, সোমবার, ০১ ডিসেম্বর ২০২৫, ১৬ অগ্রহায়ণ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
নোটিশ :
সংবাদের বিষয়ে কিছু জানাতে ইমেইল করুন [email protected] ঠিকানায়

ভিসা নিয়ে বিশেষ সতর্ক বার্তা দিলো ঢাকার ব্রিটিশ হাইকমিশন

নিউজ ডেস্ক
  • আপডেট সময় ০১:২৯ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৫ নভেম্বর ২০২৫
  • / ৮ বার পড়া হয়েছে

ভিসা জালিয়াতি ও প্রতারক অভিবাসন সুবিধা প্রদানকারীদের অপব্যবহার থেকে ভিসা আবেদনকারীদের সুরক্ষিত করতে যুক্তরাজ্য একটি সচেতনতামূলক প্রচারণা চালু করেছে। মঙ্গলবার (২৫ নভেম্বর) ঢাকার ব্রিটিশ হাইকমিশন এক বিজ্ঞপ্তিতে এই তথ্য প্রকাশ করে। এতে বলা হয়, অপরাধী ও প্রতারকদের দ্বারা পরিচালিত প্রতারণামূলক কর্মকাণ্ডের ফলে প্রতি বছর বিপুল পরিমাণ অর্থ ক্ষতি হয় ভিসা আবেদনকারীদের। বাংলাদেশসহ সারাবিশ্বে দুর্বল ও অসহায় মানুষকে শোষণ, অর্থনৈতিকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত করা এবং এর ফলে আইনশৃঙ্খলার জন্য ঝুঁকি সৃষ্টি হচ্ছে। বিশ্বব্যাপী ভিসা জালিয়াতি ও অবৈধ অভিবাসন বেড়ে চলেছে উদ্বেগজনকভাবে। অপরাধীদের গোষ্ঠী ক্রমাগত জটিল ও পরিশীলিত কৌশল ব্যবহার করে ভিসার জন্য আবেদনকারীদের প্রতারণা করছে। ভুক্তভোগীদের প্রায়ই অতিরিক্ত ফিসের বিনিময়ে ভিসা নিশ্চিত করার আশ্বাস বা অপ্রয়োজনীয় যোগ্যতা ছাড়াই চাকরি ও দ্রুত প্রক্রিয়াকরণের প্রতিশ্রুতি দেওয়া হয়। প্রকৃত সত্য হলো, এর ফলে হয় আর্থিক ক্ষতি, ভিসা প্রত্যাখ্যান, ভ্রমণ নিষেধাজ্ঞা বা সবচেয়ে মারাত্মক—পাচার ও শোষণের শিকার হওয়া। হাইকমিশন জানিয়েছে, যুক্তরাজ্যের ভিসা আবেদনকারীদের উচিত সব সময় সরকারি ওয়েবসাইট (www.gov.uk) থেকে তথ্য সংগ্রহ করে আবেদন করা। ব্রিটিশ হাইকমিশনার সারাহ কুক বলেন, ভিসা জালিয়াতি স্বপ্ন ধ্বংস করে ও পরিবারকে বিপর্যস্ত করে দেয়। অপরাধী চক্র উন্নত প্রযুক্তি দিয়ে মানুষের আকাঙ্ক্ষাকে অপব্যবহার করে তাদের অর্থ লুট করে এবং গুরুতর ঝুঁকিতে ফেলে। আমাদের বার্তা স্পষ্ট—শুধু সরকারি চ্যানেল দিয়ে আবেদন করুন, সব পরামর্শ যাচাই করুন এবং সন্দেহজনক কার্যকলাপের দ্রুত রিপোর্ট দিন। সারাহ কুক আরও বলেন, যুক্তরাজ্য বৈধ ও সঠিক পথের মাধ্যমে ভিসা আবেদনগুলোকে স্বাগত জানায়। তবে যারা জালিয়াতির চেষ্টা করবে তাদের কঠোর শাস্তি ভোগ করতে হবে, যার মধ্যে রয়েছে ১০ বছরের ভ্রমণ নিষেধাজ্ঞা।


