খালেদা জিয়া ও তারেক রহমানকে নিয়ে সুখবর দিলেন তথ্য উপদেষ্টা
ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় সাবেক ইউপি সদস্যের গলাকাটা মরদেহ উদ্ধার
শ্রীলঙ্কায় ভয়াবহ বন্যায় মৃতের সংখ্যা অন্তত ১৯৩
ইসরায়েলি প্রেসিডেন্টের কাছে ক্ষমা চাইলেন নেতানিয়াহু
হাসপাতালে খালেদা জিয়াকে দেখতে গেলেন তামিম ইকবাল
নোয়াখালীতে খালেদা জিয়ার সুস্থতা কামনায় কোরআন খতম ও দোয়া
মসজিদে বিয়ে ও সমালোচনা নিয়ে মুখ খুললেন শবনম ফারিয়া
দেশে বাড়লো সব ধরনের জ্বালানি তেলের দাম
ইসরায়েলি হামলার গাজায় নিহত ৭০ হাজারের বেশি
খাদ্য অধিদপ্তরের পরীক্ষার প্রশ্নপত্র ফাঁস
নির্বাচনের মাধ্যমে নতুন বাংলাদেশের পথে যাত্রা করবো: প্রধান উপদেষ্টা
- আপডেট সময় ০৭:২০ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ২১ নভেম্বর ২০২৫
- / ১৬ বার পড়া হয়েছে
সশস্ত্র বাহিনী দিবস-২০২৫ উপলক্ষে সেনাকুঞ্জে আয়োজিত সংবর্ধনা অনুষ্ঠানে প্রধান উপদেষ্টা প্রফেসর মুহাম্মদ ইউনূস বলেন, খুব শীঘ্রই একটি নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে, যা নতুন বাংলাদেশের পথে এগিয়ে যাওয়ার গুরুত্বপূর্ণ ধাপ। তিনি আশাবাদ ব্যক্ত করেন, নির্বাচন সুন্দর, উৎসবমুখর ও আনন্দের পরিবেশে সম্পন্ন হবে। প্রফেসর ইউনূস আরও বলেন, বাংলাদেশের গণতান্ত্রিক অগ্রগতি নিশ্চিত করতে আসন্ন নির্বাচন একটি গুরুত্বপূর্ণ অধ্যায়। নির্বিঘ্ন ও উৎসবমুখর নির্বাচন পরিচালনা নিশ্চিত করতে সশস্ত্র বাহিনীর সদস্যদের দক্ষতা ও পেশাদারিত্বের সঙ্গে দায়িত্ব পালন করার আহ্বান জানান তিনি। তিনি উল্লেখ করেন, স্বাধীনতা, সার্বভৌমত্ব রক্ষা এবং দেশের পুনর্গঠন ও দুর্যোগ মোকাবেলায় সশস্ত্র বাহিনী সবসময় জনগণের পাশে দাঁড়িয়েছে। ২০২৪ সালের শিক্ষার্থী ও যুবকদের অভ্যুত্থান এবং চলমান সংস্কার কার্যক্রমেও বাহিনী মানুষের আস্থা ধরে রেখেছে। গণতান্ত্রিক ও নিয়মতান্ত্রিক নেতৃত্বের প্রতি আনুগত্যের মাধ্যমে বাংলাদেশি সশস্ত্র বাহিনী পেশাগত দক্ষতা ও দেশপ্রেমের সমন্বয়ে এই ধারাবাহিকতা বজায় রাখবে বলে তিনি বিশ্বাস করেন। প্রধান উপদেষ্টা বলেন, শান্তিপ্রিয় জাতি হিসেবে বাংলাদেশ সব বন্ধু রাষ্ট্রের সঙ্গে সম্মানজনক সম্পর্কের উপর ভিত্তি করে বিশ্বাসী, তবে যে কোনও আগ্রাসী আক্রমণ থেকে দেশের সার্বভৌমত্ব রক্ষা করতে সর্বদা প্রস্তুত থাকতে হবে। এ জন্য সেনা, নৌ ও বিমানবাহিনী আধুনিকায়ন, উন্নত প্রশিক্ষণ ও যুগোপযোগী প্রযুক্তি সংযোজনের কাজ অব্যাহত রয়েছে। তিনি অতীতের ফ্যাসিস্ট শাসনামলে বাহিনীর দক্ষতা অবমূল্যায়নের কথাও স্মরণ করেন এবং বলেন, অন্তর্বর্তীকালীন সরকার সকল বাহিনীর সক্ষমতা বৃদ্ধিতে ব্যাপক উদ্যোগ গ্রহণ করেছে। দেশের প্রতিরক্ষা সক্ষমতা ও জনকল্যাণমূলক কাজের জন্য যুব সমাজের সম্পৃক্ততা বাড়াতে বিএনসির কার্যক্রমও সম্প্রসারিত হয়েছে। প্রফেসর ইউনূস সংবর্ধনা অনুষ্ঠানে বলেন, বাংলাদেশ সশস্ত্র বাহিনী ১৯৭১ সালের মুক্তিযুদ্ধের সময় গঠিত হয়। ২১ নভেম্বর ১৯৭১ সালে সেনা, নৌ ও বিমানবাহিনী সম্মিলিতভাবে পাকিস্তানি বাহিনীর বিরুদ্ধে লড়াই চালায়। মুক্তিযোদ্ধারা জীবনঝুঁকি নিয়ে স্বাধীনতার জন্য সংগ্রাম করেন এবং দেশের মুক্তি নিশ্চিত করেন। তিনি আরও বলেন, মুক্তিযুদ্ধের সময় মুক্তিযোদ্ধাদের প্রশিক্ষণ ও গেরিলা যুদ্ধের মাধ্যমে ১১টি সেক্টরে ‘বাংলাদেশ ফোর্সেস’ গঠন করা হয়। এই যৌথ অভিযানটির চূড়ান্ত ফল ১৬ ডিসেম্বর বাংলাদেশের স্বাধীনতার বিজয়। মুক্তিযুদ্ধের সময় বাংলাদেশের সশস্ত্র বাহিনীর অবদান ইতিহাসের স্বর্ণাক্ষরে লেখা থাকবে। প্রফেসর ইউনূস উল্লেখ করেন, বিগত ৩৭ বছরে জাতিসংঘের ৪৩টি দেশে ৬৩টি শান্তিরক্ষা মিশনে আমাদের শান্তিরক্ষীরা সফল ভূমিকা রেখেছেন। বর্তমানে তারা ১০টি দেশে কর্মরত, এবং বাংলাদেশ বিশ্বের অন্যতম বৃহৎ নারী শান্তিরক্ষী পাঠানকারী দেশ হিসেবে পরিচিত। তিনি বাহিনীর সদস্যদের ধন্যবাদ জানিয়ে বলেন, তাদের প্রশিক্ষণ ও সরঞ্জাম সরবরাহ অব্যাহত রাখতে হবে। সব সদস্য ও তাদের পরিবারে সুখ, শান্তি ও কল্যাণ কামনা করে প্রধান উপদেষ্টা আশা প্রকাশ করেন, দেশের উন্নয়ন ও অগ্রযাত্রায় সবাই একযোগে কাজ করবে।
প্রিন্ট














