম উদ্দিন খান এ বিষয়টি নিশ্চিত করেন। তিনি জানান, আদালতের নির্দেশনায় তানভির শাকিল জয়, তার মা লায়লা আরজুমান্দ বানু, স্ত্রী সাবরিনা সুলতানা চৌধুরী এবং অন্য সদস্যদের বিভিন্ন ব্যাংকে থাকা মোট ৩ কোটি ২৮ লাখ টাকা জব্দ করা হয়েছে। প্রাথমিক তদন্তের ভিত্তিতে জসীম উদ্দিন খান বলেন, তানভির শাকিল জয় প্রতারণা, জালিয়াতি, চাঁদাবাজি, সংঘবদ্ধ অপরাধ এবং বিদেশে অর্থ পাচারের মাধ্যমে এই বিপুল পরিমাণ অর্থ উপার্জন করেছেন। তিনি আরও বলেন, তানভির শাকিল জয়, তার স্ত্রী সাবরিনা সুলতানা চৌধুরী, মা লায়লা আরজুমান্দ বানু, ভাই তমাল মনসুর ও পরিবারের অন্যান্য সদস্যদের নামে মোট ৯৬টি ব্যাংক হিসাব রয়েছে। এই হিসাবগুলো খোলার সময় থেকে বিবরণী বিশ্লেষণ করে দেখা গেছে, এই অ্যাকাউন্টগুলোতে ১ হাজার ২০৮ কোটি টাকার অস্বাভাবিক লেনদেন হয়েছে। তানভির শাকিল জয় ও তার ভাই তমাল মনসুর ক্ষমতার অপব্যবহার করে বিভিন্ন প্রকল্পে জাল tender, চাঁদাবাজি, বালু উত্তোলন ও নিয়োগ বাণিজ্যের মাধ্যমে অপ্রদর্শিত সম্পদ অর্জন করেছেন বলে প্রাথমিক তদন্তে জানা গেছে। এই অবৈধ অর্থ দেশের বাইরে পাচার করার পাশাপাশি তার পরিবারের সদস্যদের নামে স্থাবর ও অস্থাবর সম্পদ হিসেবে বিনিয়োগ করা হয়েছে বলে ধারণা করা হচ্ছে। সিআইডি জানায়, বর্তমানে ফাইন্যান্সিয়াল ক্রাইম ইউনিট অভিযুক্ত ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে মানিলন্ডারিং (অর্থপাচার) অনুসন্ধান চালাচ্ছে। এই অনুসন্ধান চলমান রয়েছে এবং অভিযোগে জড়িত ব্যক্তিদের নামে দেশের বিভিন্ন স্থানে স্থাবর-অস্থাবর সম্পত্তির সন্ধান করা হচ্ছে। অপরাধের পুরো বিষয়টি উদঘাটনের জন্য, অন্য সদস্যদের শনাক্ত ও গ্রেপ্তার করার জন্য সিআইডির তদন্ত ও অভিযান অব্যাহত রয়েছে।
প্রিন্ট

