প্রিন্ট
ট্যাগস

নিউজটি শেয়ার করুন

ভিসা নিয়ে বিশেষ সতর্ক বার্তা দিলো ঢাকার ব্রিটিশ হাইকমিশন

আপডেট সময় ০১:২৯ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৫ নভেম্বর ২০২৫

ভিসা জালিয়াতি ও প্রতারক অভিবাসন সুবিধা প্রদানকারীদের অপব্যবহার থেকে ভিসা আবেদনকারীদের সুরক্ষিত করতে যুক্তরাজ্য একটি সচেতনতামূলক প্রচারণা চালু করেছে। মঙ্গলবার (২৫ নভেম্বর) ঢাকার ব্রিটিশ হাইকমিশন এক বিজ্ঞপ্তিতে এই তথ্য প্রকাশ করে। এতে বলা হয়, অপরাধী ও প্রতারকদের দ্বারা পরিচালিত প্রতারণামূলক কর্মকাণ্ডের ফলে প্রতি বছর বিপুল পরিমাণ অর্থ ক্ষতি হয় ভিসা আবেদনকারীদের। বাংলাদেশসহ সারাবিশ্বে দুর্বল ও অসহায় মানুষকে শোষণ, অর্থনৈতিকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত করা এবং এর ফলে আইনশৃঙ্খলার জন্য ঝুঁকি সৃষ্টি হচ্ছে। বিশ্বব্যাপী ভিসা জালিয়াতি ও অবৈধ অভিবাসন বেড়ে চলেছে উদ্বেগজনকভাবে। অপরাধীদের গোষ্ঠী ক্রমাগত জটিল ও পরিশীলিত কৌশল ব্যবহার করে ভিসার জন্য আবেদনকারীদের প্রতারণা করছে। ভুক্তভোগীদের প্রায়ই অতিরিক্ত ফিসের বিনিময়ে ভিসা নিশ্চিত করার আশ্বাস বা অপ্রয়োজনীয় যোগ্যতা ছাড়াই চাকরি ও দ্রুত প্রক্রিয়াকরণের প্রতিশ্রুতি দেওয়া হয়। প্রকৃত সত্য হলো, এর ফলে হয় আর্থিক ক্ষতি, ভিসা প্রত্যাখ্যান, ভ্রমণ নিষেধাজ্ঞা বা সবচেয়ে মারাত্মক—পাচার ও শোষণের শিকার হওয়া। হাইকমিশন জানিয়েছে, যুক্তরাজ্যের ভিসা আবেদনকারীদের উচিত সব সময় সরকারি ওয়েবসাইট (www.gov.uk) থেকে তথ্য সংগ্রহ করে আবেদন করা। ব্রিটিশ হাইকমিশনার সারাহ কুক বলেন, ভিসা জালিয়াতি স্বপ্ন ধ্বংস করে ও পরিবারকে বিপর্যস্ত করে দেয়। অপরাধী চক্র উন্নত প্রযুক্তি দিয়ে মানুষের আকাঙ্ক্ষাকে অপব্যবহার করে তাদের অর্থ লুট করে এবং গুরুতর ঝুঁকিতে ফেলে। আমাদের বার্তা স্পষ্ট—শুধু সরকারি চ্যানেল দিয়ে আবেদন করুন, সব পরামর্শ যাচাই করুন এবং সন্দেহজনক কার্যকলাপের দ্রুত রিপোর্ট দিন। সারাহ কুক আরও বলেন, যুক্তরাজ্য বৈধ ও সঠিক পথের মাধ্যমে ভিসা আবেদনগুলোকে স্বাগত জানায়। তবে যারা জালিয়াতির চেষ্টা করবে তাদের কঠোর শাস্তি ভোগ করতে হবে, যার মধ্যে রয়েছে ১০ বছরের ভ্রমণ নিষেধাজ্ঞা।


প্রিন্ট