খালেদা জিয়া ও তারেক রহমানকে নিয়ে সুখবর দিলেন তথ্য উপদেষ্টা
ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় সাবেক ইউপি সদস্যের গলাকাটা মরদেহ উদ্ধার
শ্রীলঙ্কায় ভয়াবহ বন্যায় মৃতের সংখ্যা অন্তত ১৯৩
ইসরায়েলি প্রেসিডেন্টের কাছে ক্ষমা চাইলেন নেতানিয়াহু
হাসপাতালে খালেদা জিয়াকে দেখতে গেলেন তামিম ইকবাল
নোয়াখালীতে খালেদা জিয়ার সুস্থতা কামনায় কোরআন খতম ও দোয়া
মসজিদে বিয়ে ও সমালোচনা নিয়ে মুখ খুললেন শবনম ফারিয়া
দেশে বাড়লো সব ধরনের জ্বালানি তেলের দাম
ইসরায়েলি হামলার গাজায় নিহত ৭০ হাজারের বেশি
খাদ্য অধিদপ্তরের পরীক্ষার প্রশ্নপত্র ফাঁস
নিবিড় পর্যবেক্ষণে খালেদা জিয়া
- আপডেট সময় ০৯:৩৩ অপরাহ্ন, সোমবার, ২৪ নভেম্বর ২০২৫
- / ১২ বার পড়া হয়েছে
বিএনপি চেয়ারপার্সন খালেদা জিয়াকে রাজধানীর এভারকেয়ার হাসপাতালে নিবিড় পর্যবেক্ষণে রাখা হয়েছে। চিকিৎসকদের এক সূত্র সোমবার (২৪ নভেম্বর) রাতে জানায়, খালেদা জিয়ার হার্ট এবং ফুসফুসে সংক্রমণের কারণে শ্বাসকষ্ট ভয়ংকর আকার ধারণ করেছে। এজন্য তাকে বিশেষ নজরদারিতে রাখা হয়েছে। দলের পক্ষ থেকে দেশবাসীর কাছে দ্রুত সুস্থতা কামনায় প্রার্থনা করা হয়েছে। মেডিকেল বোর্ডের সদস্য অধ্যাপক এফ. এম. সিদ্দিকী বলেন, খালেদা জিয়ার বুকের সংক্রমণ ধরা পড়েছে। আগেই থাকা হৃদরোগের সঙ্গে সংক্রমণ ফুসফুসে ছড়িয়ে পড়ায় শ্বাসকষ্ট আরও বেড়ে গেছে। হাসপাতালে পৌঁছানোর পর তৎক্ষণাৎ বিভিন্ন পরীক্ষা-নিরীক্ষা করে অ্যান্টিবায়োটিকসহ প্রয়োজনীয় চিকিৎসা দেওয়া হয়। অন্য এক চিকিৎসক জানান, আজও বোর্ডের এক জরুরি বৈঠক অনুষ্ঠিত হয় এবং আরও কিছু পরীক্ষা সম্পন্ন হয়েছে। চিকিৎসকদের সিদ্ধান্ত, আগামী ২৪ ঘণ্টা তিনি নিবিড় পর্যবেক্ষণে থাকবেন। বিএনপির এক সূত্র জানায়, লন্ডন থেকে বড় ছেলে তারেক রহমান ও পুত্রবধূ ডা. জুবাইদা রহমান নিয়মিত খোঁজখবর রাখছেন। ঢাকায় আছেন প্রয়াত আরাফাত রহমান কোকোর স্ত্রী সৈয়দা শামিলা রহমান। মেডিকেল বোর্ডের পরামর্শে রোববার (২৩ নভেম্বর) রাতে সাবেক প্রধানমন্ত্রীকে এভারকেয়ার হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। হাসপাতালে থাকার সময়ই তার পূর্ণাঙ্গ স্বাস্থ্য পরীক্ষা সম্পন্ন হবে বলে দলের জাতীয় স্থায়ী কমিটির সদস্য ও ব্যক্তিগত চিকিৎসক অধ্যাপক ডা. এ জেড এম জাহিদ হোসেন আগেই জানিয়েছিলেন। এর আগে, ৭ জানুয়ারি উন্নত চিকিৎসার জন্য লন্ডনে যান খালেদা জিয়া। সেখানে ১১৭ দিন অবস্থান শেষে ৬ মে দেশে ফেরার পর নিয়মিত স্বাস্থ্য পরীক্ষা চালানোর অংশ হিসেবে তিনি এভারকেয়ার হাসপাতালে যাচ্ছিলেন।
প্রিন্ট
















