খালেদা জিয়া ও তারেক রহমানকে নিয়ে সুখবর দিলেন তথ্য উপদেষ্টা
ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় সাবেক ইউপি সদস্যের গলাকাটা মরদেহ উদ্ধার
শ্রীলঙ্কায় ভয়াবহ বন্যায় মৃতের সংখ্যা অন্তত ১৯৩
ইসরায়েলি প্রেসিডেন্টের কাছে ক্ষমা চাইলেন নেতানিয়াহু
হাসপাতালে খালেদা জিয়াকে দেখতে গেলেন তামিম ইকবাল
নোয়াখালীতে খালেদা জিয়ার সুস্থতা কামনায় কোরআন খতম ও দোয়া
মসজিদে বিয়ে ও সমালোচনা নিয়ে মুখ খুললেন শবনম ফারিয়া
দেশে বাড়লো সব ধরনের জ্বালানি তেলের দাম
ইসরায়েলি হামলার গাজায় নিহত ৭০ হাজারের বেশি
খাদ্য অধিদপ্তরের পরীক্ষার প্রশ্নপত্র ফাঁস
শাহাজাহান চৌধুরীর বক্তব্যে বিতর্ক, গ্রেপ্তারের দাবি বিএনপির
- আপডেট সময় ০৪:৩৪ অপরাহ্ন, রবিবার, ২৩ নভেম্বর ২০২৫
- / ১৬ বার পড়া হয়েছে
চট্টগ্রামে জামায়াতের গুরুত্বপূর্ণ নেতাদের সম্মেলনে দলের সাবেক সাংসদ এবং নগর জামায়াতের সাবেক আমীর শাহাজাহান চৌধুরীর বক্তৃতা ঘিরে ব্যাপক বিতর্ক সৃষ্টি হয়েছে। তার বক্তব্যে প্রশাসনকে ‘নিজেদের নিয়ন্ত্রণে আনার’ আহ্বান জানানোয় বিএনপি দাবি করেছে, তাকে দ্রুত গ্রেপ্তার করা উচিত। তবে জামায়াত বলছে, ওই বক্তব্য সম্পূর্ণ ব্যক্তিগত, দলের নীতির প্রতিনিধিত্ব করে না। চট্টগ্রাম মহানগর বিএনপির সাধারণ সম্পাদক নাজিমুর রহমান বলেন, শাহাজাহান চৌধুরীর কথায় স্পষ্ট বোঝা যায়, তারা একটি ফ্যাসিবাদী শাসনব্যবস্থা প্রতিষ্ঠা করতে চাইছে। এ ধরণের বক্তব্য আসন্ন নির্বাচনের স্বচ্ছতা ও নিরপেক্ষতা নিয়ে সন্দেহ সৃষ্টি করে। তাই তার গ্রেপ্তার দাবি করছি। অন্যদিকে জামায়াতের কেন্দ্রীয় সহকারী মহাসচিব মুহাম্মদ শাহজাহান বলেন, প্রশাসনকে পেশাদারিত্বের সঙ্গে কাজ করতে দিতে হবে। এখানে কোনো দলীয় হস্তক্ষেপ কাম্য নয়। সম্মেলনে শাহাজাহান চৌধুরী যে কথাগুলো বলেছেন, তা সম্পূর্ণ তার ব্যক্তিগত মতামত। শনিবার রাতে চট্টগ্রাম জিইসি কনভেনশন সেন্টারে চট্টগ্রাম, কক্সবাজার, রাঙামাটি, খাগড়াছড়ি ও বান্দরবান অঞ্চলের নির্বাচনী দায়িত্বশীলদের এ সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়। প্রধান অতিথি ছিলেন জামায়াতের আমীর ডা. শফিকুর রহমান। সম্মেলনে বক্তব্য দিতে গিয়ে সাতকানিয়া আসনের জামায়াত প্রার্থী শাহাজাহান চৌধুরী বলেন, নির্বাচনে জয় পেতে হলে প্রশাসনকে তাদের ‘অধীনে’ আনতে হবে এবং পুলিশসহ সংশ্লিষ্ট mọi পক্ষের সমর্থন সংগ্রহ করতে হবে। তিনি আরও বলেন, নির্বাচন শুধু জনগণের ওপর নির্ভর করে না, প্রশাসনকেও ‘কথায় উঠতে বসতে হবে’। প্রার্থীদের উদ্দেশ্যে তিনি বলেন, ওসি যেন আগে থেকেই সব প্রোগ্রাম জানে এবং প্রটোকল নিশ্চিত করে। তিনি আরও দাবি করেন, এবার জামায়াতকে ক্ষমতায় বসানোর ‘সিদ্ধান্ত আল্লাহই নিয়েছেন’। সম্ভাব্য নির্বাচনের তারিখ হিসেবে তিনি ৫ ফেব্রুয়ারি উল্লেখ করেন। ভোটে জয়লাভের জন্য জনগণের কাছে যেতে হবে, তাদের জন্য কাজ করতে হবে—এমনটাই তার বক্তব্য। তার ভাষায়, ‘মাওলানা দেলোয়ার হোসেন সাঈদীর চেহারা ভেসে উঠছে’, দাঁড়িপাল্লা প্রতীকে ভোট চাইতে হবে। সম্মেলনে তিনি বলেন, এই সুযোগ আর আসবে না। জনগণের মনোভাব বুঝে মাঠে কাজ করতে হবে। প্রধানমন্ত্রীর নাম নিয়ে তিনি বলেন, তাদের মতে অনেক যোগ্য নেতা আছে, তবে তার দৃষ্টিতে প্রধানমন্ত্রী হবেন জামায়াতের আমীর ডা. শফিকুর রহমান। পরে দলের প্রার্থীদের জন্য বিভিন্ন দিক নির্দেশনা দেওয়া হয়। নির্বাচনে অনিয়ম রুখে দেওয়া, অর্থের বিনিময়ে ভোট কেনা প্রতিরোধসহ নানা নির্দেশনা দেন বক্তারা। এর আগে বিকেলে ডা. শফিকুর রহমান হেলিকপ্টার করে চট্টগ্রাম প্যারেড গ্রাউন্ডে নামেন। সেখানে সাংবাদিকদের প্রশ্নের উত্তরে তিনি বলেন, নির্বাচন ও গণভোট একসাথে হলে ‘নির্বাচনের জেনোসাইড’ ঘটবে। সম্মেলনে চট্টগ্রাম মহানগর জামায়াতের আমীর নজরুল ইসলাম সভাপতিত্ব করেন এবং দলের কেন্দ্রীয় ও আঞ্চলিক নেতারা বক্তব্য দেন।
প্রিন্ট
















