, সোমবার, ০১ ডিসেম্বর ২০২৫, ১৬ অগ্রহায়ণ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
নোটিশ :
সংবাদের বিষয়ে কিছু জানাতে ইমেইল করুন [email protected] ঠিকানায়

খাদ্য অধিদপ্তরের পরীক্ষার প্রশ্নপত্র ফাঁস

নিউজ ডেস্ক
  • আপডেট সময় ৭ ঘন্টা আগে
  • / ৫ বার পড়া হয়েছে

খাদ্য অধিদপ্তরের সহকারী উপখাদ্য পরিদর্শক (গ্রেড-১৫) পদের পরীক্ষার আগে থেকেই প্রশ্নফাঁসের সত্যতা ধরা পড়েছে দেশ টিভির অনুসন্ধানে। শনিবার (২৯ নভেম্বর) সকাল ১০টায় পরীক্ষার নির্ধারিত সময় থাকলেও প্রায় তিন ঘণ্টা আগে সকাল ৭টার মধ্যে প্রশ্নপত্রের অনুলিপি সমান হাতের লেখা একটি প্রশ্নসেট সোশ্যাল মিডিয়া প্ল্যাটফর্মের একটি হোয়াটসঅ্যাপ গ্রুপে ছড়িয়ে পড়ে। যা হাতে আসে দেশ টিভির কাছে। যেখানে পরীক্ষার প্রশ্নের সঙ্গে স্পষ্ট মিল পাওয়া যায়। পরীক্ষার্থীরা দাবি করেন, অর্থের বিনিময়ে পরীক্ষার আগেই প্রশ্নের উত্তর ফাঁস হয়েছে। বিষয়টি নিয়ে নেটিজেনদের মধ্যে ক্ষোভের আগুন জ্বলছে। হোয়াটসঅ্যাপে প্রশ্ন পাঠানো ব্যক্তির সঙ্গে যোগাযোগ করলে তিনি জানান, ফেসবুকের মাধ্যমে এটি হাতে পেয়ে গুরুত্ব না দিয়ে অন্যদের সঙ্গে শেয়ার করেছেন। পরে দেখেন, ঘটনা ভাইরাল হয়ে গেছে। তবে এ ব্যাপারে খাদ্য অধিদপ্তর কোনো তথ্য জানায়নি। সহকারী উপখাদ্য পরিদর্শক পরীক্ষাকে সুষ্ঠু করতে ২৮ থেকে ৩০ নভেম্বর দ্বায়িত্বপ্রাপ্ত একটি বিশেষ টিম গঠন করে খাদ্য অধিদপ্তর। সেই টিমের প্রধান অতিরিক্ত পরিচালক ইকবাল বাহার চৌধুরী দেশ টিভিকে জানান, আজকের পরীক্ষার বিষয়ে তাদের কোনো জানা নেই। এই ঘটনার পর দুর্নীতি দমনবিষয়ক সংস্থা ট্রান্সপারেন্সি ইন্টারন্যাশনাল বাংলাদেশ (টিআইবি) এর নির্বাহী পরিচালক ড. ইফতেখারুজ্জামান বলেন, ব্যক্তি পরিবর্তন হলেও পদ্ধতি পরিবর্তন না হওয়ায় এমন ঘটনা বারবার ঘটে যাচ্ছে। তিনি আরও বলেন, অনুসন্ধান চালিয়ে পুরো চক্রকে চিহ্নিত করে কঠোর ব্যবস্থা নিতে হবে যেন ভবিষ্যতে প্রশ্নফাঁসের ঘটনা আর না ঘটে। উল্লেখ্য, এই পরীক্ষায় ১,৭৯১টি শূন্য পদে আবেদন করেছিলেন মোট ৬ লাখ ১১ হাজার প্রার্থী। ব্যাপক আকারে এই পরীক্ষার জন্য খাদ্য অধিদপ্তর ব্যয় করেছে প্রায় ৬ কোটি ৪২ লাখ টাকা। এত বিপুল অর্থের বিনিয়মের পরও প্রশ্নফাঁসের ঘটনা প্রকাশ পেয়ে সাধারণ মানুষের মধ্যে তীব্র ক্ষোভ সৃষ্টি হয়েছে। অন্যদিকে, দেশ টিভির প্রতিবেদনের পর পরীক্ষাটি বাতিল করে পুনরায় নেওয়ার দাবি তুলে ধরেছেন অংশগ্রহণকারী প্রার্থীরা।


