, সোমবার, ০১ ডিসেম্বর ২০২৫, ১৬ অগ্রহায়ণ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
নোটিশ :
সংবাদের বিষয়ে কিছু জানাতে ইমেইল করুন [email protected] ঠিকানায়

খুলনায় ৩৩ লাখ টাকার প্রকল্পে ২৬ লাখ টাকার অনিয়ম

নিউজ ডেস্ক
  • আপডেট সময় ১১:৩৮ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২১ জানুয়ারী ২০২৫
  • / ৪০৪ বার পড়া হয়েছে

খুলনার জোড়াগেট এলাকায় পানি উন্নয়ন বোর্ডের ওয়ার্কশপে ৩৩ লাখ টাকার প্রকল্পে ২৬ লাখ টাকার অনিয়মের অভিযোগ পাওয়া গেছে। মঙ্গলবার (২১ জানুয়ারি) দুপুরে দুদক কর্মকর্তারা এই ওয়ার্কশপে অভিযান চালিয়ে সিভিল ও মেকানিক্যাল কাজের মধ্যে ব্যাপক অনিয়মের প্রমাণ পান।

এ সময় দুদক কর্মকর্তারা জানায়, প্রকল্পের কাজের মধ্যে মানহীন ও নিম্নমানের সরঞ্জাম ব্যবহারের পাশাপাশি কাজ শেষ হওয়ার আগেই ঠিকাদারকে বিল প্রদান করা হয়েছে। আরও অবৈধ কাজের প্রমাণ পাওয়া গেছে, যেমন পরিত্যক্ত গোডাউন থেকে ইট প্রকল্পে ব্যবহার এবং স্ক্রাব মালামাল কালো বাজারে বিক্রির প্রস্তুতি।

দুদকের খুলনা উপপরিচালক মো. আব্দুল ওয়াদুদ কালবেলা বলেন, ৩৩ লাখ টাকার প্রকল্পের মধ্যে ২৬ থেকে ২৭ লাখ টাকার মেকানিক্যাল কাজের কোনো প্রমাণ পাওয়া যায়নি, এবং মেরামতের কাজের মধ্যে ছিল ব্যাপক অনিয়ম। এ ব্যাপারে আইনি ব্যবস্থা নেওয়ার প্রস্তুতি চলছে এবং অভিযানে উপস্থিত ছিলেন দুদকের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাগণ ও গণপূর্ত ও সড়ক বিভাগের প্রকৌশলীরা।

 


প্রিন্ট

নিউজটি শেয়ার করুন

খুলনায় ৩৩ লাখ টাকার প্রকল্পে ২৬ লাখ টাকার অনিয়ম

আপডেট সময় ১১:৩৮ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২১ জানুয়ারী ২০২৫

খুলনার জোড়াগেট এলাকায় পানি উন্নয়ন বোর্ডের ওয়ার্কশপে ৩৩ লাখ টাকার প্রকল্পে ২৬ লাখ টাকার অনিয়মের অভিযোগ পাওয়া গেছে। মঙ্গলবার (২১ জানুয়ারি) দুপুরে দুদক কর্মকর্তারা এই ওয়ার্কশপে অভিযান চালিয়ে সিভিল ও মেকানিক্যাল কাজের মধ্যে ব্যাপক অনিয়মের প্রমাণ পান।

এ সময় দুদক কর্মকর্তারা জানায়, প্রকল্পের কাজের মধ্যে মানহীন ও নিম্নমানের সরঞ্জাম ব্যবহারের পাশাপাশি কাজ শেষ হওয়ার আগেই ঠিকাদারকে বিল প্রদান করা হয়েছে। আরও অবৈধ কাজের প্রমাণ পাওয়া গেছে, যেমন পরিত্যক্ত গোডাউন থেকে ইট প্রকল্পে ব্যবহার এবং স্ক্রাব মালামাল কালো বাজারে বিক্রির প্রস্তুতি।

দুদকের খুলনা উপপরিচালক মো. আব্দুল ওয়াদুদ কালবেলা বলেন, ৩৩ লাখ টাকার প্রকল্পের মধ্যে ২৬ থেকে ২৭ লাখ টাকার মেকানিক্যাল কাজের কোনো প্রমাণ পাওয়া যায়নি, এবং মেরামতের কাজের মধ্যে ছিল ব্যাপক অনিয়ম। এ ব্যাপারে আইনি ব্যবস্থা নেওয়ার প্রস্তুতি চলছে এবং অভিযানে উপস্থিত ছিলেন দুদকের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাগণ ও গণপূর্ত ও সড়ক বিভাগের প্রকৌশলীরা।

 


প্রিন্ট