খালেদা জিয়া ও তারেক রহমানকে নিয়ে সুখবর দিলেন তথ্য উপদেষ্টা
ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় সাবেক ইউপি সদস্যের গলাকাটা মরদেহ উদ্ধার
শ্রীলঙ্কায় ভয়াবহ বন্যায় মৃতের সংখ্যা অন্তত ১৯৩
ইসরায়েলি প্রেসিডেন্টের কাছে ক্ষমা চাইলেন নেতানিয়াহু
হাসপাতালে খালেদা জিয়াকে দেখতে গেলেন তামিম ইকবাল
নোয়াখালীতে খালেদা জিয়ার সুস্থতা কামনায় কোরআন খতম ও দোয়া
মসজিদে বিয়ে ও সমালোচনা নিয়ে মুখ খুললেন শবনম ফারিয়া
দেশে বাড়লো সব ধরনের জ্বালানি তেলের দাম
ইসরায়েলি হামলার গাজায় নিহত ৭০ হাজারের বেশি
খাদ্য অধিদপ্তরের পরীক্ষার প্রশ্নপত্র ফাঁস
উপদেষ্টা হিসেবে সেফ এক্সিটের প্রয়োজন নেই: আসিফ নজরুল
- আপডেট সময় ১২:৩২ অপরাহ্ন, শনিবার, ১১ অক্টোবর ২০২৫
- / ২৪ বার পড়া হয়েছে
আইন উপদেষ্টা ড. আসিফ নজরুল বলেছেন, বর্তমানে অনেকেই নিরাপদ বিচ্ছেদের বিষয়ে আলোচনা করছেন। উপদেষ্টাদের জন্য এই ধরনের বিচ্ছেদের দরকার নেই, তবে ভয়াবহ রাষ্ট্র কাঠামো থেকে এই জাতির জন্য নিরাপদ বিচ্ছেদ অত্যন্ত জরুরি। শনিবার (১১ অক্টোবর) সকালে হোটেল ইন্টারকন্টিনেন্টালে ‘খসড়া জাতীয় মানবাধিকার কমিশন অধ্যাদেশ-২০২৫’ বিষয়ক জাতীয় পরামর্শ সভায় তিনি এ কথাগুলো বলেন। আসিফ নজরুল আরও বলেন, দেশের জন্য নিরাপদ বিচ্ছেদের প্রয়োজন আছে। গত ষোড়শ বছর ধরে দুঃশাসন, গুম-খুন ও লুটপাটের দুঃখজনক দৃশ্য দেখেছি। অসুস্থ, ভয়ঙ্কর ও আত্মধ্বংসী কাঠামো থেকে আমাদের অবশ্যই নিরাপদ বিচ্ছেদের প্রয়োজন। তিনি বলেন, ভালো আইন প্রণয়ন মানেই পুরো দেশ পরিবর্তিত হয়ে যাবে, এই প্রত্যাশা আমার নেই। আইন প্রণয়নে আমাদের ব্যর্থতার সংখ্যা কম নয়, তবে প্রতিষ্ঠান গঠনে আমাদের অক্ষমতা সীমাহীন, কারণ অনেক বাধা রয়েছে। তিনি জানান, রাষ্ট্রপতি কখনোই স্বাধীনভাবে প্রধান বিচারপতিকে নিয়োগ দেননি, সবসময় প্রধানমন্ত্রীর ইচ্ছায় এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। তিনি আরও বলেন, একটি ভাল আইন হল একটি ভিত্তি, কিন্তু এর উপর বেশী আশার কিছু নেই। আশা করবো, মানবাধিকার নিরীক্ষা আইনটি যেন একটি প্রতিষ্ঠানে রূপান্তরিত হয়। কিছু কিছু প্রতিষ্ঠানকে শক্তিশালী করতে হবে, বিশেষ করে উচ্চ আদালত ও সংসদীয় কমিটি। মানবাধিকার কমিশনকে দৃঢ়ভাবে প্রতিষ্ঠিত করতে হবে। এ সময় গৃহায়ন, গণপূর্ত ও শিল্প উপদেষ্টা আদিলুর রহমান খান বলেন, আগামী নির্বাচনের আগে মানবাধিকার বিষয়ক প্রয়োজনীয় কাজগুলো সম্পন্ন করতে হবে। আজকের বাংলাদেশ রক্তের বিনিময়ে তৈরি হয়েছে, আমাদের নতুন বাংলাদেশ। ভবিষ্যতের জন্য দেশকে নতুন করে গড়ে তুলতে হবে।
প্রিন্ট














