খালেদা জিয়া ও তারেক রহমানকে নিয়ে সুখবর দিলেন তথ্য উপদেষ্টা
ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় সাবেক ইউপি সদস্যের গলাকাটা মরদেহ উদ্ধার
শ্রীলঙ্কায় ভয়াবহ বন্যায় মৃতের সংখ্যা অন্তত ১৯৩
ইসরায়েলি প্রেসিডেন্টের কাছে ক্ষমা চাইলেন নেতানিয়াহু
হাসপাতালে খালেদা জিয়াকে দেখতে গেলেন তামিম ইকবাল
নোয়াখালীতে খালেদা জিয়ার সুস্থতা কামনায় কোরআন খতম ও দোয়া
মসজিদে বিয়ে ও সমালোচনা নিয়ে মুখ খুললেন শবনম ফারিয়া
দেশে বাড়লো সব ধরনের জ্বালানি তেলের দাম
ইসরায়েলি হামলার গাজায় নিহত ৭০ হাজারের বেশি
খাদ্য অধিদপ্তরের পরীক্ষার প্রশ্নপত্র ফাঁস
যুবদল নেতা কিবরিয়া হত্যায় পাতা সোহেল ও সুজন গ্রেপ্তার
- আপডেট সময় ১২:৩৩ অপরাহ্ন, বুধবার, ১৯ নভেম্বর ২০২৫
- / ২১ বার পড়া হয়েছে
পল্লবী থানার যুবদলের সদস্য সচিব গোলাম কিবরিয়ার হত্যাকাণ্ডের সঙ্গে সরাসরি জড়িত থাকা সন্ত্রাসী পাতাসোহেল ও ওরফে মনির হোসেন ও সুজনকে র্যাব-৪ গ্রেপ্তার করেছে। মঙ্গলবার (১৮ নভেম্বর) রাতে সাভার ও টঙ্গী থেকে তাদের আটক করা হয়। র্যাব-৪ এর মিডিয়া অফিসার মেজর মোহাম্মদ আবরার ফয়সাল সাদী এ বিষয়ে নিশ্চিত করেছেন। তিনি আরও জানান, এই বিষয়ে বুধবার (১৯ নভেম্বর) বিকেল ৩টায় কারওয়ান বাজারের র্যাব মিডিয়া সেন্টারে সংবাদ সম্মেলনে বিস্তারিত তুলে ধরা হবে, যেখানে র্যাব-৪ এর অধিনায়ক লে. কর্নেল মো. মাহবুব আলম উপস্থিত থাকবেন।
সোমবার (১৭ নভেম্বর) সন্ধ্যার প্রায় সাড়ে ছয়টার দিকে হেলমেট ও মুখোশ পরা তিনজন অস্ত্রধারী সন্ত্রাসী মিরপুর ১২ নম্বরের বি ব্লকে ‘বিক্রমপুর হার্ডওয়্যার অ্যান্ড স্যানিটারি’ দোকানে প্রবেশ করে খুব কাছ থেকে গুলি করে পল্লবী থানার যুবদলের সদস্য সচিব কিবরিয়াকে হত্যা করে।
এই ঘটনাটির পরে অপরাধীরা পালিয়ে যাওয়ার সময় ব্যাটারিচালিত অটোরিকশায় উঠে, কিন্তু দ্রুত না চালানোর জন্য চালক আরিফ হোসেনের (১৮) কোমরে গুলি করে। আহত অবস্থায় তাকে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। অন্যদিকে, গুলিতে আহত কিবরিয়াকে শেরেবাংলা নগরের শহীদ সোহরাওয়ার্দী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে গেলে চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন। ঘটনার সময় স্থানীয় বাসিন্দারা জনি ভূঁইয়া (২৫) নামে এক ব্যক্তিকে আটক করে পুলিশে সোপর্দ করে।
অভিযোগে কিবরিয়ার স্ত্রী সাবিহা আক্তার বা দীনা পল্লবী থানায় হত্যা মামলা দায়ের করেন। মামলায় জনিসহ মোট পাঁচজনের নাম উল্লেখ করা হয়েছে। অন্য অভিযুক্তরা হলেন সোহেল ও ওরফে পাতা সোহেল ওরফে মনির হোসেন (৩০), সোহাগ ওরফে কালু (২৭), মাসুম ওরফে ভাগিনা মাসুম (২৮) ও রোকন (৩০)। এছাড়া অজ্ঞাত পরিচয় আরও সাত-আটজন এই হত্যাকাণ্ডের সঙ্গে জড়িত বলে মামলায় উল্লেখ করা হয়েছে। পল্লবী থানার পুলিশ এই মামলার তদন্ত চালাচ্ছে। দোকানের সিসিটিভি ক্যামেরার ফুটেজে দেখা যায়, কিবরিয়া দোকানে ঢোকার দুই-তিন সেকেন্ডের মধ্যে কয়েকজন দুর্বৃত্ত ভিতরে প্রবেশ করে তাকে গুলি করতে শুরু করে। একজনের পোশাক পাঞ্জাবি ও অন্য দুজনের শার্ট ছিল। প্রত্যেকের মাথায় হেলমেট ও মুখোশ ছিল। সেই সময় দোকানে মোট নয়জন ছিলেন। দুর্বৃত্তদের একজন কিবরিয়াকে গুলি করতে শুরু করলে দোকানে থাকা অন্যান্যরা ভয়ে বেরিয়ে যায়। কিবরিয়াকে দুজন গুলি করে। এই সময় সম্পূর্ণ মাটিতে লুটিয়ে পড়লে অপর একজন আরও তিনটি গুলি চালায় এবং দ্রুত বেরিয়ে যায়।
প্রিন্ট

















