, সোমবার, ০১ ডিসেম্বর ২০২৫, ১৬ অগ্রহায়ণ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
নোটিশ :
সংবাদের বিষয়ে কিছু জানাতে ইমেইল করুন [email protected] ঠিকানায়

ভিয়েতনামে বন্যা ও ভূমিধসে অন্তত ৯০ জনের মৃত্যু

নিউজ ডেস্ক
  • আপডেট সময় ০৫:১৬ অপরাহ্ন, সোমবার, ২৪ নভেম্বর ২০২৫
  • / ১৭ বার পড়া হয়েছে

অসংখ্য দিনের ভারী বর্ষণের ফলে সৃষ্টি হওয়া বন্যা এবং ভূমিধসে ভিয়েতনামে কমপক্ষে ৯০ জনের মৃত্যু হয়েছে। নিখোঁজ রয়েছেন আরও ১২ জন। সরকারের তথ্য অনুযায়ী, দেশের প্রায় এক লাখ ছয়াশ হাজারের বেশি বাড়ি ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে এবং বন্যার পানিতে ডুবে গেছে ত্রিশ লাখের বেশি গবাদিপশু। ক্ষতির পরিমাণ কয়েকশো মিলিয়ন পাউন্ডের সমান বলে ধারণা করছে সংশ্লিষ্টরা। সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে দাক লাক প্রদেশ, যেখানে ১৬ নভেম্বর থেকে এখন পর্যন্ত ষাটের বেশি প্রাণহানি ঘটেছে এএফপি এর রিপোর্টে বলা হয়েছে। সম্প্রতি কয়েক সপ্তাহের মধ্যে দুটি টাইফুন—‘কালমেঘি’ ও ‘বুআলোই’—আঘাত হানার পর এই নতুন বন্যা দেশটিতে চরম দুর্যোগের সৃষ্টি করেছে। রোববার সকালে প্রায় দুই লাখ পঁচাশি হাজার মানুষ বিদ্যুৎবিহীন হয়ে পড়ে এবং গুরুত্বপূর্ণ মহাসড়ক ও রেলপথের বিভিন্ন অংশ পানিতে ডুবে যায়। ক্ষতিগ্রস্ত এলাকাগুলোতে সেনা ও পুলিশ উদ্ধারকার্য চালাচ্ছে। সরকার জানিয়েছে, দক্ষিণ এবং দক্ষিণ-মধ্যাঞ্চলের পাঁচটি প্রদেশ—কুয়াং ন্যাই, জিয়া লাই, দাক লাক, খান হোয়া ও লাম ডং—সবচেয়ে বেশি বিপদের মুখে রয়েছে। দাক লাকের একজন কৃষক মাখ ভ্যান সি বলেন, ‘‘আমাদের পুরো পাড়া ধ্বংস হয়ে গেছে। কিছুই অবশিষ্ট নেই। সবকিছু কাদা ও পানির নিচে।’’ জি-২০ সম্মেলনে অংশগ্রহণকারী ভিয়েতনামের প্রধানমন্ত্রী ফাম মিন চিন রোববার সকালে ভার্চুয়াল জরুরি বৈঠক করেন। শুক্রবারের পর থেকে অনেক এলাকায় বৃষ্টিপাত ১.৫ মিটার ছাড়িয়েছে, কোথাও কোথাও ১৯৯৩ সালের পর সর্বোচ্চ ৫.২ মিটারও রেকর্ড হয়েছে। আগামী কয়েক দিন বৃষ্টির পরিমাণ কমে আসতে পারে বলে পূর্বাভাস দেওয়া হয়েছে। বিজ্ঞানীরা মনে করছেন, জলবায়ু পরিবর্তনের কারণে ভিয়েতনাম ধীরে ধীরে আরও প্রবল এবং ঘনঘন চরম আবহাওয়ার শিকার হচ্ছে। সূত্র: বিবিসি


প্রিন্ট

নিউজটি শেয়ার করুন

ভিয়েতনামে বন্যা ও ভূমিধসে অন্তত ৯০ জনের মৃত্যু

আপডেট সময় ০৫:১৬ অপরাহ্ন, সোমবার, ২৪ নভেম্বর ২০২৫

অসংখ্য দিনের ভারী বর্ষণের ফলে সৃষ্টি হওয়া বন্যা এবং ভূমিধসে ভিয়েতনামে কমপক্ষে ৯০ জনের মৃত্যু হয়েছে। নিখোঁজ রয়েছেন আরও ১২ জন। সরকারের তথ্য অনুযায়ী, দেশের প্রায় এক লাখ ছয়াশ হাজারের বেশি বাড়ি ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে এবং বন্যার পানিতে ডুবে গেছে ত্রিশ লাখের বেশি গবাদিপশু। ক্ষতির পরিমাণ কয়েকশো মিলিয়ন পাউন্ডের সমান বলে ধারণা করছে সংশ্লিষ্টরা। সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে দাক লাক প্রদেশ, যেখানে ১৬ নভেম্বর থেকে এখন পর্যন্ত ষাটের বেশি প্রাণহানি ঘটেছে এএফপি এর রিপোর্টে বলা হয়েছে। সম্প্রতি কয়েক সপ্তাহের মধ্যে দুটি টাইফুন—‘কালমেঘি’ ও ‘বুআলোই’—আঘাত হানার পর এই নতুন বন্যা দেশটিতে চরম দুর্যোগের সৃষ্টি করেছে। রোববার সকালে প্রায় দুই লাখ পঁচাশি হাজার মানুষ বিদ্যুৎবিহীন হয়ে পড়ে এবং গুরুত্বপূর্ণ মহাসড়ক ও রেলপথের বিভিন্ন অংশ পানিতে ডুবে যায়। ক্ষতিগ্রস্ত এলাকাগুলোতে সেনা ও পুলিশ উদ্ধারকার্য চালাচ্ছে। সরকার জানিয়েছে, দক্ষিণ এবং দক্ষিণ-মধ্যাঞ্চলের পাঁচটি প্রদেশ—কুয়াং ন্যাই, জিয়া লাই, দাক লাক, খান হোয়া ও লাম ডং—সবচেয়ে বেশি বিপদের মুখে রয়েছে। দাক লাকের একজন কৃষক মাখ ভ্যান সি বলেন, ‘‘আমাদের পুরো পাড়া ধ্বংস হয়ে গেছে। কিছুই অবশিষ্ট নেই। সবকিছু কাদা ও পানির নিচে।’’ জি-২০ সম্মেলনে অংশগ্রহণকারী ভিয়েতনামের প্রধানমন্ত্রী ফাম মিন চিন রোববার সকালে ভার্চুয়াল জরুরি বৈঠক করেন। শুক্রবারের পর থেকে অনেক এলাকায় বৃষ্টিপাত ১.৫ মিটার ছাড়িয়েছে, কোথাও কোথাও ১৯৯৩ সালের পর সর্বোচ্চ ৫.২ মিটারও রেকর্ড হয়েছে। আগামী কয়েক দিন বৃষ্টির পরিমাণ কমে আসতে পারে বলে পূর্বাভাস দেওয়া হয়েছে। বিজ্ঞানীরা মনে করছেন, জলবায়ু পরিবর্তনের কারণে ভিয়েতনাম ধীরে ধীরে আরও প্রবল এবং ঘনঘন চরম আবহাওয়ার শিকার হচ্ছে। সূত্র: বিবিসি


প্রিন্ট