, সোমবার, ০১ ডিসেম্বর ২০২৫, ১৬ অগ্রহায়ণ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
নোটিশ :
সংবাদের বিষয়ে কিছু জানাতে ইমেইল করুন [email protected] ঠিকানায়

অ্যাশেজের আগে বড় ধাক্কা খেল অস্ট্রেলিয়া

নিউজ ডেস্ক
  • আপডেট সময় ১২:০২ অপরাহ্ন, শনিবার, ১৫ নভেম্বর ২০২৫
  • / ২০ বার পড়া হয়েছে

অ্যাশেজ সিরিজের সূচনাকালে অস্ট্রেলিয়ার দলে বড় ধরনের আঘাত এসে পড়েছে। প্যাট কামিন্সের পর পার্থ টেস্ট থেকে ছিটকে গেলেন জশ হ্যাজেলউড। তিন দিন আগে নিউ সাউথ ওয়েলসের হয়ে শেফিল্ড শিল্ডে ভিক্টোরিয়ার বিরুদ্ধে ম্যাচে অংশ নেওয়ার সময় চোট পাওয়ায় মাঠ ছাড়তে হয় তাকে। প্রথমে ফিট বলে ঘোষণা দেওয়া হলেও পরবর্তী স্ক্যানে ধরা পড়ে হ্যামস্ট্রিং ইনজুরি। ২১ নভেম্বর পার্থে অ্যাশেজের প্রথম টেস্ট শুরু হবে। এই ম্যাচে ইংল্যান্ডের বিপক্ষে হ্যাজেলউড স্কোয়াডে থাকবেন না। তার পরিবর্তে কুইন্সল্যান্ডের পেসার মাইকেল নেসারকে দলে ডাকা হয়েছে। একই চোটে এর আগে শন অ্যাবটও বাইরে চলে গেছেন। প্যাট কামিন্স পিঠের ইনজুরি থেকে সেরে উঠলেও সম্পূর্ণ সুস্থ না হওয়ায় প্রথম টেস্টে খেলবেন না। ক্রিকেট অস্ট্রেলিয়ার বিবৃতিতে জানানো হয়, ‘বুধবারের স্ক্যানে কোনো সমস্যা দেখা যায়নি, তবে আজকের পরীক্ষায় ইনজুরি ধরা পড়েছে। প্রথমিক স্ক্যান অনেক সময় কম গুরুতর চোট দেখাতে পারে।’ হ্যাজেলউডের চোটের কারণে ব্রেন্ডন ডগেটের টেস্ট অভিষেকের সম্ভাবনা বৃদ্ধি পেয়েছে। একসঙ্গে মিচেল স্টার্ক ও স্কট বোল্যান্ডের দায়িত্বও বাড়ছে। ২৯৫ টেস্ট উইকেটধারী হ্যাজেলউড গত মাসে ভারতের বিপক্ষে সাদা বলের সিরিজে দারুণ পারফরম্যান্স করেছিলেন এবং শিল্ড ম্যাচেও ভালো ছন্দে ছিলেন। তবে তৃতীয় দিনের সকালে স্পেল শেষে তিনি অধিনায়ক স্টিভেন স্মিথকে জানিয়েছিলেন হ্যামস্ট্রিংয়ে টান অনুভব করছেন। এরপরই স্মিথ তাকে মাঠ ছাড়ার নির্দেশ দেন। গত মৌসুমেও হ্যাজেলউড ভারতের বিপক্ষে পাঁচটি টেস্টের মধ্যে তিনটিতে খেলা হয়নি। একবার সাইড স্ট্রেইন ও একবার কাফ ইনজুরির কারণে মাঠের বাইরে থাকতে হয়েছিল তাকে। ২০১৪ সালের পর অস্ট্রেলিয়া মাত্র দু’বার হ্যাজেলউড ও কামিন্স ছাড়া ঘরের মাঠে টেস্ট খেলেছে, ২০২১ সালে ইংল্যান্ডের বিপক্ষে এবং ২০২২ সালে ওয়েস্ট ইন্ডিজের বিরুদ্ধে। ব্রেন্ডন ডগেট সম্প্রতি হ্যামস্ট্রিং ইনজুরি থেকে সুস্থ হয়ে দারুণ ফর্মে আছেন। শেফিল্ড শিল্ডে দুই ম্যাচে ১৩ উইকেট সংগ্রহ করেছেন। পার্থে অভিষেক হলে তিনি অস্ট্রেলিয়ার ইতিহাসে তৃতীয় আদিবাসী পুরুষ টেস্ট ক্রিকেটার হবেন এবং একই সঙ্গে প্রথমবারের মতো দু’জন আদিবাসী খেলোয়াড় (ডগেট ও বোল্যান্ড) এক টেস্ট দলে থাকবেন। অন্যদিকে, কামিন্স বোলিংয়ের অনুশীলনের তীব্রতা বাড়িয়ে তুলেছেন। তিনি জানিয়েছেন, গত সপ্তাহে নেটে প্রায় ৯০% তীব্রতায় বল করেছেন এবং পার্থে পুরোপুরি ফিট হয়ে খেলতে প্রত্যাশা করছেন। অস্ট্রেলিয়ার পেস আক্রমণ এখন বড় পরীক্ষার মুখে। যদি কেউ চোট পান, বিকল্প পাওয়া কঠিন হবে। ঝাই রিচার্ডসনকে ইংল্যান্ড লায়ন্সের বিপক্ষে দলে রাখা হয়েছে, কাঁধের অপারেশন থেকে ফিরে সিরিজের শেষ দিকে তিনি দলের একজন বিকল্প হিসেবে থাকতে পারেন। জেভিয়র বার্টলেটও বিবেচনায় থাকবেন।