প্রিন্ট

নিউজটি শেয়ার করুন

খাদ্য অধিদপ্তরের পরীক্ষার প্রশ্নপত্র ফাঁস

আপডেট সময় ৭ ঘন্টা আগে

খাদ্য অধিদপ্তরের সহকারী উপখাদ্য পরিদর্শক (গ্রেড-১৫) পদের পরীক্ষার আগে থেকেই প্রশ্নফাঁসের সত্যতা ধরা পড়েছে দেশ টিভির অনুসন্ধানে। শনিবার (২৯ নভেম্বর) সকাল ১০টায় পরীক্ষার নির্ধারিত সময় থাকলেও প্রায় তিন ঘণ্টা আগে সকাল ৭টার মধ্যে প্রশ্নপত্রের অনুলিপি সমান হাতের লেখা একটি প্রশ্নসেট সোশ্যাল মিডিয়া প্ল্যাটফর্মের একটি হোয়াটসঅ্যাপ গ্রুপে ছড়িয়ে পড়ে। যা হাতে আসে দেশ টিভির কাছে। যেখানে পরীক্ষার প্রশ্নের সঙ্গে স্পষ্ট মিল পাওয়া যায়। পরীক্ষার্থীরা দাবি করেন, অর্থের বিনিময়ে পরীক্ষার আগেই প্রশ্নের উত্তর ফাঁস হয়েছে। বিষয়টি নিয়ে নেটিজেনদের মধ্যে ক্ষোভের আগুন জ্বলছে। হোয়াটসঅ্যাপে প্রশ্ন পাঠানো ব্যক্তির সঙ্গে যোগাযোগ করলে তিনি জানান, ফেসবুকের মাধ্যমে এটি হাতে পেয়ে গুরুত্ব না দিয়ে অন্যদের সঙ্গে শেয়ার করেছেন। পরে দেখেন, ঘটনা ভাইরাল হয়ে গেছে। তবে এ ব্যাপারে খাদ্য অধিদপ্তর কোনো তথ্য জানায়নি। সহকারী উপখাদ্য পরিদর্শক পরীক্ষাকে সুষ্ঠু করতে ২৮ থেকে ৩০ নভেম্বর দ্বায়িত্বপ্রাপ্ত একটি বিশেষ টিম গঠন করে খাদ্য অধিদপ্তর। সেই টিমের প্রধান অতিরিক্ত পরিচালক ইকবাল বাহার চৌধুরী দেশ টিভিকে জানান, আজকের পরীক্ষার বিষয়ে তাদের কোনো জানা নেই। এই ঘটনার পর দুর্নীতি দমনবিষয়ক সংস্থা ট্রান্সপারেন্সি ইন্টারন্যাশনাল বাংলাদেশ (টিআইবি) এর নির্বাহী পরিচালক ড. ইফতেখারুজ্জামান বলেন, ব্যক্তি পরিবর্তন হলেও পদ্ধতি পরিবর্তন না হওয়ায় এমন ঘটনা বারবার ঘটে যাচ্ছে। তিনি আরও বলেন, অনুসন্ধান চালিয়ে পুরো চক্রকে চিহ্নিত করে কঠোর ব্যবস্থা নিতে হবে যেন ভবিষ্যতে প্রশ্নফাঁসের ঘটনা আর না ঘটে। উল্লেখ্য, এই পরীক্ষায় ১,৭৯১টি শূন্য পদে আবেদন করেছিলেন মোট ৬ লাখ ১১ হাজার প্রার্থী। ব্যাপক আকারে এই পরীক্ষার জন্য খাদ্য অধিদপ্তর ব্যয় করেছে প্রায় ৬ কোটি ৪২ লাখ টাকা। এত বিপুল অর্থের বিনিয়মের পরও প্রশ্নফাঁসের ঘটনা প্রকাশ পেয়ে সাধারণ মানুষের মধ্যে তীব্র ক্ষোভ সৃষ্টি হয়েছে। অন্যদিকে, দেশ টিভির প্রতিবেদনের পর পরীক্ষাটি বাতিল করে পুনরায় নেওয়ার দাবি তুলে ধরেছেন অংশগ্রহণকারী প্রার্থীরা।


প্রিন্ট