খালেদা জিয়া ও তারেক রহমানকে নিয়ে সুখবর দিলেন তথ্য উপদেষ্টা
ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় সাবেক ইউপি সদস্যের গলাকাটা মরদেহ উদ্ধার
শ্রীলঙ্কায় ভয়াবহ বন্যায় মৃতের সংখ্যা অন্তত ১৯৩
ইসরায়েলি প্রেসিডেন্টের কাছে ক্ষমা চাইলেন নেতানিয়াহু
হাসপাতালে খালেদা জিয়াকে দেখতে গেলেন তামিম ইকবাল
নোয়াখালীতে খালেদা জিয়ার সুস্থতা কামনায় কোরআন খতম ও দোয়া
মসজিদে বিয়ে ও সমালোচনা নিয়ে মুখ খুললেন শবনম ফারিয়া
দেশে বাড়লো সব ধরনের জ্বালানি তেলের দাম
ইসরায়েলি হামলার গাজায় নিহত ৭০ হাজারের বেশি
খাদ্য অধিদপ্তরের পরীক্ষার প্রশ্নপত্র ফাঁস
উপদেষ্টা পরিষদের জরুরি সভায় যে সিদ্ধান্ত হলো
- আপডেট সময় ০২:০৭ অপরাহ্ন, সোমবার, ৩ নভেম্বর ২০২৫
- / ১৭ বার পড়া হয়েছে
জাতীয় ঐকমত্য কমিশনের প্রণীত জুলাই মাসের সনদ এবং এর বাস্তবায়ন সম্পর্কিত বিষয়ে এক জরুরি উপদেষ্টা পরিষদের সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। এতে সভাপতিত্ব করেন প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূস। সোমবার (৩ নভেম্বর) রাজধানীর তেজগাঁওয়ে প্রধান উপদেষ্টার কার্যালয়ে এই সভা হয়। প্রধান উপদেষ্টার প্রেস উইং সূত্রে জানানো হয়েছে, সভায় সংস্কার সংক্রান্ত ঐকমত্য প্রতিষ্ঠার জন্য এবং বিভিন্ন বিষয়ে ঐকমত্য অর্জনের জন্য ঐকমত্য কমিশন ও বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের প্রতি ধন্যবাদ জানানো হয়। উপদেষ্টা পরিষদের এই বৈঠকে জাতীয় ঐকমত্য কমিশনের মাধ্যমে প্রস্তাবিত জুলাই মাসের জাতীয় সনদ (সংবিধান সংস্কার) চূড়ান্ত করার বিষয় এবং এতে উল্লিখিত গণভোটের আয়োজন ও এর বিষয়বস্তু নিয়ে আলোচনা হয়। দেখা যায়, দীর্ঘদিন ধরে আলোচনার পরও কয়েকটি সংস্কার বিষয়ক সুপারিশে মতভিন্নতা রয়ে গেছে। এছাড়াও, গণভোট কখন অনুষ্ঠিত হবে এবং এর বিষয়বস্তু কী হবে, এ ধরনের প্রশ্নে রাজনৈতিক দলের মধ্যে মতবিরোধ দেখা দেওয়ায় উদ্বেগ প্রকাশ করা হয়। এই পরিস্থিতিতে, গণভোটের সময়, এর বিষয়বস্তু ও জুলাই সনদে উল্লিখিত ভিন্নমতগুলোর বিষয়ে কী পদক্ষেপ নেওয়া হবে, এই বিষয়গুলো নিয়ে ঐক্যমত কমিশনের প্রস্তাবের ভিত্তিতে জরুরি ভিত্তিতে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেওয়া জরুরি বলে সভার অভিমত প্রকাশিত হয়। এসব বিষয়ে ফ্যাসিবাদবিরোধী আন্দোলনের দীর্ঘকালীন সহযোগী রাজনৈতিক দলগুলোকে নিজেদের মধ্যে আলোচনা করে দ্রুততম সময়ে (সম্ভব হলে আগামী এক সপ্তাহের মধ্যে) সরকারকে ঐক্যবদ্ধ নির্দেশনা দেওয়ার আহ্বান জানানো হয়। এ ধরনের নির্দেশনা পেলে সরকারের পক্ষে সিদ্ধান্ত গ্রহণ অনেক সহজ হয়ে যাবে। বর্তমান পরিস্থিতিতে, সময় ক্ষেপণ করার কোনো সুযোগ নেই, সেটাও আমাদের সকলের বিবেচনায় রাখা আবশ্যক। সভায় ২০২৬ সালের ফেব্রুয়ারির প্রথম দিকে ভবিষ্যৎ সংসদ নির্বাচন অনুষ্ঠানের জন্য সরকারের সিদ্ধান্ত পুনর্ব্যক্ত করা হয়।
প্রিন্ট