প্রিন্ট

নিউজটি শেয়ার করুন

অ্যাশেজের আগে বড় ধাক্কা খেল অস্ট্রেলিয়া

আপডেট সময় ১২:০২ অপরাহ্ন, শনিবার, ১৫ নভেম্বর ২০২৫

অ্যাশেজ সিরিজের সূচনাকালে অস্ট্রেলিয়ার দলে বড় ধরনের আঘাত এসে পড়েছে। প্যাট কামিন্সের পর পার্থ টেস্ট থেকে ছিটকে গেলেন জশ হ্যাজেলউড। তিন দিন আগে নিউ সাউথ ওয়েলসের হয়ে শেফিল্ড শিল্ডে ভিক্টোরিয়ার বিরুদ্ধে ম্যাচে অংশ নেওয়ার সময় চোট পাওয়ায় মাঠ ছাড়তে হয় তাকে। প্রথমে ফিট বলে ঘোষণা দেওয়া হলেও পরবর্তী স্ক্যানে ধরা পড়ে হ্যামস্ট্রিং ইনজুরি। ২১ নভেম্বর পার্থে অ্যাশেজের প্রথম টেস্ট শুরু হবে। এই ম্যাচে ইংল্যান্ডের বিপক্ষে হ্যাজেলউড স্কোয়াডে থাকবেন না। তার পরিবর্তে কুইন্সল্যান্ডের পেসার মাইকেল নেসারকে দলে ডাকা হয়েছে। একই চোটে এর আগে শন অ্যাবটও বাইরে চলে গেছেন। প্যাট কামিন্স পিঠের ইনজুরি থেকে সেরে উঠলেও সম্পূর্ণ সুস্থ না হওয়ায় প্রথম টেস্টে খেলবেন না। ক্রিকেট অস্ট্রেলিয়ার বিবৃতিতে জানানো হয়, ‘বুধবারের স্ক্যানে কোনো সমস্যা দেখা যায়নি, তবে আজকের পরীক্ষায় ইনজুরি ধরা পড়েছে। প্রথমিক স্ক্যান অনেক সময় কম গুরুতর চোট দেখাতে পারে।’ হ্যাজেলউডের চোটের কারণে ব্রেন্ডন ডগেটের টেস্ট অভিষেকের সম্ভাবনা বৃদ্ধি পেয়েছে। একসঙ্গে মিচেল স্টার্ক ও স্কট বোল্যান্ডের দায়িত্বও বাড়ছে। ২৯৫ টেস্ট উইকেটধারী হ্যাজেলউড গত মাসে ভারতের বিপক্ষে সাদা বলের সিরিজে দারুণ পারফরম্যান্স করেছিলেন এবং শিল্ড ম্যাচেও ভালো ছন্দে ছিলেন। তবে তৃতীয় দিনের সকালে স্পেল শেষে তিনি অধিনায়ক স্টিভেন স্মিথকে জানিয়েছিলেন হ্যামস্ট্রিংয়ে টান অনুভব করছেন। এরপরই স্মিথ তাকে মাঠ ছাড়ার নির্দেশ দেন। গত মৌসুমেও হ্যাজেলউড ভারতের বিপক্ষে পাঁচটি টেস্টের মধ্যে তিনটিতে খেলা হয়নি। একবার সাইড স্ট্রেইন ও একবার কাফ ইনজুরির কারণে মাঠের বাইরে থাকতে হয়েছিল তাকে। ২০১৪ সালের পর অস্ট্রেলিয়া মাত্র দু’বার হ্যাজেলউড ও কামিন্স ছাড়া ঘরের মাঠে টেস্ট খেলেছে, ২০২১ সালে ইংল্যান্ডের বিপক্ষে এবং ২০২২ সালে ওয়েস্ট ইন্ডিজের বিরুদ্ধে। ব্রেন্ডন ডগেট সম্প্রতি হ্যামস্ট্রিং ইনজুরি থেকে সুস্থ হয়ে দারুণ ফর্মে আছেন। শেফিল্ড শিল্ডে দুই ম্যাচে ১৩ উইকেট সংগ্রহ করেছেন। পার্থে অভিষেক হলে তিনি অস্ট্রেলিয়ার ইতিহাসে তৃতীয় আদিবাসী পুরুষ টেস্ট ক্রিকেটার হবেন এবং একই সঙ্গে প্রথমবারের মতো দু’জন আদিবাসী খেলোয়াড় (ডগেট ও বোল্যান্ড) এক টেস্ট দলে থাকবেন। অন্যদিকে, কামিন্স বোলিংয়ের অনুশীলনের তীব্রতা বাড়িয়ে তুলেছেন। তিনি জানিয়েছেন, গত সপ্তাহে নেটে প্রায় ৯০% তীব্রতায় বল করেছেন এবং পার্থে পুরোপুরি ফিট হয়ে খেলতে প্রত্যাশা করছেন। অস্ট্রেলিয়ার পেস আক্রমণ এখন বড় পরীক্ষার মুখে। যদি কেউ চোট পান, বিকল্প পাওয়া কঠিন হবে। ঝাই রিচার্ডসনকে ইংল্যান্ড লায়ন্সের বিপক্ষে দলে রাখা হয়েছে, কাঁধের অপারেশন থেকে ফিরে সিরিজের শেষ দিকে তিনি দলের একজন বিকল্প হিসেবে থাকতে পারেন। জেভিয়র বার্টলেটও বিবেচনায় থাকবেন।


প্রিন্ট