খালেদা জিয়া ও তারেক রহমানকে নিয়ে সুখবর দিলেন তথ্য উপদেষ্টা
ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় সাবেক ইউপি সদস্যের গলাকাটা মরদেহ উদ্ধার
শ্রীলঙ্কায় ভয়াবহ বন্যায় মৃতের সংখ্যা অন্তত ১৯৩
ইসরায়েলি প্রেসিডেন্টের কাছে ক্ষমা চাইলেন নেতানিয়াহু
হাসপাতালে খালেদা জিয়াকে দেখতে গেলেন তামিম ইকবাল
নোয়াখালীতে খালেদা জিয়ার সুস্থতা কামনায় কোরআন খতম ও দোয়া
মসজিদে বিয়ে ও সমালোচনা নিয়ে মুখ খুললেন শবনম ফারিয়া
দেশে বাড়লো সব ধরনের জ্বালানি তেলের দাম
ইসরায়েলি হামলার গাজায় নিহত ৭০ হাজারের বেশি
খাদ্য অধিদপ্তরের পরীক্ষার প্রশ্নপত্র ফাঁস
ইসরায়েলি প্রেসিডেন্টের কাছে ক্ষমা চাইলেন নেতানিয়াহু
- আপডেট সময় ৫ ঘন্টা আগে
- / ৫ বার পড়া হয়েছে
ইসরাইলের প্রধানমন্ত্রী বেঞ্জামিন নেতানিয়াহু চলমান দুর্নীতির মামলাগুলি থেকে মুক্তি পাওয়ার জন্য প্রেসিডেন্ট আইজ্যাক হার্জগের কাছে ক্ষমা চেয়েছেন। রোববার প্রেসিডেন্ট অফিস জানিয়েছে, এই অনুরোধের গুরুত্ব বিবেচনা করে সিদ্ধান্ত নেওয়ার আগে বিচার বিভাগের কর্মকর্তাদের মতামত নেওয়া হবে। গত পাঁচ বছর ধরে ঘুষ গ্রহণ, প্রতারণা ও বিশ্বাসভঙ্গের অভিযোগে নেতানিয়াহু তিনটি মামলায় বিচারাধীন রয়েছেন। তিনি সব অভিযোগ অস্বীকার করে আসছেন। ভিডিও বার্তায় তিনি বলেন, ব্যক্তিগতভাবে তিনি মামলার রায় পর্যন্ত যেতে চান, কিন্তু ‘জাতীয় স্বার্থে’ অন্য পথ বেছে নিতে হয়েছে। ইসরাইলি বিরোধী দল বলছে, ক্ষমা চাইতে হলে নেতানিয়াহুকে আগে দোষ স্বীকার করতে হবে। এর আগে এই মাসের শুরুর দিকে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পও হার্জগকে নেতানিয়াহুকে সম্পূর্ণ ক্ষমা দেওয়ার আহ্বান জানান। তখন হার্জগ বলেন, ক্ষমা চাইলে আনুষ্ঠানিক আবেদন জমা দিতে হবে। রোববার প্রকাশিত চিঠিতে নেতানিয়াহুর আবেদন তুলে ধরে প্রেসিডেন্ট অফিস জানায়, এই বিশেষ অনুরোধের গুরুত্ব বিবেচনা করে এটি জনসম্মুখে আনা হয়েছে। নেতানিয়াহুর বিরুদ্ধে থাকা অভিযোগের মধ্যে রয়েছে ক্ষমতাধর ব্যবসায়ীদের কাছ থেকে উপহার নেওয়ার বিনিময়ে সুবিধা দেয়া, একটি সংবাদমাধ্যমের প্রচার বাড়ানোর জন্য সহায়তা প্রস্তাবের পরিবর্তে ইতিবাচক সংবাদ কাভারেজ চাওয়া, এবং একটি টেলিযোগাযোগ কোম্পানির মালিকের স্বার্থে নীতি নির্ধারণে প্রভাব বিস্তার করে সংবাদমাধ্যমে সুবিধাজনক কাভারেজ পাওয়া। তিনি এসব অভিযোগকে ‘রাজনৈতিক প্রতিপক্ষের ষড়যন্ত্র’ বলে দাবি করেছেন। রোববার প্রকাশিত বার্তায় নেতানিয়াহু বলেন, মামলাগুলো ধসে পড়ছে এবং বিচার প্রক্রিয়া দেশকে ভেতর থেকে বিভক্ত করে দিচ্ছে। তিনি বলেন, ‘বিচার প্রক্রিয়া দ্রুত শেষ হলে দেশের উত্তেজনা কমবে এবং জাতীয় ঐক্য বাড়বে।’ সপ্তাহে তিন দিন আদালতে হাজিরার দাবি ‘অসাধ্য’ বলেও মন্তব্য করেন তিনি। বিরোধী নেতারা বলছেন, নেতানিয়াহু নিজের স্বার্থকে দেশের স্বার্থের সঙ্গে গুলিয়ে ফেলছেন। বিরোধী নেতা ইয়ায়ির লাপিড বলেন, দোষ স্বীকার, অনুশোচনা এবং রাজনৈতিক জীবনের অবসান ছাড়া ক্ষমা সম্ভব নয়। বামপন্থী রাজনীতিবিদ ও ইসরাইলি সেনাবাহিনীর সাবেক উপপ্রধান ইয়ায়ির গালান বলেন, ‘শুধু দোষীরা ক্ষমা চায়।’ ইসরাইলের আইন অনুযায়ী, প্রেসিডেন্ট দণ্ড মওকুফ, কমানো বা পরিবর্তনের ক্ষমতা রাখেন। এমনকি আদালতের রায়ের আগে, জনস্বার্থে বা বিশেষ পরিস্থিতিতে কারও জন্য ক্ষমা প্রদর্শন করাও সম্ভব। নেতানিয়াহুর লিকুদ দল তার পক্ষে ক্ষমা ঘোষণার পক্ষে। তবে দেশের বেশিরভাগ—বিশেষ করে বামপন্থী নাগরিকরা—মনে করছেন, এটি রাষ্ট্রের দীর্ঘদিনের শক্তিশালী বিচারব্যবস্থার ভাবমূর্তি আরও ক্ষতিগ্রস্ত করবে। অন্যদিকে, গত বছর আন্তর্জাতিক অপরাধ আদালত (আইসিসি) গাজা যুদ্ধের বিষয়ে যুদ্ধাপরাধ ও মানবতাবিরোধী অপরাধের অভিযোগে নেতানিয়াহু ও সাবেক প্রতিরক্ষামন্ত্রী ইয়োয়াভ গালান্টের বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি করে। নেতানিয়াহু এসব অভিযোগকে ‘ইহুদি বিদ্বেষ’ বলে অভিহিত করেছেন।
প্রিন্ট














