খালেদা জিয়া ও তারেক রহমানকে নিয়ে সুখবর দিলেন তথ্য উপদেষ্টা
ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় সাবেক ইউপি সদস্যের গলাকাটা মরদেহ উদ্ধার
শ্রীলঙ্কায় ভয়াবহ বন্যায় মৃতের সংখ্যা অন্তত ১৯৩
ইসরায়েলি প্রেসিডেন্টের কাছে ক্ষমা চাইলেন নেতানিয়াহু
হাসপাতালে খালেদা জিয়াকে দেখতে গেলেন তামিম ইকবাল
নোয়াখালীতে খালেদা জিয়ার সুস্থতা কামনায় কোরআন খতম ও দোয়া
মসজিদে বিয়ে ও সমালোচনা নিয়ে মুখ খুললেন শবনম ফারিয়া
দেশে বাড়লো সব ধরনের জ্বালানি তেলের দাম
ইসরায়েলি হামলার গাজায় নিহত ৭০ হাজারের বেশি
খাদ্য অধিদপ্তরের পরীক্ষার প্রশ্নপত্র ফাঁস
জামায়াতসহ ৮ দলের নতুন কর্মসূচি ঘোষণা
- আপডেট সময় ০২:২২ অপরাহ্ন, সোমবার, ৩ নভেম্বর ২০২৫
- / ২২ বার পড়া হয়েছে
পূর্বেই ঘোষিত পাঁচ দফা দাবি আদায়ের জন্য আবারও নতুন কর্মসূচি ঘোষণা করেছে জামায়াতে ইসলামি এবং সমমনা আটটি দল। সোমবার (৩ নভেম্বর) দুপুরে এক সংবাদ সম্মেলনে এ ঘোষণা দেন বাংলাদেশ খেলাফত মজলিসের আমির মাওলানা মামুনুল হক। এ সময় জামায়াতের নায়েবে আমির ডা. সৈয়দ আব্দুল্লাহ মো. তাহের উল্লেখ করেন, আমরা যে ঐক্যমত ছিলাম, তার মধ্যে হঠাৎ করে একটি দল বিরোধিতা করছে। আমরা প্রত্যাশা করি, তারা তাদের দলীয় অবস্থান পরিষ্কার করবে। জুলাই সনদ প্রয়োগ না হলে গণভোটের আগে বা পরে কোন লাভ হবে না। বরং গণভোটের মাধ্যমে জুলাই সনদ কার্যকর করতে হবে। কারণ নির্বাচনের দিনে হ্যাঁ বা না ভোটে কারো মনোযোগ থাকবে না। মামুনুল হক বলেন, বাংলাদেশ ত্রয়োদশ সংসদ নির্বাচনের দ্বারপ্রান্তে পৌঁছেছে। তবে জুলাই সনদ নিয়ে দেশের মানুষ যে স্বপ্ন দেখেছিল এবং নতুন ব্যবস্থা গড়ার স্বপ্ন এখনো অধরা। তিনি বলেন, আমাদের আটটি দলের ৫ দফা দাবিতে সংগ্রাম চলমান থাকবে। আমরা জুলাই সনদের আইনি ভিত্তি আনার দাবি জানিয়ে আসছি। অবিলম্বে জুলাই সনদ বাস্তবায়নের জন্য নির্দেশনা জারি করতে হবে। জাতীয় নির্বাচনের আগে স্বাধীনভাবে জুলাই সনদ বাস্তবায়নে গণভোট করতেই হবে। আরপিও সংশোধন করা হলে আমরা সেটাকে গ্রহণ করব না। অর্থাৎ, আরপিও পূর্বের মতোই রাখতে হবে। এই বিষয়গুলোই এখন আমাদের মূল দাবি। তিনি আরও বলেন, আশা করি আলোচনার মাধ্যমে সব রাজনৈতিক দল সমাধানে পৌঁছাবে এবং জুলাই সনদের আইনি ভিত্তিতে আগামী নির্বাচন হবে ইনশাআল্লাহ। নতুন কর্মসূচির মধ্যে রয়েছে—৬ নভেম্বর সকাল ১১টায় প্রধান উপদেষ্টার কাছে স্মারকলিপি দেওয়ার জন্য গণমিছিল ও ১১ নভেম্বর এক বিক্ষোভ সমাবেশ। সরকার সাত দিন সময় দিয়েছে বলে মামুনুল হক উল্লেখ করেন, আমরা বিশ্বাস করি দলগুলো বসে একমত হবে। এ সময় উপস্থিত ছিলেন—ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের আমির মুফতি সৈয়দ মুহাম্মদ রেজাউল করিম (চরমোনাই পীর), মাওলানা ইউনুছ আহমাদ ও অধ্যাপক আশরাফ আলী আকন, জামায়াতের ডা. সৈয়দ আব্দুল্লাহ মো. তাহের, এএইচএম হামিদুর রহমান আযাদ, নেজামী ইসলাম পার্টির মুফতি হারুন ইজহার, বাংলাদেশ খেলাফত মজলিসের আমির মাওলানা মামুনুল হক ও মহাসচিব মাওলানা জালাল উদ্দিন, খেলাফত মজলিসের মহাসচিব ড. আহমদ আবদুল কাদের, জাতীয় গণতান্ত্রিক পার্টির (জাগপা) মুখপাত্র রাশেদ প্রধানসহ অন্যান্যরা। এর আগে সকালে রাজধানীর পুরানা পল্টনে বাংলাদেশ খেলাফত মজলিসের কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে এক বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়, যেখানে শীর্ষ নেতৃবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন। এসব দলের মধ্যে রয়েছে—বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামি, ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ, বাংলাদেশ খেলাফত মজলিস, খেলাফত মজলিস, খেলাফত আন্দোলন, নেজামে ইসলাম পার্টি, জাতীয় গণতান্ত্রিক পার্টি (জাগপা) ও ডেভেলপমেন্ট পার্টি।
প্রিন্ট
















