, সোমবার, ০১ ডিসেম্বর ২০২৫, ১৬ অগ্রহায়ণ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
নোটিশ :
সংবাদের বিষয়ে কিছু জানাতে ইমেইল করুন [email protected] ঠিকানায়

আল আরাফাহ্‌ ইসলামী ব্যাংকের এমডিকে অপসারণ

নিউজ ডেস্ক
  • আপডেট সময় ০৯:২০ অপরাহ্ন, সোমবার, ২৭ অক্টোবর ২০২৫
  • / ১৭ বার পড়া হয়েছে

বাংলা আরাফাহ্‌ ইসলামী ব্যাংকের ব্যবস্থাপনা পরিচালকের (এমডি) পদ থেকে ফরমান আর চৌধুরীকে সরানোর জন্য আজ (সোমবার) বাংলাদেশ ব্যাংক অনুমতি দিয়েছে। এর আগে ব্যাংকটি বাংলাদেশ ব্যাংকের কাছে তার অপসারণের জন্য অনুমতি চেয়ে আবেদন করেছিল। অনুমতি পাওয়ার পরে তিনি ব্যাংকের চাকরি হারিয়েছেন। এই তথ্য জানা গেছে ব্যাংকসূত্রে। মুক্তিযুদ্ধের পরবর্তীতে আওয়ামী লীগ সরকারের পতনের পর ব্যাংকের পরিচালনা পর্ষদ ভেঙে দেয়া হয় এবং বাংলাদেশ ব্যাংক স্বতন্ত্র পরিচালকদের দায়িত্ব দেয়। গত এপ্রিল মাসে তাকে বাধ্যতামূলক ছুটিতে পাঠানো হয়। এরপর তদন্তে তার বিভিন্ন অনিয়ম প্রকাশ পেলে ব্যাংকটি তার অপসারণের সিদ্ধান্ত নেয়। ব্যাংকের নথিপত্র অনুযায়ী, ফরমান আর চৌধুরীকে অপসারণের কারণ হিসেবে উল্লেখ করা হয়েছে—নিয়োগে গুরুতর অনিয়ম, সিএসআর তহবিলের অপব্যবহার, খেলাপি ঋণ গোপন করা, মুনাফা দেখানোর জন্য নিরাপত্তা সঞ্চিতি না থাকা, এজেন্ট ব্যাংকিংয়ে অনিয়ম, অতিরিক্ত বোনাস ও বেতন বৃদ্ধি। এছাড়াও, বেতনের বাইরে অতিরিক্ত অর্থ নিয়ে তিনি তা ফেরত দেন। বাংলাদেশ ব্যাংকের নির্বাহী পরিচালক ও মুখপাত্র আরিফ হোসেন খান প্রথম আলোকে বলেন, এমডিকে অপসারণের বিষয়ে ব্যাংকের পরিচালনা পর্ষদ সিদ্ধান্তে বাংলাদেশ ব্যাংক সম্মতি দিয়েছে। গত বছর আগস্টে আওয়ামী লীগ সরকারের পতনের আগে ব্যাংকটি বিতর্কিত ব্যবসায়ী মোহাম্মদ সাইফুল আলমের (এস আলম) নিয়ন্ত্রণে ছিল। ব্যাংকের চেয়ারম্যান ছিলেন এস আলমের ভাই আবদুস সামাদ। সরকারের পরিবর্তনের পর ব্যাংকটিতে স্বতন্ত্র পরিচালকদের দায়িত্ব দেয় বাংলাদেশ ব্যাংক। বাংলাদেশ ব্যাংকের পরিদর্শনে ব্যাংকের বিভিন্ন অনিয়মের চিত্র উঠে এসেছে।


প্রিন্ট

নিউজটি শেয়ার করুন

আল আরাফাহ্‌ ইসলামী ব্যাংকের এমডিকে অপসারণ

আপডেট সময় ০৯:২০ অপরাহ্ন, সোমবার, ২৭ অক্টোবর ২০২৫

বাংলা আরাফাহ্‌ ইসলামী ব্যাংকের ব্যবস্থাপনা পরিচালকের (এমডি) পদ থেকে ফরমান আর চৌধুরীকে সরানোর জন্য আজ (সোমবার) বাংলাদেশ ব্যাংক অনুমতি দিয়েছে। এর আগে ব্যাংকটি বাংলাদেশ ব্যাংকের কাছে তার অপসারণের জন্য অনুমতি চেয়ে আবেদন করেছিল। অনুমতি পাওয়ার পরে তিনি ব্যাংকের চাকরি হারিয়েছেন। এই তথ্য জানা গেছে ব্যাংকসূত্রে। মুক্তিযুদ্ধের পরবর্তীতে আওয়ামী লীগ সরকারের পতনের পর ব্যাংকের পরিচালনা পর্ষদ ভেঙে দেয়া হয় এবং বাংলাদেশ ব্যাংক স্বতন্ত্র পরিচালকদের দায়িত্ব দেয়। গত এপ্রিল মাসে তাকে বাধ্যতামূলক ছুটিতে পাঠানো হয়। এরপর তদন্তে তার বিভিন্ন অনিয়ম প্রকাশ পেলে ব্যাংকটি তার অপসারণের সিদ্ধান্ত নেয়। ব্যাংকের নথিপত্র অনুযায়ী, ফরমান আর চৌধুরীকে অপসারণের কারণ হিসেবে উল্লেখ করা হয়েছে—নিয়োগে গুরুতর অনিয়ম, সিএসআর তহবিলের অপব্যবহার, খেলাপি ঋণ গোপন করা, মুনাফা দেখানোর জন্য নিরাপত্তা সঞ্চিতি না থাকা, এজেন্ট ব্যাংকিংয়ে অনিয়ম, অতিরিক্ত বোনাস ও বেতন বৃদ্ধি। এছাড়াও, বেতনের বাইরে অতিরিক্ত অর্থ নিয়ে তিনি তা ফেরত দেন। বাংলাদেশ ব্যাংকের নির্বাহী পরিচালক ও মুখপাত্র আরিফ হোসেন খান প্রথম আলোকে বলেন, এমডিকে অপসারণের বিষয়ে ব্যাংকের পরিচালনা পর্ষদ সিদ্ধান্তে বাংলাদেশ ব্যাংক সম্মতি দিয়েছে। গত বছর আগস্টে আওয়ামী লীগ সরকারের পতনের আগে ব্যাংকটি বিতর্কিত ব্যবসায়ী মোহাম্মদ সাইফুল আলমের (এস আলম) নিয়ন্ত্রণে ছিল। ব্যাংকের চেয়ারম্যান ছিলেন এস আলমের ভাই আবদুস সামাদ। সরকারের পরিবর্তনের পর ব্যাংকটিতে স্বতন্ত্র পরিচালকদের দায়িত্ব দেয় বাংলাদেশ ব্যাংক। বাংলাদেশ ব্যাংকের পরিদর্শনে ব্যাংকের বিভিন্ন অনিয়মের চিত্র উঠে এসেছে।


প্রিন্ট